বরিশাল প্রতিনিধি

‘জামায়াত আমাকে ছাড়া কাকে ভোট দেবে? তারা আল্লাহর আইন চায়, আমিও চাই–কাজেই তারা আমাকে ভোট দেবে।’–এমনটাই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। আজ বুধবার বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, জামায়াতের সঙ্গে জোট ভাঙার মূল কারণ তাদের ইশতেহারে ইসলাম না থাকা। ফয়জুল করিম বলেন, “আমরা ইসলামের পক্ষে একটি আলাদা নির্বাচনী বক্স চেয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াত তাদের ইশতেহারে ইসলামের কথা রাখেনি।”
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফয়জুল করিম বলেন, ভোটের পরিবেশ যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়। ভোটাররা যেন নিজের পছন্দমতো ভোট দিতে পারে–সেটা প্রশাসনকেই নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, রেজাল্ট ঘোষণার আগ পর্যন্ত আমি কোনোভাবেই বলব না যে নির্বাচনের মাঠ সঠিক আছে কি না।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে এই নেতা বলেন, নির্বাচিত হলে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ এবং বরিশালে চাঁদাবাজি নির্মূলে ভূমিকা রাখবেন। পাশাপাশি অসমাপ্ত উন্নয়নকাজগুলো সম্পন্ন করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে একটি সুন্দর বরিশাল গড়ে তুলবো।

‘জামায়াত আমাকে ছাড়া কাকে ভোট দেবে? তারা আল্লাহর আইন চায়, আমিও চাই–কাজেই তারা আমাকে ভোট দেবে।’–এমনটাই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। আজ বুধবার বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, জামায়াতের সঙ্গে জোট ভাঙার মূল কারণ তাদের ইশতেহারে ইসলাম না থাকা। ফয়জুল করিম বলেন, “আমরা ইসলামের পক্ষে একটি আলাদা নির্বাচনী বক্স চেয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াত তাদের ইশতেহারে ইসলামের কথা রাখেনি।”
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ফয়জুল করিম বলেন, ভোটের পরিবেশ যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়। ভোটাররা যেন নিজের পছন্দমতো ভোট দিতে পারে–সেটা প্রশাসনকেই নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, রেজাল্ট ঘোষণার আগ পর্যন্ত আমি কোনোভাবেই বলব না যে নির্বাচনের মাঠ সঠিক আছে কি না।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে এই নেতা বলেন, নির্বাচিত হলে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ এবং বরিশালে চাঁদাবাজি নির্মূলে ভূমিকা রাখবেন। পাশাপাশি অসমাপ্ত উন্নয়নকাজগুলো সম্পন্ন করার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে একটি সুন্দর বরিশাল গড়ে তুলবো।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।