চরচা ডেস্ক

ইসরায়েলের পক্ষে গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং বিরোধী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে দেশটির বিচার বিভাগের সংবাদ সংস্থা ‘মিজান’ এই তথ্য জানিয়েছে।
নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস সোশ্যাল মিডিয়া এক্সের এক পোস্টে জানায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আকিল কেশাভার্জ। ২৭ বছর বয়সী এই তরুণ একজন স্থাপত্যবিদ্যার ছাত্র ছিলেন। আকিলের মৃত্যুদণ্ড স্থানীয় সময় শনিবার কার্যকর করা হয়।
আকিল কেশাভার্জের ওপর প্রচণ্ড নির্যাতন চালিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিল এবং তার ভিত্তিতেই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান হিউম্যান রাইটস।
ইরান অভিযোগ করেছে, ওই ব্যক্তি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’-কে সাহায্য করছিলেন এবং ইরানের ভেতরে বিভিন্ন অভিযানে সহায়তা করেছেন।
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের শত্রুতা রয়েছে। চলতি বছরের জুন মাস থেকে এই সংঘাত যুদ্ধে রূপ নেয়। ইসরায়েল যখন ইরানের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন হামলা চালায়, তখন থেকেই ইরান গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হার অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে চলতি বছর ইরানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

ইসরায়েলের পক্ষে গোয়েন্দা কার্যক্রম এবং বিরোধী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে দেশটির বিচার বিভাগের সংবাদ সংস্থা ‘মিজান’ এই তথ্য জানিয়েছে।
নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস সোশ্যাল মিডিয়া এক্সের এক পোস্টে জানায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম আকিল কেশাভার্জ। ২৭ বছর বয়সী এই তরুণ একজন স্থাপত্যবিদ্যার ছাত্র ছিলেন। আকিলের মৃত্যুদণ্ড স্থানীয় সময় শনিবার কার্যকর করা হয়।
আকিল কেশাভার্জের ওপর প্রচণ্ড নির্যাতন চালিয়ে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়েছিল এবং তার ভিত্তিতেই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান হিউম্যান রাইটস।
ইরান অভিযোগ করেছে, ওই ব্যক্তি ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’-কে সাহায্য করছিলেন এবং ইরানের ভেতরে বিভিন্ন অভিযানে সহায়তা করেছেন।
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দীর্ঘদিনের শত্রুতা রয়েছে। চলতি বছরের জুন মাস থেকে এই সংঘাত যুদ্ধে রূপ নেয়। ইসরায়েল যখন ইরানের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন হামলা চালায়, তখন থেকেই ইরান গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হার অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে চলতি বছর ইরানে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।