চরচা প্রতিবেদক

খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও বিভাগীয় কমিটির আহ্বায়ক মোতালেব শিকদারকে গুলির ঘটনায় যুবশক্তির নেত্রী তনিমা ওরফে তন্বীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গতকাল সোমবার রাতে মহানগরীর টুটপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। খুলনা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক তৈমুর ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তন্বী জেলা যুবশক্তির ১ নম্বর যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। এর আগে সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার তন্বীর বাসাতেই মোতালেবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘গুলিটি মোতালেব শিকদারের কানকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে বেরিয়ে গেছে। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।”
পুলিশের ভাষ্য, মোতালেবের ওপর কেন হামলা চালানো হয়েছিল, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তন্বীকে আটক করা হয়েছে।

খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকশক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক ও বিভাগীয় কমিটির আহ্বায়ক মোতালেব শিকদারকে গুলির ঘটনায় যুবশক্তির নেত্রী তনিমা ওরফে তন্বীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গতকাল সোমবার রাতে মহানগরীর টুটপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। খুলনা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক তৈমুর ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তন্বী জেলা যুবশক্তির ১ নম্বর যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। এর আগে সোমবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নগরের সোনাডাঙ্গা এলাকার তন্বীর বাসাতেই মোতালেবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘‘গুলিটি মোতালেব শিকদারের কানকে এফোঁড়-ওফোঁড় করে বেরিয়ে গেছে। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।”
পুলিশের ভাষ্য, মোতালেবের ওপর কেন হামলা চালানো হয়েছিল, সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তন্বীকে আটক করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।