চরচা ডেস্ক

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
আজ রোববার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্ত এলাকায় সাধারণ বাংলাদেশিদের ওপর ধারাবাহিক গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনা অমানবিক এবং চরম নিন্দনীয়। দুইদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় আশ্বাস থাকা সত্ত্বেও সীমান্তে প্রাণহানির ঘটনা মানবধিকার লঙ্ঘন এবং প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্ব ও আস্থার সম্পর্কের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ২৮ বাংলাদেশিকে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ হত্যা করেছে।
সীমান্তে বারবার এ সকল হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি বলে দাবি জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। পাশাপাশি সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার পরিহার এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানায় আসক।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।
আজ রোববার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্ত এলাকায় সাধারণ বাংলাদেশিদের ওপর ধারাবাহিক গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনা অমানবিক এবং চরম নিন্দনীয়। দুইদেশের দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় আশ্বাস থাকা সত্ত্বেও সীমান্তে প্রাণহানির ঘটনা মানবধিকার লঙ্ঘন এবং প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্ব ও আস্থার সম্পর্কের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।
আসকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ২৮ বাংলাদেশিকে সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ হত্যা করেছে।
সীমান্তে বারবার এ সকল হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি বলে দাবি জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। পাশাপাশি সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার পরিহার এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার প্রতিশ্রুতিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানায় আসক।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।