চরচা ডেস্ক

জেন জি অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএন) সঙ্গে তরুণ আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের পর নেপালে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায় জেলা প্রসাশন স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা পর্যন্ত কারফিউ জারি রেখেছে।
সংঘর্ষটি নেপালের সিমারা এলাকায় ঘটেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তরুণরা। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায় যখন তরুণ আন্দোলনকারীরা এবং সিপিএন সমর্থকেরা এক সঙ্গে সমাবেশ করে। পরবর্তীতে উভয় দলের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ফলে কর্তৃপক্ষ কারফিউ জারি করতে বাধ্য হয়।
নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফেল বলেন, “পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। কেউ গুরুতর আহত হননি।”
নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি সকলকে শান্ত এবং সবদলের প্রতি ‘রাজনৈতিক উসকানি’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিরাপদ চলাচল এবং নির্বাচনের জন্য একটি সুষ্ঠু ও ভয়-মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে চান তিনি।

জেন জি অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিএন) সঙ্গে তরুণ আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের পর নেপালে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানায় জেলা প্রসাশন স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা পর্যন্ত কারফিউ জারি রেখেছে।
সংঘর্ষটি নেপালের সিমারা এলাকায় ঘটেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তরুণরা। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায় যখন তরুণ আন্দোলনকারীরা এবং সিপিএন সমর্থকেরা এক সঙ্গে সমাবেশ করে। পরবর্তীতে উভয় দলের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। ফলে কর্তৃপক্ষ কারফিউ জারি করতে বাধ্য হয়।
নেপাল পুলিশের মুখপাত্র আবি নারায়ণ কাফেল বলেন, “পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। কেউ গুরুতর আহত হননি।”
নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি সকলকে শান্ত এবং সবদলের প্রতি ‘রাজনৈতিক উসকানি’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিরাপদ চলাচল এবং নির্বাচনের জন্য একটি সুষ্ঠু ও ভয়-মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে চান তিনি।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।