চরচা ডেস্ক

লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় নিচতলার গোডাউনে থাকা বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে।
আজ শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে জেলা নির্বাচন অফিসে ঘটে এই ঘটনা বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাস সংস্থা ইউএনবি। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলা নির্বাচন অফিসের নিচতলায় জানালার কাঁচ ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ সময় অফিসের দারোয়ান টের পেয়ে চিৎকার দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে নির্বাচন অফিসের কর্মচারীরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুর রশিদ বলেন, “আগুনে অফিসের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। তবে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে টের পাওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর-সার্কেল) মো. রেজাউল হক বলেন, অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন অফিসে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় নিচতলার গোডাউনে থাকা বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে।
আজ শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে জেলা নির্বাচন অফিসে ঘটে এই ঘটনা বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাস সংস্থা ইউএনবি। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ ও নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলা নির্বাচন অফিসের নিচতলায় জানালার কাঁচ ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ সময় অফিসের দারোয়ান টের পেয়ে চিৎকার দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে নির্বাচন অফিসের কর্মচারীরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুর রশিদ বলেন, “আগুনে অফিসের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে গেছে। তবে বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে টের পাওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। এ ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর-সার্কেল) মো. রেজাউল হক বলেন, অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।