ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসন যেন পরিণত হলো এক উৎসবমুখর জনসমুদ্রে। ১৭ বছর পর ‘সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বার্তায়’ শহর জেগে উঠেছে নতুন প্রাণে। আজ সোমবার প্রচারণার শেষ দিনে দুপুর ৩টা থেকেই রাজপথ দখলে নেন দুই দলের প্রার্থী।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসানকে শেষ দিনের প্রচারে দেখা যায় মিছিলে। তিনি বলেন, “আমাদের এবারের আন্দোলন মূলত আজাদীর আন্দোলন। মানুষ এবার পরিবর্তন চায়। একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত কায়েম করতে জনগণ আমাদের পাশে থাকবে। সে হিসেবে আমাদের জয়ের সম্ভাবনা শতভাগ।”
বিকেল ৫টার পর দেখা যায় ধানের শীষের প্রার্থী আবু ওয়াহাবের মিছিল। সেখানে দেখা যায় হাজার হাজার মানুষের ঢল।
প্রচারকালে দুই প্রর্থীকেই দেখা যায় সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে। প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় শহরজুরে দেখা গেছে আনন্দঘন পরিবেশ।

ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসন যেন পরিণত হলো এক উৎসবমুখর জনসমুদ্রে। ১৭ বছর পর ‘সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বার্তায়’ শহর জেগে উঠেছে নতুন প্রাণে। আজ সোমবার প্রচারণার শেষ দিনে দুপুর ৩টা থেকেই রাজপথ দখলে নেন দুই দলের প্রার্থী।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসানকে শেষ দিনের প্রচারে দেখা যায় মিছিলে। তিনি বলেন, “আমাদের এবারের আন্দোলন মূলত আজাদীর আন্দোলন। মানুষ এবার পরিবর্তন চায়। একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত কায়েম করতে জনগণ আমাদের পাশে থাকবে। সে হিসেবে আমাদের জয়ের সম্ভাবনা শতভাগ।”
বিকেল ৫টার পর দেখা যায় ধানের শীষের প্রার্থী আবু ওয়াহাবের মিছিল। সেখানে দেখা যায় হাজার হাজার মানুষের ঢল।
প্রচারকালে দুই প্রর্থীকেই দেখা যায় সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে। প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় শহরজুরে দেখা গেছে আনন্দঘন পরিবেশ।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।