চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর ওয়ারীতে একটি রেস্টুরেন্টে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে বাবুর্চীসহ আট জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ওয়ারীর পাস্তা ক্লাবের তৃতীয়তলার রান্নাঘরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরমধ্যে জসিম (২০) ও কামরুল (৩২) নামের দুজনকে জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউট ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্য আহতেরা হলেন হোটেলের ক্যাশিয়ার শাহ আলাম (৪৫), কর্মচারী ইউনুস (৩০),সৌরভ (২৫), মেহেদী (২৫), মোস্তফা (২৭) ও আবির (২২)।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে কামরুলের আট শতাংশ ও জসিমের তিন শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্য আহতদের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা রেস্টুরেন্টের আরেক কর্মচারী ইউসুফ শেখ জানায়, রেস্তোরাঁর তৃতীয় তলায় হোটেলের রান্নাঘরে হঠাৎ গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হয়। এতে সেখানে থাকা সবাই আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, আহতদের মধ্যে ছয়জনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা চলছে।

রাজধানীর ওয়ারীতে একটি রেস্টুরেন্টে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে বাবুর্চীসহ আট জন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে ওয়ারীর পাস্তা ক্লাবের তৃতীয়তলার রান্নাঘরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরমধ্যে জসিম (২০) ও কামরুল (৩২) নামের দুজনকে জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউট ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অন্য আহতেরা হলেন হোটেলের ক্যাশিয়ার শাহ আলাম (৪৫), কর্মচারী ইউনুস (৩০),সৌরভ (২৫), মেহেদী (২৫), মোস্তফা (২৭) ও আবির (২২)।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে কামরুলের আট শতাংশ ও জসিমের তিন শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্য আহতদের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা রেস্টুরেন্টের আরেক কর্মচারী ইউসুফ শেখ জানায়, রেস্তোরাঁর তৃতীয় তলায় হোটেলের রান্নাঘরে হঠাৎ গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ হয়। এতে সেখানে থাকা সবাই আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, আহতদের মধ্যে ছয়জনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। দুজনকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা চলছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।