চরচা ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়োমিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেডিসডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে হামলা থেকে ‘বিরত’ থাকবে ইসরায়েল।
স্থানীয় সময় গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নেতানিয়াহু। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এ যুদ্ধে টেনে এনেছে বলে ওঠা দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে নাকচ করে দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, বুধবার ইসরায়েল ইরানের অন্যতম বৃহৎ ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসক্ষেত্রের স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে আর কোনো নতুন হামলা চান না তিনি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে যান চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টার জবাবে তেহরানকে একটি কড়া বার্তা দিতে ট্রাম্প বুধবারের হামলাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তবে সেই উদ্দেশ্য সফল হওয়ার পর তিনি আপাতত পরবর্তী যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধী।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়োমিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেডিসডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের গ্যাসক্ষেত্রে হামলা থেকে ‘বিরত’ থাকবে ইসরায়েল।
স্থানীয় সময় গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান নেতানিয়াহু। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এ যুদ্ধে টেনে এনেছে বলে ওঠা দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে নাকচ করে দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে, বুধবার ইসরায়েল ইরানের অন্যতম বৃহৎ ‘সাউথ পার্স’ গ্যাসক্ষেত্রের স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানার পর ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে আর কোনো নতুন হামলা চান না তিনি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে যান চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টার জবাবে তেহরানকে একটি কড়া বার্তা দিতে ট্রাম্প বুধবারের হামলাকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। তবে সেই উদ্দেশ্য সফল হওয়ার পর তিনি আপাতত পরবর্তী যেকোনো পদক্ষেপের বিরোধী।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।