চরচা প্রতিবেদক

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের নামে থাকা মোট ২৮টি ব্যাংক হিসাব এবং দুটি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার) হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেন।
দুদকের পক্ষে এদিন সহকারী পরিচালক রাসেল রনি আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে–বিপ্লব কুমার সরকার ও সংশ্লিষ্টরা ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ টাকা আয় করেছেন।
সেই আয় নিজেদের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে আড়াল করতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নামে-বেনামে সম্পত্তি ক্রয়ের বিষয়টিও অনুসন্ধানাধীন।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা তাদের ব্যাংক ও বিও হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর কিংবা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এসব সম্পদ স্থানান্তরিত হলে ভবিষ্যতে অর্থ উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এ অবস্থায় দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা অনুযায়ী উল্লিখিত হিসাবগুলো থেকে অর্থ উত্তোলন অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা জরুরি।
গত ৯ ডিসেম্বর একই মামলার প্রেক্ষিতে বিপ্লব কুমার সরকার, তার স্ত্রী, ভাই প্রণয় কুমার সরকার এবং হোসনেয়ারার বোন শাহানারা বেগমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন আদালত।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও তার স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের নামে থাকা মোট ২৮টি ব্যাংক হিসাব এবং দুটি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার) হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ নির্দেশ দেন।
দুদকের পক্ষে এদিন সহকারী পরিচালক রাসেল রনি আদালতে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধানকালে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে–বিপ্লব কুমার সরকার ও সংশ্লিষ্টরা ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ টাকা আয় করেছেন।
সেই আয় নিজেদের ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে আড়াল করতে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নামে-বেনামে সম্পত্তি ক্রয়ের বিষয়টিও অনুসন্ধানাধীন।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা তাদের ব্যাংক ও বিও হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর কিংবা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এসব সম্পদ স্থানান্তরিত হলে ভবিষ্যতে অর্থ উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এ অবস্থায় দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা অনুযায়ী উল্লিখিত হিসাবগুলো থেকে অর্থ উত্তোলন অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা জরুরি।
গত ৯ ডিসেম্বর একই মামলার প্রেক্ষিতে বিপ্লব কুমার সরকার, তার স্ত্রী, ভাই প্রণয় কুমার সরকার এবং হোসনেয়ারার বোন শাহানারা বেগমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন আদালত।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।