চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আদাবর এলাকায় চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা আদাবর থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাসেল ওরফে কালা রাসেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আদাবর ১৭ নম্বর রোডের একটি কারখানায় হামলা হয়। পরে রাত ১১টার দিকে আদাবর থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ জানান ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।
স্থানীয়দের দাবি, এমব্রয়ডারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের কারখানায় হঠাৎ ৮ থেকে ১০ জনের একটি কিশোর গ্যাং ঢুকে চাঁদা দাবি করে। ভুক্তভোগীর স্বজন মারুফ হাসান সুমন জানান, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রাসেলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় এবং দুই শ্রমিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাসেল স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য এবং তারা আরেক গ্যাং লিডার রানার সঙ্গে মিলে এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করে থাকে।
পরে রাত ১১টা থেকে দেড় ঘণ্টা কারখানার মালিক-শ্রমিকরা আদাবর থানা ঘেরাও করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন।
এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার সময় ১০–১২ জনের একটি সশস্ত্র দল কারখানায় হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন এবং তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শ্রমিকরা পরে অভিযুক্ত রাসেলের বাসা ঘেরাও করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। এরপর শ্রমিকরা থানার সামনে অবস্থান নেন। এরইমধ্যে কারখানার মালিক মামলা দায়ের করেছেন এবং রাসেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আদাবর এলাকায় চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় কয়েকজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা আদাবর থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে এই ঘটনায় অভিযুক্ত রাসেল ওরফে কালা রাসেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আদাবর ১৭ নম্বর রোডের একটি কারখানায় হামলা হয়। পরে রাত ১১টার দিকে আদাবর থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ জানান ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।
স্থানীয়দের দাবি, এমব্রয়ডারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের কারখানায় হঠাৎ ৮ থেকে ১০ জনের একটি কিশোর গ্যাং ঢুকে চাঁদা দাবি করে। ভুক্তভোগীর স্বজন মারুফ হাসান সুমন জানান, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রাসেলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় এবং দুই শ্রমিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাসেল স্থানীয় কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য এবং তারা আরেক গ্যাং লিডার রানার সঙ্গে মিলে এলাকায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করে থাকে।
পরে রাত ১১টা থেকে দেড় ঘণ্টা কারখানার মালিক-শ্রমিকরা আদাবর থানা ঘেরাও করে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন।
এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার সময় ১০–১২ জনের একটি সশস্ত্র দল কারখানায় হামলা চালায়। এতে কয়েকজন আহত হন এবং তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, শ্রমিকরা পরে অভিযুক্ত রাসেলের বাসা ঘেরাও করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। এরপর শ্রমিকরা থানার সামনে অবস্থান নেন। এরইমধ্যে কারখানার মালিক মামলা দায়ের করেছেন এবং রাসেলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান চলছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।