চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবনের লোহার পাইপ মাথায় পড়ে এক রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার মগবাজার নির্মাণাধীন ১৩ তলা ভবনের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা ।
মৃত মো. তাইজুল ইসলাম রংপুর জেলার নাগেশ্বর থানার বেরুবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। মগবাজার এবিসি কোম্পানির নির্মাণাধীন ভবনে থাকতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে আসা মৃতের সহকর্মী জাহিদ হাসান জানিয়েছেন, তাইজুল পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে মগ বাজার এবিসি কোম্পানির নির্মাণাধীন ১৩ তলা ভবনের নিচ তলায় বালুর কাজ করছিলেন। সে সময় হঠাৎ ওই ভবনের উপর থেকে লোহার বড় পাইপ তার মাথার উপর পড়ে আহত হন।
পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে দুপুর পৌনে দুইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, “মৃতদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।”

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবনের লোহার পাইপ মাথায় পড়ে এক রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার মগবাজার নির্মাণাধীন ১৩ তলা ভবনের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা ।
মৃত মো. তাইজুল ইসলাম রংপুর জেলার নাগেশ্বর থানার বেরুবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। মগবাজার এবিসি কোম্পানির নির্মাণাধীন ভবনে থাকতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে আসা মৃতের সহকর্মী জাহিদ হাসান জানিয়েছেন, তাইজুল পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে মগ বাজার এবিসি কোম্পানির নির্মাণাধীন ১৩ তলা ভবনের নিচ তলায় বালুর কাজ করছিলেন। সে সময় হঠাৎ ওই ভবনের উপর থেকে লোহার বড় পাইপ তার মাথার উপর পড়ে আহত হন।
পরে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে দুপুর পৌনে দুইটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, “মৃতদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।