চরচা প্রতিবেদক

রাজধানী ঢাকায় শীতের অনুভূতি বেড়েছে। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কুয়াশা। আজ রোববার সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আজ দুপুর পর্যন্ত ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে।
আজ রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, দিনের প্রথমার্ধে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তেও পারে।
অন্যদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রাজধানী ঢাকায় শীতের অনুভূতি বেড়েছে। এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কুয়াশা। আজ রোববার সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস বলছে, আজ দুপুর পর্যন্ত ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকতে পারে।
আজ রোববার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, দিনের প্রথমার্ধে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তেও পারে।
অন্যদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।