চরচা প্রতিবেদক

রাজধানীর হাজারীবাগে ছাদ বাগানে পানি দিতে গিয়ে তৃতীয় তলা থেকে পড়ে হাওয়া নুর বেগম (৯০) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ছাদ বাগান থেকে পড়ে হাওয়ার পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হাওয়া নুর বেগম হাজারীবাগের ৭৬ নম্বর বটতলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা জমসের হোসেনের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে আনোয়ার হোসেন জানান, তার মা ফুল গাছ খুব ভালোবাসতেন। বাড়ির তৃতীয় তলার ছাদে তিনি একটি বাগান করেছিলেন। প্রতিদিনের মতো আজ বিকেলেও তিনি বাগানে পানি দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ছাদের রেলিং না থাকায় অসাবধানতাবশত তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।
তিনি বলেন, “পরে আমরা দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং হাজারীবাগ থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

রাজধানীর হাজারীবাগে ছাদ বাগানে পানি দিতে গিয়ে তৃতীয় তলা থেকে পড়ে হাওয়া নুর বেগম (৯০) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ছাদ বাগান থেকে পড়ে হাওয়ার পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত হাওয়া নুর বেগম হাজারীবাগের ৭৬ নম্বর বটতলা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা জমসের হোসেনের স্ত্রী।
নিহতের ছেলে আনোয়ার হোসেন জানান, তার মা ফুল গাছ খুব ভালোবাসতেন। বাড়ির তৃতীয় তলার ছাদে তিনি একটি বাগান করেছিলেন। প্রতিদিনের মতো আজ বিকেলেও তিনি বাগানে পানি দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ছাদের রেলিং না থাকায় অসাবধানতাবশত তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।
তিনি বলেন, “পরে আমরা দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং হাজারীবাগ থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।