চরচা ডেস্ক

তথ্যচিত্রে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্য ভুলভাবে সম্পাদনা করার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। তবে এ ঘটনায় ট্রাম্পকে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়নি সংবাদমাধ্যমটি।
তথ্যচিত্রে বক্তব্য ভুলভাবে প্রচারের ঘটনায় বিবিসির বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা করার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত সোমবার সংবাদমাধ্যমটিকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেওয়া হয়।
ট্রাম্পের আইনজীবীদের দেওয়া ওই চিঠিতে শুক্রবার ( ১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত বিবিসিকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে সংবাদমাধ্যমটিকে ট্রাম্পের বক্তব্য থাকা তথ্যচিত্রটি প্রত্যাহার করতে বলা হয়। সেইসঙ্গে বিবিসিকে ক্ষমা চাইতে এবং যথাযথভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত ‘সংশোধনী ও ব্যাখ্যা’ অংশে বিবিসি জানায়, ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পাদনা নিয়ে সমালোচনার পর প্যানোরামা অনুষ্ঠানটি আবার পর্যালোচনা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পর্যালোচনার সময় দেখা গেছে, ট্রাম্পের ভাষণের আলাদা আলাদা অংশ তথ্যচিত্রে জোড়া দেওয়া হয়েছে।

তথ্যচিত্রে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্য ভুলভাবে সম্পাদনা করার ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। তবে এ ঘটনায় ট্রাম্পকে ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি হয়নি সংবাদমাধ্যমটি।
তথ্যচিত্রে বক্তব্য ভুলভাবে প্রচারের ঘটনায় বিবিসির বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা করার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। গত সোমবার সংবাদমাধ্যমটিকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দেওয়া হয়।
ট্রাম্পের আইনজীবীদের দেওয়া ওই চিঠিতে শুক্রবার ( ১৪ নভেম্বর) পর্যন্ত বিবিসিকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে সংবাদমাধ্যমটিকে ট্রাম্পের বক্তব্য থাকা তথ্যচিত্রটি প্রত্যাহার করতে বলা হয়। সেইসঙ্গে বিবিসিকে ক্ষমা চাইতে এবং যথাযথভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত ‘সংশোধনী ও ব্যাখ্যা’ অংশে বিবিসি জানায়, ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পাদনা নিয়ে সমালোচনার পর প্যানোরামা অনুষ্ঠানটি আবার পর্যালোচনা করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পর্যালোচনার সময় দেখা গেছে, ট্রাম্পের ভাষণের আলাদা আলাদা অংশ তথ্যচিত্রে জোড়া দেওয়া হয়েছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।