চরচা ডেস্ক

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। আজ সোমবার সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই- বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের প্রশ্নই আসে না। এর আগে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছিল। তবুও একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে।
সেনাবাহিনী বলেছে, এসব অপপ্রচার নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়। তারা আশা প্রকাশ করেছে, দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে এবং গণতান্ত্রিক চর্চার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠবে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে আইএসপিআর। আজ সোমবার সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই- বিশেষত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের প্রশ্নই আসে না। এর আগে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছিল। তবুও একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে।
সেনাবাহিনী বলেছে, এসব অপপ্রচার নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের অপচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়। তারা আশা প্রকাশ করেছে, দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে এবং গণতান্ত্রিক চর্চার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠবে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।