চরচা ডেস্ক

ভুয়া ওয়েবসাইট এবং বিশ্বব্যাংকের নাম ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণার দায়ে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। আজ রোববার ‘সাইবার পুলিশ সেন্টারের’ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, “অনলাইনে কম সুদে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছিল একটি আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্র।”
জসীম উদ্দিন খান আরও বলেন, “প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ জনগণের সাথে প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে নিজেদেরকে বিশ্বব্যাংকের ঋণ কর্মসূচির প্রতিনিধি পরিচয় দেয়। তারপর নিজেদেরকে ‘লোন অফিসার, এমএসএস ইউনিট, কার্ড ডিভিশন, হেড অফিস, ঢাকা, World Bank’ পদবিতে পরিচয় দিয়ে ২% সুদে ১০ লাখ টাকা ঋণ অনুমোদনের প্রলোভন দেখায়। পরবর্তীতৈ প্রতারকরা ভিকটিমদেরকে ‘https://bdworldloanprojectcw.com’ নামের একটি ভুয়া ব্যাংকিং ওয়েবসাইটের লিংক পাঠিয়ে সেখানে আবেদন করতে বলে এবং বিভিন্ন চার্জ, ভ্যাট, ইন্সুরেন্স ও প্রক্রিয়াকরণ ফি বাবদ একাধিকবার টাকা পাঠাতে বাধ্য করে।”
প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
জসীম উদ্দিন আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত সোহাগ হোসেন একটি আন্তর্জাতিক ‘বিনিয়োগ ও ঋণ প্রতারণা’ চক্রের অংশ, যার মূল হোতা বিদেশে অবস্থান করছে। এই চক্র বিশ্বব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (আইএফএডি) এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার নাম, লোগো, ওয়েবসাইট ও ভুয়া পরিচয়ের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অনলাইনে টাকা আত্মসাৎ করে আসছে।”

ভুয়া ওয়েবসাইট এবং বিশ্বব্যাংকের নাম ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণার দায়ে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। আজ রোববার ‘সাইবার পুলিশ সেন্টারের’ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, “অনলাইনে কম সুদে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছিল একটি আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্র।”
জসীম উদ্দিন খান আরও বলেন, “প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ জনগণের সাথে প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে নিজেদেরকে বিশ্বব্যাংকের ঋণ কর্মসূচির প্রতিনিধি পরিচয় দেয়। তারপর নিজেদেরকে ‘লোন অফিসার, এমএসএস ইউনিট, কার্ড ডিভিশন, হেড অফিস, ঢাকা, World Bank’ পদবিতে পরিচয় দিয়ে ২% সুদে ১০ লাখ টাকা ঋণ অনুমোদনের প্রলোভন দেখায়। পরবর্তীতৈ প্রতারকরা ভিকটিমদেরকে ‘https://bdworldloanprojectcw.com’ নামের একটি ভুয়া ব্যাংকিং ওয়েবসাইটের লিংক পাঠিয়ে সেখানে আবেদন করতে বলে এবং বিভিন্ন চার্জ, ভ্যাট, ইন্সুরেন্স ও প্রক্রিয়াকরণ ফি বাবদ একাধিকবার টাকা পাঠাতে বাধ্য করে।”
প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
জসীম উদ্দিন আরও বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত সোহাগ হোসেন একটি আন্তর্জাতিক ‘বিনিয়োগ ও ঋণ প্রতারণা’ চক্রের অংশ, যার মূল হোতা বিদেশে অবস্থান করছে। এই চক্র বিশ্বব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট (আইএফএডি) এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার নাম, লোগো, ওয়েবসাইট ও ভুয়া পরিচয়ের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার বিপুল সংখ্যক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অনলাইনে টাকা আত্মসাৎ করে আসছে।”

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।