বিশ্বব্যাংক

প্রবৃদ্ধি কমছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছেকী অবস্থা বাংলাদেশের অর্থনীতির?
আইএমএফ বাংলাদেশের ২০২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ৩.২ শতাংশ করেছে, আর মূল্যস্ফীতি হতে পারে ১০.৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে দারিদ্র্য বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানে স্থবিরতা ও আর্থিক খাতের দুর্বলতার চিত্র। এডিবি, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা...

বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?
২০২৩ সাল থেকেই ধীরগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির। এমনটা বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংকের গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

শিগগিরই চরম সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ
আইএমএফ বলেছে, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যেও বিশ্ব অর্থনীতি আশঙ্কার চেয়ে ভালোভাবে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প পথে তেল সরবরাহ করা এবং জরুরি প্রয়োজনে মজুত রাখা জ্বালানি বাজারে ছাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব তেলের দামের ওপর সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নেওয়ার আলোচনা চলছে : অর্থমন্ত্রী
মূল্যস্ফীতি ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পূর্বাভাস সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার অন্য কোনো সংস্থার প্রক্ষেপণকে বিতর্কিত করতে চায় না। সংস্থাগুলো নিজস্ব হিসাব ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব পূর্বাভাস দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: কমবে প্রবৃদ্ধি, বাড়ছে দারিদ্র্য
জ্বালানি সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ব্যাংকিং খাতের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার কারণে চরম চাপে পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। কাঠামোগত এই জটিলতার প্রভাব অব্যাহত থাকলে চলতি ২০২৬-২৭ ও আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরে দেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

ব্যাংক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের প্রকল্প: বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা
ব্যাংক ও আর্থিক খাত ঢেলে সাজাতে বাংলাদেশকে এক হাজার ২৬১ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। ‘ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ বা এফএসএসপি-২-এর আওতায় দেওয়া এ ঋণের বড় অংশ ব্যয় হবে প্রযুক্তি অবকাঠামো, সফটওয়্যার, তদারকি ব্যবস্থা ও ব্যাংক পুনর্গঠনে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)

বাংলাদেশ নিয়ে যেসব ঝুঁকি দেখছে বিশ্বব্যাংক
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, খাদ্য অনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসংক্রান্ত জরুরি পরিস্থিতি এবং তীব্র ভূ-রাজনৈতিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক ধাক্কায় বহুমাত্রিক এক সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক মূল্যায়নে দেশের অর্থনীতির এসব বহুমুখী ঝুঁকির চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ৫৬ শতাংশ মান

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
বৈশ্বিক সার ও জ্বালানি বাজারে মূল্য ও সরবরাহের অস্থিরতা মোকাবিলা, খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দ্রুত জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
দুর্বল করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের ঋণ প্রদানের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রয়েছে।

বিশ্বব্যাংক থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) বা সমপরিমাণ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে। পাশাপাশি, গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (জিএফএফ) থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান সহায়তা দেওয়া হবে। ফলে মোট অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আইএমএফের নতুন সংস্কার কর্মসূচিতে রাজি বাংলাদেশ
গত বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

কর্মসংস্থান ও পরিবেশ সুরক্ষার শর্ত পূরণ না হলে প্রকল্প অনুমোদন নয়: অর্থমন্ত্রী
গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে অর্থমন্ত্রী “ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট” ধারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বরিশালের শীতল পাটির মতো দেশীয় পণ্যকে যদি সঠিক সহায়তা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অ্যামাজন বা আলিবাবার মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে দেওয়া যায়, তবে তা জিডিপিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ে গণশুনানি ২০ ও ২১ মে
বিশ্বব্যাংকের তথ্য বলছে, গত দুই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমেছে ১.৫ শতাংশ এবং একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে প্রায় ৪.৭৫ শতাংশ। মঙ্গলবার বিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর যে খাবার কেনা যেত ১০০ টাকায়, তা কিনতে এখন লাগছে প্রায় ১১০ টাকা। অর্থাৎ, উৎপাদন ও আয় কমলেও পেট ভরে খাওয়ার খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ।

আইএমএফের সঙ্গে বেশ কিছু শর্তে একমত হতে পারেনি বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বেশ কিছু শর্তে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ। অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে আরও ১৫-৩০ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে, বাংলাদেশ কোথায়?
চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে। পাশাপাশি চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হবে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস জানুয়ারি সংস্করণে এসব পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির পথে বাধা তাপপ্রবাহ
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম তাপ-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা বৃদ্ধির শিকার হওয়া জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। ১৯৮০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েছে ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বাংলাদেশের স্বল্পআয়ের তরুণদের ১৫ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক
স্বল্পআয়ের তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে ১৫০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এ সহায়তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে নারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত জনগোষ্ঠীর ওপর।

ভালো বেতনের অনেক চাকরি হতে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘টার্নিং পয়েন্ট’
চাকরি বা কর্মসংস্থান কেবল অর্থ উপার্জন বা দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসার উপায় নয়, এটি মানুষকে সম্মানও এনে দেয়। ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছালেও এই সময়ে শ্রমবাজারে যুক্ত হয়েছে মাত্র ৮৭ লাখ নতুন চাকরি। তার মানে প্রায় অর্ধেক তরুণ এই সময়ে কর্মসংস্থান পায়নি

স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক খাত কীভাবে পাবে বাংলাদেশ
সাম্প্রতিক কয়েক বছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি অনেকটাই থমকে গেছে। সেইসঙ্গে ক্রমাগত অর্থপাচার দেশের আর্থিক খাতে ব্যাপক চাপ তৈরি করেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে- শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক আর্থিক খাত ছাড়া কি বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে পারবে?

ভূমিকম্প সতর্ক সংকেত, বাংলাদেশ কি প্রস্তুত
গত ২১ নভেম্বর বাংলাদেশে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এরপর কয়েক দফায় আফটার শকও অনুভূত হয়েছে। গত ২ ডিসেম্বর ভোরে আরেকটি হালকা ভূমিকম্পও হয়েছে। এগুলো ছিল সতর্ক সংকেত, কিন্তু এর প্রতিক্রিয়ায় কি ঘটতে পারে সে বিষয়ে প্রস্তুত নয় বাংলাদেশ।


