চরচা প্রতিবেদক

ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রাজনৈতিক দলনির্ভর নয়, বরং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিন্ন স্বার্থকে ভিত্তি করেই গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দুই দেশই এখন সামনে এগিয়ে যেতে চায়। অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভূগোল আমাদের শক্তি, তাই সম্পর্ক হবে মানুষের কল্যাণ ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে, কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পর্কের ওপর নয়।
বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, মানবপাচার ও সাইবার অপরাধ দমন, ভিসা সেন্টার পুনরায় চালু এবং ভিসা প্রদানের হার বৃদ্ধি, বিজিবি–বিএসএফ সম্মেলন, পুলিশ একাডেমিগুলোর প্রশিক্ষণ বিনিময়, ITEC প্রোগ্রামে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং বন্দি বিনিময়সহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
তিনি ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরেছে, তাই ভিসা কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিনি হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো ধরনের মব হামলা আর ঘটতে দেওয়া হবে না।
হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানান, গত দেড় বছরে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভিসা সেন্টার বন্ধ থাকলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, ফলে ধাপে ধাপে কেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু হবে এবং ভিসা প্রদান বাড়বে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভিসা আবেদন ওয়েবসাইটে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা হয়েছে, যা মোকাবিলায় সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে মন্ত্রী ডিএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও সিটিটিসিকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে ভারতকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। জবাবে হাইকমিশনার দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের বাহিনীর সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রাজনৈতিক দলনির্ভর নয়, বরং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিন্ন স্বার্থকে ভিত্তি করেই গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দুই দেশই এখন সামনে এগিয়ে যেতে চায়। অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভূগোল আমাদের শক্তি, তাই সম্পর্ক হবে মানুষের কল্যাণ ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে, কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পর্কের ওপর নয়।
বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, মানবপাচার ও সাইবার অপরাধ দমন, ভিসা সেন্টার পুনরায় চালু এবং ভিসা প্রদানের হার বৃদ্ধি, বিজিবি–বিএসএফ সম্মেলন, পুলিশ একাডেমিগুলোর প্রশিক্ষণ বিনিময়, ITEC প্রোগ্রামে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং বন্দি বিনিময়সহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
তিনি ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরেছে, তাই ভিসা কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তিনি হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করে বলেন, কোনো ধরনের মব হামলা আর ঘটতে দেওয়া হবে না।
হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানান, গত দেড় বছরে নিরাপত্তাজনিত কারণে ভিসা সেন্টার বন্ধ থাকলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, ফলে ধাপে ধাপে কেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু হবে এবং ভিসা প্রদান বাড়বে। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভিসা আবেদন ওয়েবসাইটে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা হয়েছে, যা মোকাবিলায় সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে মন্ত্রী ডিএমপি’র সাইবার ক্রাইম ইউনিট ও সিটিটিসিকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনতে ভারতকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। জবাবে হাইকমিশনার দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের বাহিনীর সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় র্যাব কোয়ার্টারের সামনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে মাসুদ হোসাইন আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ে এবং অস্ত্রোপচার করতে হয়।