চরচা প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুরের শফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে ৪১তম বিসিএস (আনসার) কর্মকর্তা, উপজেলা আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকা এবং আনসার ব্যাটালিয়ন ২৬ ও ২৭তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘’জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৬৬টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে ১৩ জন করে সর্বমোট ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।‘’
তিনি জানান, ‘’প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত ১৩ জন সদস্যের মধ্যে থাকবেন ৩ জন অস্ত্রধারী, ৬ জন অস্ত্রবিহীন পুরুষ সদস্য এবং ৪ জন অস্ত্রবিহীন নারী সদস্যা। অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিটি কেন্দ্রে নিয়োজিত ৩ জন অস্ত্রধারী সদস্যের মধ্য থেকে ১ জন নির্বাচনকালীন সময়ে প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।''
তিনি আরও বলেন, ‘’সারা দেশে ১ হাজার ১৯১টি আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং ফোর্স টিম মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি টিমে ১০ জন করে মোট ১১ হাজার ৯১০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যা সামগ্রিক নির্বাচনি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো সুসংহত ও কার্যকর করবে।‘’
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘’জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী গত বছরের (২০২৫) আগস্ট মাস থেকেই সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছে।‘'
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘’দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করে না; এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে এবং জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়।‘'
এর আগে উপদেষ্টা প্যারেড পরিদর্শন করেন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং চার ক্যাটাগরিতে চারজন সেরা চৌকস প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
আনসারে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রশিক্ষণার্থী ৩ হাজার ২৩৭ জন পাসিং আউট প্যারেড সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৪১তম বিসিএস আনসার ক্যাডার কর্মকর্তা ১৫ জন, উপজেলা প্রশিক্ষক/ প্রশিক্ষিকা ৮৮ জন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন ২৬ তম ব্যাচের ১ হাজার ১০ জন ও ২৭ তম ব্যাচের ২ হাজার ১২৪ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানে আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুরের শফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে ৪১তম বিসিএস (আনসার) কর্মকর্তা, উপজেলা আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষিকা এবং আনসার ব্যাটালিয়ন ২৬ ও ২৭তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘’জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৬৬টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে ১৩ জন করে সর্বমোট ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন আনসার-ভিডিপি সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।‘’
তিনি জানান, ‘’প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত ১৩ জন সদস্যের মধ্যে থাকবেন ৩ জন অস্ত্রধারী, ৬ জন অস্ত্রবিহীন পুরুষ সদস্য এবং ৪ জন অস্ত্রবিহীন নারী সদস্যা। অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে প্রতিটি কেন্দ্রে নিয়োজিত ৩ জন অস্ত্রধারী সদস্যের মধ্য থেকে ১ জন নির্বাচনকালীন সময়ে প্রিজাইডিং অফিসারের সঙ্গে সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।''
তিনি আরও বলেন, ‘’সারা দেশে ১ হাজার ১৯১টি আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং ফোর্স টিম মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি টিমে ১০ জন করে মোট ১১ হাজার ৯১০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যা সামগ্রিক নির্বাচনি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরো সুসংহত ও কার্যকর করবে।‘’
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘’জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী গত বছরের (২০২৫) আগস্ট মাস থেকেই সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত প্রস্তুতি গ্রহণ করে আসছে।‘'
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘’দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি করে না; এটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে এবং জনগণের বিশ্বাস ভেঙে দেয়।‘'
এর আগে উপদেষ্টা প্যারেড পরিদর্শন করেন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং চার ক্যাটাগরিতে চারজন সেরা চৌকস প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
আনসারে এবারই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রশিক্ষণার্থী ৩ হাজার ২৩৭ জন পাসিং আউট প্যারেড সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৪১তম বিসিএস আনসার ক্যাডার কর্মকর্তা ১৫ জন, উপজেলা প্রশিক্ষক/ প্রশিক্ষিকা ৮৮ জন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন ২৬ তম ব্যাচের ১ হাজার ১০ জন ও ২৭ তম ব্যাচের ২ হাজার ১২৪ জন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।