চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশ ও ভারতীয় কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে উভয় দেশের বন্দি জেলেদের বিনিময় শেষে বাংলাদেশি জেলেদেরকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা বাসস আজ শুক্রবার কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমারেখা সংলগ্ন বাংলাদেশ জলসীমার মধ্যে অবৈধভাবে মৎস্য আহরণরত অবস্থায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২০২৫ সালের ১৮ এবং ২৩ অক্টোবর দুটি ভারতীয় ফিশিং বোটসহ ২৩ জন জেলেকে আটক করে।”
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ১৬, ১৭, ১৯ এবং ৩০ নভেম্বর ভারতীয় জলসীমায় মৎস্য আহরণের অভিযোগে পাঁচটি বাংলাদেশি ফিশিং বোটসহ ১২৮ জন জেলেকে আটক করে ভারতীয় কোস্ট গার্ড। অতঃপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে বন্দি বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
গতকাল বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক মেরিটাইম বাউন্ডারি লাইন আইএমবিএল এ বাংলাদেশে আটক থাকা ২৩ জন ভারতীয় জেলেকে দুটি ফিশিং বোটসহ ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। একইসঙ্গে ভারতে আটক থাকা ১২৮ জন বাংলাদেশি জেলেসহ পাঁচটি ফিশিং বোট বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড গ্রহণ করে। বাংলাদেশি জেলেদের বোটসহ কোস্ট গার্ড বেইস মোংলায় তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতীয় কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে উভয় দেশের বন্দি জেলেদের বিনিময় শেষে বাংলাদেশি জেলেদেরকে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা বাসস আজ শুক্রবার কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সমুদ্র সীমারেখা সংলগ্ন বাংলাদেশ জলসীমার মধ্যে অবৈধভাবে মৎস্য আহরণরত অবস্থায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২০২৫ সালের ১৮ এবং ২৩ অক্টোবর দুটি ভারতীয় ফিশিং বোটসহ ২৩ জন জেলেকে আটক করে।”
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের ১৬, ১৭, ১৯ এবং ৩০ নভেম্বর ভারতীয় জলসীমায় মৎস্য আহরণের অভিযোগে পাঁচটি বাংলাদেশি ফিশিং বোটসহ ১২৮ জন জেলেকে আটক করে ভারতীয় কোস্ট গার্ড। অতঃপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে বন্দি বিনিময়ের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
গতকাল বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক মেরিটাইম বাউন্ডারি লাইন আইএমবিএল এ বাংলাদেশে আটক থাকা ২৩ জন ভারতীয় জেলেকে দুটি ফিশিং বোটসহ ভারতীয় কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়। একইসঙ্গে ভারতে আটক থাকা ১২৮ জন বাংলাদেশি জেলেসহ পাঁচটি ফিশিং বোট বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড গ্রহণ করে। বাংলাদেশি জেলেদের বোটসহ কোস্ট গার্ড বেইস মোংলায় তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। যার মধ্যে ছিল, আবরারের হত্যাকারীদের পক্ষে আইনি লড়াই করা গাদ্দারের ঠিকানা রাবি ক্যাম্পাসে হবে না, বিজয় দিবস মানে না, টাকলা ফুয়াদের জায়গা, জোহা স্যারের ক্যাম্পাসে হবে না, হবে না, জুলাই গাদ্দারের ঠিকানা এ ক্যাম্পাসে হবে না হবে না ইত্যাদি ।

জাতিসংঘের বর্ণবৈষম্যবিরোধী কমিটিও সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, আসামের বাংলা ভাষাভাষী মুসলমানরা বৈষম্য, উচ্ছেদ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্যের শিকার হচ্ছেন। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার উচ্ছেদ হয়েছে।