Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

এবারই কি সবচেয়ে বড় জয় পেল বিএনপি

নাইর ইকবাল

নাইর ইকবাল

প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬: ০৯
এবারই কি সবচেয়ে বড় জয় পেল বিএনপি

১৯৭৮ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠা করেন নিজের রাজনৈতিক দল বিএনপি। প্রতিষ্ঠার কয়েক মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ২০৭ আসনে জয় পেয়েছিল দলটি। ৭৯’র নির্বাচনের ৪৬ বছর পর দলটি তার প্রতিষ্ঠাকালীন সাফল্যকে ছাড়িয়ে গেল। ১৯৯৬ সালের একতরফা ও বিরোধীদলবিহীন ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২৭৮ আসন পেলেও নির্বাচনটি ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। সে হিসেবে এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২০৯ আসনই এখন বিএনপির সেরা নির্বাচনী সাফল্য।

Advertisement

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়া চট্টগ্রামে নিহত হন। এরপর দলের হাল ধরেছিলেন তার সহধর্মিনী খালেদা জিয়া। তিনি এর পরের এক দশক বিএনপিকে সামরিক শাসক জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেন। ১৯৯০ সালে এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ১৪০ আসন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও সরকার গড়ার মতো আসন তারা লাভ করতে পারেনি। পরে নিজেদের ১৮ আসন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী বিএনপিকে সমর্থন দিলে তারা সরকার গঠন করে। এর আগে ১৯৮৬ সালে প্রথমে এরশাদের সামরিক শাসনের অধীনে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। বিএনপি ছিল না ১৯৮৮ সালের চতুর্থ সংসদ নির্বাচনেও।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ফাইল ছবি
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ফাইল ছবি

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনটি ছিল বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ। বিরোধী দলের বর্জনের মুখে অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে বিএনপি ছিল একেবারেই প্রতিদ্বন্দ্বিহীন। ২৭৮ আসন তাই দলটির জন্য গর্বের কোনো বিষয় নয় কখনোই। একপেশে সেই নির্বাচনে গঠিত সংসদ স্থায়ী হয়েছিল মাত্র ১৩ দিন। বিএনপি সব সময়ই বলে এসেছে শুধুমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যেই বাধ্য হয়ে তাদের সেই একতরফা নির্বাচনটি করতে হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সেই নির্বাচনের ঠিক চার মাস পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি হেরেছিল। তারপরেও বিএনপি জিতেছিল ১১৬টি আসন। এখনো পর্যন্ত জাতীয় সংসদে সবচেয়ে বড় বিরোধী দল তারাই। সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবেও বিএনপির চেয়ে আর কোনো দলই বেশি আসন জিততে পারেনি।

জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদ ভবন। ফাইল ছবি

২০০১ সালে অষ্টম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি আবারও ক্ষমতায় ফেরে। তবে সেবার তারা একা ছিল না। চারদলীয় জোটের মোড়কে বিএনপির বড় সঙ্গী ছিল জামায়াত। ছিল নাজিউর রহমান মঞ্জুর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও ইসলামী ঐক্যজোট। ২০০১ নির্বাচনে একক দল হিসেবে বিএনপি ১৯৩ আসন পেয়েছিল। জামায়াত, বিজেপি ও ইসলামী ঐক্যজোটের আসন মিলে সেবার সংসদে দুই–তৃতীয়াংশ আসন পেয়েছিল চারদলীয় জোট। ২০০৮ সালে সেই চারদলীয় জোটেরই ভরাডুবি হয়েছিল নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। বিএনপি এককভাবে পেয়েছিল মাত্র ৩০ আসন। জামায়াত পেয়েছিল ২টি, বিজেপি ১টি।

নবম সংসদ নির্বাচনে ২৩০টির বেশি আসনে জিতেছিল আওয়ামী লীগ। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তারা ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়। এরপর ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে পরপর তিনটি প্রশ্নবিদ্ধ ও কারচুপির নির্বাচন আয়োজন করে ১৫ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকে দলটি। বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে ২০১৪ সংসদ নির্বাচন বর্জন করে। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত দুটি সংসদের বাইরে থাকার পর ২০১৪ সালের পরই সংসদে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। ২০১৮ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিলেও বিতর্কিত সেই নির্বাচনে দলটির ভাগ্যে জোটে মাত্র ৬টি আসন। সংসদে সেটিই ছিল বিএনপির সর্বনিম্ন সংখ্যায় প্রতিনিধিত্ব। ২০২৪ সালে বিএনপি আবারও নির্বাচন বর্জন করে। বিএনপিবিহীন সেই সংসদ অবশ্য ৭ মাসের বেশি টিকতে পারেনি। জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের।

জুলাই–অভ্যুত্থানের ১৮ মাসের মাথায় অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে এসে বিএনপি পেল ভূমিধস এক বিজয়। প্রতিষ্ঠার ৪৭ বছরের মাথায় এসে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাতে গড়া বিএনপি তাদের ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তৈরি করল নতুন এক ইতিহাস।

বিষয়: বিএনপিনির্বাচনভোটরাজনীতিসংসদ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।