Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

হালিম কোথা থেকে এলো

কাজী সাজিদুল হক

কাজী সাজিদুল হক

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪: ১৩
হালিম কোথা থেকে এলো

২০০৩ সালে এক গবেষণা অনেককে চমকে দিয়েছিল। ওই গবেষণা মতে, সারা দুনিয়ার দেড় কোটির বেশি মানুষ নাকি মোঙ্গল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা দুর্ধর্ষ চেঙ্গিস খানের বংশধর! এই মোঙ্গল সম্রাট বা অন্য রাজাধিরাজদের কথা বাদ দিন! আপনার পাতের আলু ভর্তা যে খানিক ক্রিম মেখে আর কাঁচা মরিচ কুচিগুলোকে বাদ দিয়ে ম্যাশড পটেটো হয়ে বসে আছে-সে খবর ক’জন রাখেন। জিনিস কিন্তু ওই একই আলু চটকানো।

Advertisement

মশলার লোভ বলি কিংবা শান্তির খোঁজ; পেটে-ভাতে থাকবে এই আশায় নানা সময়ে এই উপমহাদেশে এসেছে নানা জাতি। দখল করেছে শাসন ক্ষমতাও। আমদানি করেছে নানা ধরনের খাবার। যার সাথে মিলে মিশে আমাদের নিজেদের এবং পাতের খাবারের অবস্থাও এখন চেঙ্গিস খানের বংশধরদের মতোই। এই নদীমাতৃক অঞ্চলের নদী-খাল বিলের জল কোথা থেকে কোন খাবার নিয়ে এলো তার খবর আমরা সবসময় রেখে উঠতে পারি না। আমাদের চিতই পিঠারই তুতো ভাই বা বোনতো দক্ষিণ ভারতে প্রতি পদে পদে মেলে। যেমন মিলবে ভাঁপা পিঠার আত্মীয়। এসব খাবার কোন পথে যে এলো আর কোন পথে গিয়ে কীভাবে আমাদের মতো নদীমাতৃক অঞ্চলের মানুষের খাদ্য তালিকার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেল-সে খবর ইতিহাসের পাতিহাঁস খোজনেওয়ালারা রাখেন।

একটা উদাহরণ হিসেবে আমাদের অতি পরিচিত হালিমের কথাই ধরা যাক। সারা বছর রোজকার পাতে খাবার হিসেবে কিছুমাত্র গুরুত্ব না পেলেও, বাংলাদেশের শহুরে সব বাড়িতেই ইফতারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ- হালিম। ভারতীয় উপমহাদেশে হালিমের আসা এবং এর সঙ্গে নানাকিছু মিশে যাওয়ার গল্পটুকু পড়লেই বোঝা যায়, দুনিয়া শুধু খালি পেটে ঘোরে না, পেট ভর্তি করেই ঘোরে।

হালিম থেকে আলিশা

Advertisement
Advertisement
Advertisement

alisha

রমজানের পুরো মাসজুড়ে ইফতারের খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হালিমের এবং এর ভাই-বোনদের মাধ্যমে আম-আদমির সাথে দেখা হয় মধ্যপ্রাচ্যের নানা দেশের খাবারের সংস্কৃতির। ভারতবর্ষের মশলা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে নিয়ে ব্যবসা করার বিদ্যা এক সময় ইউরোপীয়দের চেয়ে আরবেরা ঢের ভালো জানতো। এর সাক্ষী ইতিহাস দেবে।

‘মশলা বাগান’ বা ‘স্পাইস গার্ডেন’ হিসেবে খ্যাত এখনকার ভারতের কেরালা রাজ্য বা বলা ভালো মালাবার উপকূলে আরবরা আসে কয়েক’শ বছর আগে। ইউরোপিয়রা তখনও পথ খুঁজছে। আরবরা শুধু ব্যবসা করেই বসে থাকেনি। তাদের ধর্মও সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে। প্রচার করেছে। স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে মিশেছে। মালাবার উপকূলে বিয়ে করে ঘর বসিয়েছে। দুই জাতি-গোষ্ঠীর মিলে জন্ম হয়েছে নতুন এক গোষ্ঠী- মোপলা মুসলিম জনগোষ্ঠীর। শুধু মুসলিম নয়, সিরিয়ান খ্রিস্টানরাও এসে ঘর বেঁধে স্থায়ী হয়েছে মালাবার উপকূলে। যাদের বংশধররা এখনও টিকিয়ে রেখেছে নিজস্ব সংস্কৃতি। যাদের খাবার বিখ্যাত হয়েছে মালাবার কুইজিন নামে। এই মালাবার কুইজিনে দীর্ঘদিনের নিজস্ব সংস্কৃতি যেমন আছে তেমন মিশেছে আরব মুসলিম ও খ্রিস্টানদের সংস্কৃতি।

স্থানীয় ভাষায় মোপলা শব্দের অর্থ জামাই। এটাকে সূত্র ধরে এগোলে বোঝা যায়, আরবরা একসময় মালাবার উপকূলীয় নারীদের বিয়ে করায় স্থানীয়রা তাদের আদর করে ‘জামাই’ সম্বোধন করতেন। মালয়ালমভাষী এই জনগোষ্ঠীর খাদ্যাভ্যাসে আরব প্রভাব যেমন আছে, তেমনই তাতে যুক্ত হয়েছে কেরালার জগদ্বিখ্যাত মশলা। এই যেমন ‘আলিশা’। এতে গম বা ডালের সঙ্গে মাংস মিলিয়ে দেওয়া হয়, তারপর অনেকক্ষণ ধরে সেটি রান্না করা হয়। যোগ করা হয় গুড় অথবা চিনি। এবার গুড় বা চিনিটুকু বাদ দিয়ে ভাবুনতো আপনার পরিচিত কোন খাবারের সাথে মিল পাচ্ছেন কিনা! আপনিই ঠিক। ‘হালিম’।

হালিম এলো কোথা থেকে

হালিম নামের উৎপত্তি আরবি ‘হারিস’ থেকে। যার অর্থ হচ্ছে পিষে ফেলা। তুরস্ক, ইরান, মধ্য এশিয়া, আরব, আর্মেনিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় এই খাবারের তুতো ভাইবোনদের দেখা মেলে। যার মূল উপাদান, মাংস, ডাল, গম বা বার্লি আর মসলা। এই মসলাই অঞ্চল ভেদে হালিমের স্বাদে এনেছে ভিন্নতা।

বাংলাদেশে যেমন ডাল, চাল, গম ও অন্য উপকরণের ঘন ঝোলের মধ্যে মাংসের টুকরো পাওয়া যায়, তেমনি আবার অনেক জায়গার হালিমে আস্ত মাংসের টুকরা খুঁজেই পাওয়া যাবে না। সেখানে মাংস পিষে বাকি উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে ঘন তরল একটা খাবার তৈরি করা হয়, যেটা খুব ঘন স্যুপের কাছাকাছি কিছু একটা।

প্রথম লিখিত আকারে হালিম, বা বলা ভালো হারিসের যে রন্ধনপ্রণালীর সন্ধান পাওয়া যায়, সেটা দশম শতাব্দীর। আরব লিপিকার আবু মোহাম্মদ আল-মুজাফফর ইবনে সায়রারের ‘কিতাব আল-তাবিখ’-এ হারিসের কথা জানা যায়।

হায়দ্রাবাদি হালিম

আরবদের সাম্রাজ্যের বিস্তারের হাত ধরেই এই খাদ্য দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে, আর যেতে যেতে পথে রূপ বদলায়। খাদ্য সংস্কৃতির সুলুক সন্ধান যারা করেন, তাদের অনেকেই মনে করেন, হায়দ্রাবাদের নিজামের সৈন্যদলের আরবীয় সৈনিকদের মাধ্যমে খাবারটি ভারতীয় উপমহাদেশে জনপ্রিয়তা পায়। অনেকে আবার মনে করেন, মুঘলদের হেঁশেলেও এই পদ রান্না হত। তাদের মাধ্যমেই এটা ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

২০১০ সালে ভারতীয় জিআইএস রেজিস্ট্রি অফিসে হায়দ্রাবাদি হালিমকে ‘ভৌগোলিক নির্দেশক খাদ্য’ হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়। ভারতে হালিমই প্রথম আমিষ খাবার, যা এ ধরনের মর্যাদা পেয়েছে।

তুরস্ক, ইরান, মধ্য এশিয়ায় প্রচলিত ‘কেসকেক’; আর্মেনিয়ার হারিসা, পাকিস্তানের খিচড়া আর বাংলাদেশ ও ভারতের হালিম একই পরিবারের সদস্য। ‘ঢাকাই খাবার ও খাদ্য সংস্কৃতি’ বইয়ে সাদ উর রহমান লিখেছেন, ঢাকায় হালিমের আগমন মোগল সমসাময়িক সময়েই। পুরান ঢাকায় রোজা ছাড়াও মহররম উপলক্ষে বাড়িতে বাড়িতে হালিম তৈরির রেওয়াজ রয়েছে।

আদিতে এই হালিম রান্না হত ঢিমে আঁচে, বড় পাত্র এবং চুলায়। সময় লাগত ৭ থেকে ১২ ঘণ্টা। তবে সময়ের সাথে সাথে রান্নার কৌশলে নানা পরিবর্তন এসেছে। স্থানীয় মসলা যোগ হওয়ায় স্বাদে এসেছে বৈচিত্র। হায়দ্রাবাদে এখনও অনেক সময় ধরে হালিম রান্নার চল আছে। ওখানে কিছু ব্র্যান্ডও তৈরি হয়েছে যাদের হালিম প্যাকেটবন্দী হয়ে সারা ভারতে পরিবেশন করা হয়।

মাংস পিষে অন্য উপাদানের সাথে মিশিয়ে ফেলার চল কিন্তু বাংলাদেশের হালিমে খুব একটা দেখা যায় না। এখানে ঘন হালিমের মাঝে পর্যাপ্ত মাংসের টুকরো না মিললে ভোজনরসিক ধরে নেন, বিক্রেতা তাকে ঠকিয়েছে!

ঢাকার শাহী হালিম

halim

ঢাকায় দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয় কলাবাগানের ‘মামা হালিম’। দুই একটা পত্রিকায় এই মামা অর্থাৎ দীন মোহাম্মদ সাহেব দাবি করেছিলেন হালিম তিনিই ঢাকায় উদ্ভাবন করেছেন। দাবিটি সঠিক নয়। কারণ মামার জন্মের বহু আগেই রাজধানী শহরের পুরনো অংশে হালিম পৌঁছে গেছে। মামার দাবি ছিল ঢাকার বিহারিরা যেটাকে বানাতো সেটা ‘ডাল গোশত’, হালিম নয়। তিনিই হালিম তৈরি করেন এবং সেটা শতাধিক ধরনের মশলা দিয়ে। সে যাই হোক, সময়ের সাথে সাথে কত কিছুতো বদলায়! এই যেমন মোহাম্মদপুরের ‘মনা মামা’-এর হালিম। তিনি হালিমের সঙ্গে দেন কোয়েল পাখির ডিম। এর টানেই অনেকে সেখানে খেতে যান। আবার আনোয়ার ভাইয়ের হালিমও অনেকে পছন্দ করেন, কারণ তাতে মশলা হালকা। মাংসের টুকরাও ঠিকটাক পান ক্রেতারা।

পার্সিয়ান ইহুদির মধ্যেও হালিম খুব জনপ্রিয়। শাবাতের সময় হালিম খাওয়ার রীতি তাদের মধ্যে বিরাজমান যুগ যুগ ধরে। বলকানের দেশ আর্মেনিয়ার খাদ্য সংস্কৃতিতে হারিসাকে (হালিম) জাতীয় খাবার হিসেবে বিবেচনা করেন অনেকে। আর্মেনিয়ান খ্রিস্টানরা ইস্টারডে’তে হারিসা খাবেনই খাবেন। বুরুন্ডির বোকো বোকো- সেও কিন্তু হালিমের এক নিকটাত্মীয়।

চেঙ্গিসের খানের মোঙ্গল সেনাদের মতোই হালিমও ছড়িয়ে গেছে গোটা দুনিয়ায়। নিজে ও নিজের ভাই-বোনদের সঙ্গে নিয়ে।

বিষয়: খাদ্যখাবারখাদ্যসংস্কৃতিঢাকাজীবনখাদ্যাভ্যাসগবেষণাভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।