Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ভূমিকম্প যেসব কারণে হয়

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর একেবারে বাইরের অংশটি প্রায় ১৫টি বড় খণ্ডে বিভক্ত, যেগুলোকে টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো মিলেই লিথোস্ফিয়ার তৈরি হয়।

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০২৫, ১৩: ০০
ভূমিকম্প যেসব কারণে হয়

ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমির কম্পন। বিভিন্ন কারণে ভূ অভ্যন্তরে আলোড়ন সৃষ্টি হলে তা যখন পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশবিশেষের হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন বা কম্পন ঘটায় সেটিই ভূমিকম্প।

Advertisement

আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী।

অন্যদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৭ । রাজধানী থেকে মাত্র ১৩ কিমি দূরে নরসিংদীর মাধবদী উপজেলায় এর উৎপত্তিস্থল। ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিমি গভীরে এর উৎপত্তি বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, কেন্দ্র নরসিংদীEarthquake

ভূমিকম্প কেন হয়

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর একেবারে বাইরের অংশটি প্রায় ১৫টি বড় খণ্ডে বিভক্ত, যেগুলোকে টেকটোনিক প্লেট বলা হয়। এই প্লেটগুলো মিলেই লিথোস্ফিয়ার তৈরি হয়। আমাদের পরিচিত ভূ-পৃষ্ঠের মহাদেশ ও সমুদ্রের তলদেশের ভূত্বক এবং তার নিচের ম্যান্টলের ওপরের স্তর দিয়ে লিথোস্ফিয়ার গঠিত হয়।

এই বিশাল টেকটোনিক প্লেটগুলো স্থির নয়; বরং তারা ম্যান্টলের ওপর ধীরে ধীরে চলাচল করে, যার ফলে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং পর্বতমালা তৈরি হয়।

আমাদের পরিচিত ভূ-পৃষ্ঠের মহাদেশ ও সমুদ্রের তলদেশের ভূত্বক এবং তার নিচের ম্যান্টলের ওপরের স্তর দিয়ে লিথোস্ফিয়ার গঠিত হয়। ছবি: বিজিএস
আমাদের পরিচিত ভূ-পৃষ্ঠের মহাদেশ ও সমুদ্রের তলদেশের ভূত্বক এবং তার নিচের ম্যান্টলের ওপরের স্তর দিয়ে লিথোস্ফিয়ার গঠিত হয়। ছবি: বিজিএস

গবেষকদের তথ্যমতে, টেকটোনিক প্লেটগুলো একে–অপরের সঙ্গে পাশাপাশি লেগে থাকে। কোনো কারণে এগুলোর নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ হলেই তৈরি হয় শক্তি। এই শক্তি সিসমিক তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে। যদি তরঙ্গ শক্তিশালী হয়, তাহলে সেটি পৃথিবীর উপরিতলে এসে পৌঁছায়। আর তখনো যদি যথেষ্ট শক্তি থাকে, তাহলে সেটা ভূত্বককে কাঁপিয়ে তোলে। এই কাঁপুনিই মূলত ভূমিকম্প।

ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভের (বিজিএস) তথ্যমতে, প্লেটগুলো নড়ার পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ রয়েছে।

প্রথমত, ম্যান্টলের সঞ্চালন প্রবাহ-পৃথিবীর অভ্যন্তরে উষ্ণ ম্যান্টলের যে প্রবাহ তৈরি হয়, তা প্লেটগুলোকে কনভেয়ার বেল্টের মতো ঠেলে এগিয়ে নেয়।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্পrepresentative earthquake

দ্বিতীয়ত, রিজ পুশ-মহাসাগরের মাঝের রিজ এলাকায় নতুন প্লেট তৈরি হয় এবং এগুলো তুলনামূলকভাবে উষ্ণ ও উঁচু থাকে। তাই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি উঁচু প্লেটগুলোকে নিচের দিকে ঠেলে দেয় এবং তা দূরের ঠান্ডা প্লেটগুলোকে সরিয়ে দেয়।

তৃতীয়ত, স্ল্যাব পুল-পুরোনো ও ঠান্ডা প্লেটগুলো সাবডাকশন জোনে ম্যান্টলের ভেতরে ডুবে যায়। ডোবার সময় প্লেটের ডুবন্ত অংশটি বাকি পুরো প্লেটকে টেনে নিয়ে যায়।

গবেষকদের মতে, প্লেট চলাচলের সবচেয়ে বড় কারণ হলো স্ল্যাব পুল। ছবি: বিজিএস
গবেষকদের মতে, প্লেট চলাচলের সবচেয়ে বড় কারণ হলো স্ল্যাব পুল। ছবি: বিজিএস

গবেষকদের মতে, প্লেট চলাচলের সবচেয়ে বড় কারণ হলো স্ল্যাব পুল, কারণ যেসব প্লেটের বড় অংশ নিচে ডুবে যাচ্ছে, সেগুলোই সবচেয়ে দ্রুতগতিতে নড়ে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় রিজ পুশকেও প্লেট চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, কোনো স্থানে ভূকম্পনের জন্য ফল্ট লাইনের বড় ভূমিকা রয়েছে। ভূত্বকের বিশাল খণ্ডকে টেকটোনিক ফল্ট বলা হয়। আর দুটি টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে থাকা ফাটলকে ফল্ট লাইন বলা হয়।

আফগানিস্তানে ভূমিকম্প: কী ঘটল, কেন দেশটি এত ঝুঁকিপূর্ণafghanistan

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবীর ভেতরে থাকা ফাটল বা ফল্ট বরাবর হঠাৎ সরে যাওয়ার কারণে ভূমিকম্প ঘটে। এই সময়ে জমে থাকা শক্তি মুক্ত হয়ে ভূকম্পীয় তরঙ্গ তৈরি করে, যা মাটিতে কাঁপুনি সৃষ্টি করে। সাধারণত ফল্ট বরাবর এই ধরনের সঞ্চালন দীর্ঘসময় ধরে জমা হওয়া চাপের কারণে ঘটে।

ভূমিকম্পের আগে ফল্টের দুই পাশে চাপ জমে যায় এবং পাথরগুলো ধীরে ধীরে বিকৃত হয়। যখন এই চাপ আরও বেশি হয়, তখন ফল্ট বরাবর হঠাৎ পাথরগুলো সরতে থাকে। এতে জমে থাকা চাপ মুক্ত হয় এবং পাথরগুলো তাদের আগের অবস্থায় ফিরে আসে, তবে ফল্ট বরাবর কিছুটা সরে যায়। এটি ইলাস্টিক রিবাউন্ড তত্ত্ব নামে পরিচিত।

এই তত্ত্ব প্রথম প্রস্তাব করেন ভূতত্ত্ববিদ হেনরি ফিল্ডিং রেইড ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্পের পর। এটি বোঝাতে সাহায্য করে যে, ভূমিকম্পের সময় পাথরগুলো কেমনভাবে কেঁপে ওঠে।

বিষয়: ভূমিকম্পবাংলাদেশপৃথিবীঢাকা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।