Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

দ্য ইকোনমিস্ট-এর চোখে কেন ‘সিরিয়া’ বছরের সেরা দেশ?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১: ৩৮
দ্য ইকোনমিস্ট-এর চোখে কেন ‘সিরিয়া’ বছরের সেরা দেশ?

২০২৪ সালে যখন ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ বাংলাদেশ ‘কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার’ বা বছরের সেরা দেশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল, তখন তার পেছনে ছিল এক অভাবনীয় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার সূচনা। বাংলাদেশের সেই অর্জন বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছিল যে, জনআকাঙ্ক্ষার কাছে হিমালয়সম দুর্নীতিগ্রস্ত ক্ষমতাও নতি স্বীকার করে। ঠিক এক বছর পর, ২০২৫ সালে এসে দ্য ইকোনমিস্ট তাদের বার্ষিক শিরোপাটি এমন একটি দেশের হাতে তুলে দিল যার সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাটকীয় পরিবর্তন হয়েছে। এবারের দেশ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া।

Advertisement

ব্রিটিশ সাময়িকীটির প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্য ইকোনমিস্ট কখনোই সবচেয়ে শক্তিশালী বা সবচেয়ে সুখী দেশকে এই খেতাব দেয় না। তারা খোঁজে সেই দেশটিকে, যারা গত ১২ মাসে নিজেদের অবস্থার সবচেয়ে আমূল ও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটিয়েছে। ২০২৫ সালে এই প্রতিযোগিতায় আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী প্রতিযোগী থাকা সত্ত্বেও সিরিয়া কেন সেরা হলো, তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

যেভাবে চলছে সিরিয়ার শিশুদের পড়াশোনাschool

প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের উত্তাল বিশ্ব

দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ২০২৫ সালটি বৈশ্বিক রাজনীতির জন্য ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ এবং গাজা ও সুদানের সংঘাতের মতো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও বেশ কিছু দেশ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
  • কানাডা: জনতুষ্টিবাদের জোয়ারে গা না ভাসিয়ে একজন দক্ষ অর্থনীতিবিদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করে স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে। ক্ষমতায় বসে মার্ক কার্নি আমেরিকান প্রভাবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন।
  • মলদোভা: রাশিয়ার প্রবল চাপ ও অপপ্রচার সত্ত্বেও ইউরোপীয় ভাবধারার দিকে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। ভোটাররা রুশপন্থী দলকে প্রত্যাখান করেছে।
  • দক্ষিণ কোরিয়া: সামরিক শাসনের অপচেষ্টা রুখে দিয়ে গণতন্ত্রের ভিত আরও মজবুত করেছে। যার উসকানিতে সামরিক শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছিল সেই প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়লের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের বিচার শুরু হয়েছে।
  • ব্রাজিল: অভ্যুত্থানের অভিশাপে জর্জরিত দেশটি প্রথমবারের মতো কোনো অভ্যুত্থানকারীকে আইনের আওতায় এনে বিচারিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অভ্যুত্থানের চেষ্টার অভিযোগে সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে ২৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাজন বন উজাড়ের গতি কমিয়ে দারুণ দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে।

কিন্তু এই সব দেশই ছিল ‘স্থিতিশীলতা বজায় রাখা’র উদাহরণ। সিরিয়া ও আর্জেন্টিনা যা করেছে, তা ছিল ‘আমূল রূপান্তর’।

সিরিয়ায় আইএসের হামলায় ৩ আমেরিকান নিহত, প্রতিশোধের হুমকি ট্রাম্পেরDonald Trump

অর্থনীতির 'চেইনসো' বনাম রাজনীতির পুনর্জন্ম

আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই তার ‘চেইনসো’ নীতি দিয়ে দেশটির মৃতপ্রায় অর্থনীতিতে প্রাণ ফিরিয়েছেন। মুদ্রাস্ফীতি ২১১ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ২১ শতাংশ পয়েন্ট উন্নতি করা কোনো সাধারণ অর্জন নয়। তবুও সিরিয়া কেন আর্জেন্টিনাকে ছাড়িয়ে গেল? এর উত্তর লুকিয়ে আছে ‘উন্নতির মাত্রা’র মধ্যে। আর্জেন্টিনার পরিবর্তন ছিল অর্থনৈতিক নীতির সংস্কার, কিন্তু সিরিয়ার পরিবর্তনকে ‘একটি জাতির পুনর্জন্ম’ বলে অভিহিত করে ইকোনমিস্ট।

সিরিয়ার রাজনৈতিক উত্থান

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধ, ধ্বংসলীলা এবং স্বৈরশাসনে পিষ্ট একটি দেশের এমন নাটকীয় প্রত্যাবর্তন আধুনিক ভূ-রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল।

স্বৈরশাসনের অবসান ও দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতন সিরিয়ার জন্য ছিল এক নতুন ভোরের সূচনা। ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু এবং ৬০ লাখ মানুষের দেশত্যাগের পর সিরিয়া ছিল একটি ধ্বংসস্তূপ। আসাদ বাহিনীর রাসায়নিক অস্ত্রের বিভীষিকা থেকে মুক্তি পাওয়া সিরিয়ার জন্য উন্নতির প্রথম এবং প্রধান ধাপ ছিল।

অসুস্থ গণতন্ত্র: আহা, আমেরিকা-বাংলাদেশ সবার জন্য এক ওষুধdemocracy

ইসলামি ধর্মতন্ত্রের আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণ করা

বিদ্রোহী নেতা আহমেদ আল-শারা যখন ক্ষমতা দখল করেন, তখন বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছিল যে, সিরিয়া হয়তো আরেকটি ‘তালেবানি’ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। কিন্তু ২০২৫ সালে শারা প্রশাসন বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে। তারা কোনো কঠোর ধর্মীয় নিয়ম চাপিয়ে দেয়নি। সিরিয়ার রাস্তায় এখন নারীরা স্বাধীনভাবে চলাচল করছেন, বিনোদন এমনকি মদ্যপানও সেখানে নিষিদ্ধ করা হয়নি। এই প্রগতিশীল ও উদার মানসিকতা সিরিয়াকে এক আধুনিক রূপ দিয়েছে।

শরণার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রত্যাবর্তন

একটি দেশ কতটা নিরাপদ, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো সেই দেশের মানুষের ফিরে আসা। ২০২৫ সালে প্রায় ৩০ লাখ সিরীয় নাগরিক তাদের বিদেশের নিরাপদ জীবন ছেড়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত কিন্তু স্বাধীন মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছে। এটাই সিরিয়াকে ‘কান্ট্রি অব দ্য ইয়ার’ হওয়ার দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে দিয়েছে।

ভূ-রাজনৈতিক পালাবদল

আসাদ আমলের বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে সিরিয়া এখন আমেরিকা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক স্থাপন করেছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার ফলে দেশটির অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। রাশিয়ার কক্ষপথ থেকে বেরিয়ে এসে বৈশ্বিক মূলধারায় সিরিয়ার এই অন্তর্ভুক্তি ২০২৫ সালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চমক।

ভবিষ্যৎ কি নিষ্কণ্টক?

অবশ্যই সিরিয়া এখনো ত্রুটিমুক্ত নয়। ২০২৫ সালে দেশটিতে মিলিশিয়া বাহিনী দুটি বড় ধরনের হত্যাযজ্ঞ চালায় যাতে প্রায় ২,০০০ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। শারার শাসনে এখনো পারিবারিক বা গোষ্ঠীগত প্রভাব স্পষ্ট। তবুও, ২০২৪ সালের সেই অন্ধকার ও মৃত্যুপুরীর তুলনায় আজকের সিরিয়া অনেক বেশি বাসযোগ্য, মানবিক এবং আশাবাদী।

বিষয়: রাশিয়াআমেরিকাবাংলাদেশব্রাজিলদক্ষিণ কোরিয়াবিশ্ব রাজনীতিগৃহযুদ্ধকানাডাবাশার আল আসাদমধ্যপ্রাচ্যআর্জেন্টিনাসিরিয়াযুদ্ধরাজনীতি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।