Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

পানির ওপর হাঁটার স্বপ্ন কি বাস্তব হতে যাচ্ছে?

ফজলুল কবির

ফজলুল কবির

প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ১৪
পানির ওপর হাঁটার স্বপ্ন কি বাস্তব হতে যাচ্ছে?
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

মাঝেমাঝেই কি মনে হয়–ইশ পানির ওপর যদি হাঁটতে পারতাম! মনে হওয়াটা অস্বাভাবিকও না।

Advertisement

অন্তত একটু বৃষ্টিতেই ডুবে যাওয়া এই শহরে এমন মনে না হওয়াই বরং অস্বাভাবিক।

ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম ভারী বৃষ্টি মানেই নাগরিক দুর্গতি। তখন বিকল্প থাকে দুটি– হয় কালো এঁদো জলে পা ভিজিয়ে কাজে বের হও, নয়তো ঘরবন্দি হয়ে থাক। কাজ যাক গোল্লায়।

এ রকম সময়েই পানির ওপর হাঁটতে পারার আকাঙ্ক্ষা তীব্র হয়ে ওঠে। যদিও এই আকাঙ্ক্ষা মানুষের অনেক আগে থেকেই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই কিছু লোককে অনায়াসে একজোড়া জুতো পায়ে পানির ওপর, চাই কি মাঝসমুদ্রে নেমে পড়তে দেখা যাচ্ছে। ব্যাপক শেয়ারটেয়ারও হচ্ছে। মনে প্রশ্ন আসছে–এও কি বাস্তব! পরক্ষণেই নিজে এমন একজোড়া জুতো কেনার আকাঙ্ক্ষা মনের কোণে জেগে উঠছে। তেমন কি আপনারও হচ্ছে? হয়তো এমন ভিডিও বা রিলস দেখে সাথে সাথে বসে পড়ছেন বিক্রেতার খোঁজে। পাচ্ছেন না…কেন? সে আলাপ পরে করব। এখানে শুধু সাবধানবাণী দিয়ে গেলাম। সঙ্গে একটি নাম মনে রাখুন–চার্লস ওলড্রিভ।

কিন্তু পানির ওপর দিয়ে একা একা হাঁটার আকাঙ্ক্ষা কি অনেকটাই পূর্ণ হতে যাচ্ছে?

প্যারিসের নাগরিকেরা সিন নদীতে যেভাবে ইলেকট্রিক হাইড্রোফয়েল বোর্ডে চড়ে বেড়াচ্ছে, তাতে অন্তত তাই মনে হবে। বার্তা সংস্থা প্রকাশিত এ সম্পর্কিত ভিডিওতে দেখা গেছে, কত সহজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা সিন নদীর ওপর, যাকে তারা তুলনা করছেন ওড়ার অভিজ্ঞতার সঙ্গে।

সে আলোচনায় আসছি। এখানে বলে রাখি, মানুষের এমন আকাঙ্ক্ষা কিন্তু নতুন নয়।

আজ থেকে প্রায় ৩০০০ হাজার বছর আগের মানুষও এমন স্বপ্ন দেখত। প্রাচীন গ্রিক কবি হেসিওড আনুমানিক ৭০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এ ধরনের একটি দৃশ্যকল্পের কথা বর্ণনা করেন। হেসিওডের অ্যাস্টোনমি কবিতায় এর বর্ণনা আছে।

লালমনিরহাটে বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিতtista-river

গ্রিক মিথ অনুযায়ী সমুদ্রদেবতা পোসাইডনের ছেলে ওরিয়নের পানির ওপর দিয়ে তো বটেই উত্তাল সাগরের ওপর দিয়ে অনায়াসে হাঁটার ক্ষমতা ছিল। আর এই ক্ষমতাটি তাকে দিয়েছিলেন তারই বাবা পোসাইডন।

পরে রোমান কবি ভার্জিল তার ইনিয়াড মহাকাব্যে ওরিয়নের এই ক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন।

ভারতীয় মিথ ও বৈদিক সাহিত্যেও এ ধরনের ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে। কঠোর তপস্যার মাধ্যমে বিভিন্ন মুনি ঋষি এই ক্ষমতা অর্জন করতেন বলে বর্ণনা আছে বৈদিক সাহিত্যে। মহর্ষি পতঞ্জলি রচিত যোগসূত্রতেও এর উল্লেখ আছে।

কাছাকাছি বর্ণনা আছে মিশরীয় মিথে। মিশরের মিথ অনুযায়ী হোরাসকে আদিম ও বিশৃঙ্খল জলরাশির ওপর দাঁড়িয়ে বা হেঁটে জলরাশিকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেখানো হয়েছে। প্রাচীন মিশরের পিরামিড ও মন্দিরের শিলালিপিতে এমন বর্ণনা পাওয়া যায়, যার রচনাকাল আনুমানিক ২৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ।

ছবি: এআই দিয়ে তৈরি
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

বৌদ্ধ জাতকে পাওয়া যায় একই ধরনের বয়ান। বর্ণনা অনুযায়ী, বুদ্ধের অন্যতম প্রধান শিষ্য শারিপুত্র তার বিশ্বাসের গভীরতা প্রমাণ করতে একটি গভীর নদীর পানিতে পা রাখেন এবং তার স্পর্শে সে পানি পাথরের মতো শক্ত হয়ে যায়।

এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় বর্ণনাটি যিশুখ্রিষ্ট সম্পর্কিত। বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, শিষ্যদের রক্ষার জন্য যিশু পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যান।

ইসলামি ঐতিহ্য ও ইতিহাসেও পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যাওয়া বা পার হওয়ার বেশ কিছু কাহিনি ও বিবরণ আছে। এর মধ্যে অবশ্যই যিশু বা ইসলামের নবী ঈসা (আ.) এর বর্ণনাটি আছে, যা ইমাম গাজ্জালী রচিত ইহইয়াউ উলুমদ্দীন এবং ইবনে কাছীর রচিত কাসাসুল আম্বিয়া।

উজানের ঢলে তিস্তার পানি আবার বিপৎসীমার ওপরেTeesta Barrage–unb

এমনকি কোনো নৌকা বা সেতু ছাড়াই মুসলিম বাহিনীর নদী ও সমুদ্র পার হওয়ার ঐতিহাসিক বিবরণ ইসলামি ইতিহাসগ্রন্থেও লিপিবদ্ধ আছে। এ ক্ষেত্রে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের কথা বলা যায়। পারস্য অভিযানের সময় তিনি কোনো নৌকা ছাড়াই ঘোড়ায় করে পুরো সেনাবাহিনীকে ফোরাত পার করে নিয়ে যান বলে বর্ণনা আছে। আর সুফী ঐতিহ্যে এর বহু উল্লেখ পাওয়া যায়।

যাক এসব কথা। মোদ্দা কথা হলো–মানুষের জলরাশির ওপর দিয়ে কোনো কিছুর সহায়তা ছাড়াই পার হওয়ার আকাঙ্ক্ষা অনেক পুরনো।

কে না জানে আকাঙ্ক্ষাই উদ্ভাবন ও আবিষ্কারের ভিত এবং প্রেরণা। আর এই ভিত ও প্রেরণার ওপর দাঁড়িয়ে মানুষ কত কী উদ্ভাবন করেছে, করেছে আবিষ্কার!

এই যে এই মানুষেরা, যারা আজকের এই সময়ে সিন নদীর ওপর দিয়ে ইলেকট্রিক সারফবোর্ডে চড়ে শুধু নদীই পার হচ্ছে না, বলা যায় বায়ুবেগে পার হচ্ছে–তার মূলে তো আছে এই বহু পুরনো আকাঙ্ক্ষাই।

মানুষ দেখেছে সে স্থলে চলতে পারছে, চাইলে পাহাড়ও জয় করতে পারছে। কিন্তু ওই যে পাখির মতো ওড়া বা মাছের মতো করে জলরাশি জয় করতে পারছে না। আর এই অভাবই তাকে ক্রমশ উদ্দীপ্ত করেছে আজকের উড়োজাহাজ কি মহাকাশযান পর্যন্ত তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবনে। তাও যেন থামবার নয় উড়ন্ত ট্যাক্সিও সে উদ্ভাবন করে ছেড়েছে। বাকি ছিল জলরাশি। তা নৌকা, জাহাজ, সাবমেরিনের বদৌলতে জয় হয়েছে ঠিকই। কিন্তু ওই যে জলের ওপর দিয়ে হাঁটা–সে তো বাকি।

একদম শুরুতে একটা নাম বলেছিলাম–মনে আছে? হ্যাঁ, চার্লস ওলড্রিভ।

সালটা ১৯০৭। ওই বছর ওলড্রিভ যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওর সিনসিন্নাতি থেকে ১৬০০ মাইল জলরাশি পেরিয়ে নিউ অরলিয়েন্সে পৌঁছান। হ্যাঁ ঠিক ধরেছেন পানির ওপর দিয়ে হেঁটে। সময় লেগেছিল ৪০ দিন। এ সময় তার স্ত্রী ক্যারোলিন ওলড্রিভ নৌকায় করে তার পাশে পাশে ছিলেন।

ওলড্রিভ অবশ্য সেবারই প্রথম নয়, এর আগে ১৮৮৮ সালে ওলড্রিভ প্রথমবারের মতো নিউইর্কের হাডসন নদীর ওপর দিয়ে আলবেনি থেকে ম্যানহাটন গিয়েছিলেন একইভাবে। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর।

এ রেওয়াজ অবশ্য এখনো আছে। গত ৩৫ বছর ধরেই ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা প্রতি নভেম্বরে ওয়াক অন ওয়াটার প্রতিযোগিতা করে। সেখানে শিক্ষার্থীরাই নিজেদের বাহনটি তৈরি করে।

পানির ওপর দিয়ে হাঁটা–৩০০০ বছরের স্বপ্ন কি তবে বাস্তব হচ্ছে?Walk on Water

কিন্তু ওই যে জুতা, সেই জুতা এখনো অধরাই। তাহলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে এত এত ভিডিও? এগুলো কী তাহলে?

এগুলো মার্কেটিং স্ক্যাম, বা ভাইরাল হওয়ার অপকৌশল। অধিকাংশই এআই দিয়ে বানানো, বা গ্রাফিক্যাল ট্রিক। এখন পর্যন্ত যা অর্জন করা গেছে, তা হলো– এই ইলেকট্রিক সার্ফবোর্ড।

প্যারিসবাসী বৈদ্যুতিক হাইড্রোফয়েল বোর্ডে চড়ে যে সিন নদী এপারওপার করছেন–এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কাছাকাছি প্রযুক্তি, যা পানির ওপর দিয়ে চলাচলকে নির্বিঘ্ন করতে পারে। পানির ওপর দিয়ে অনেকটা উড়ে চলার অনুভূতি দেয় এই বোর্ডগুলো।

ই–ফয়েল নামে পরিচিত এই বোর্ডে একটি বৈদ্যুতিক মোটর, পানির নিচে নিমজ্জিত হাইড্রোফয়েল এবং একটি রিচার্জেবল ব্যাটারি যুক্ত থাকে। এগুলো সম্মিলিতভাবে নদীর উপরিভাগে ভাসমান অবস্থায় গ্লাইড করতে বা ভেসে চলতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই এই ভাসমান থাকার জন্য বোর্ডটিকে প্রথমে গতি পেতে হবে।

এতে যে ব্যাটারি থাকে তা দিয়ে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করা যায়।

এই ই–ফয়েল হয়তো সামনে আরও উন্নত হবে। একদিন হয়তো মানুষ তার জলরাশি জয়ের স্বপ্নের আরও কাছাকাছি যাবে।

বিষয়: নৌকানদীকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসোশ্যাল মিডিয়াপানি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।

  • ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ক্রিকেটীয় পরিভাষায় ‘ব্রেইন ফেড’ খুবই পরিচিত একটি শব্দ। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে যারা সম্যক পরিচিত, তাদের কাছে ২০১৯ বিশ্বকাপে মুশফিকুর রহিমের সেই রানআউট মিস ছিল তেমনই এক ঘটনা।