Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ওডিসি থাকলেও হারিয়ে গেল টেলেগনি, কী ছিল তাতে?

সুদীপ্ত সালাম

সুদীপ্ত সালাম

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১৯: ১৬
ওডিসি থাকলেও হারিয়ে গেল টেলেগনি, কী ছিল তাতে?

প্রায় ৩ হাজার বছর আগে লেখা হোমারের বিখ্যাত মহাকাব্য ‘দ্য ওডিসি’ অবলম্বনে নির্মিত ক্রিস্টোফার নোলানের সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভাবলাম আমরাও কিছু কথা বলি।

Advertisement

ট্রোজান যুদ্ধ শেষে রাজা ওডিসিউসের নিজ রাজ্যে ফিরে আসার গল্প ওডিসি। কিন্তু দীর্ঘ দুঃসাহসিক অভিযানের পর রাজা যখন দেশে ফিরলেন, তখন কী ঘটেছিল? কেমন ছিল ওডিসিউসের জীবনের শেষ পর্ব? গ্রিক মহাকবি হোমারের লেখা ওডিসির মোট ২৪টি খণ্ড রয়েছে। এই খণ্ডগুলোতে এই প্রশ্নের উত্তর নেই।

তবে রাজার পরিণত কী হয়েছিল তা নিয়ে ঠিকই লেখা হয়েছিল। তাহলে? পরের পর্বটি কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। সেই খণ্ডটির নাম ছিল ‘দ্য টেলেগনি’। সেই অধ্যায়ে রাজা ওডিসিউসের জীবনের এক ট্র্যাজিক এবং বিস্ময়কর সমাপ্তি ফুটে উঠেছে।

ওডিসি যেখানে শেষ, সেখান থেকেই মূলত শুরু হয় ‘দ্য টেলেগনি’র গল্প। এই কাব্যটিতে আছে রাজার শেষজীবনের অ্যাডভেঞ্চার এবং তার পুত্র টেলেগোনাসের কাহিনি। কিন্তু মন খারাপ করা কথা হলো, মূল প্রাচীন গ্রিক পাণ্ডুলিপিটির মাত্র দুটি লাইন বর্তমানে টিকে আছে। মজার ব্যাপার হলো, এটি হোমার লেখেননি। ধারণা করা হয় গ্রিক কবি সিনাইথন অথবা ইউগামন এটি লিখেছিলেন। ওডিসিউসের কিংবদন্তিকে বাঁচিয়ে রাখতেই এই সিক্যুয়েলটি রচনা করা হয়েছিল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
আমির খানের বিয়ে, কেন আলোচনায় লাভ জিহাদ?Untitled-22546988.jpg

জানার চেষ্টা করা যাক–কী আছে শেষ অধ্যায়ে। রাজা ওডিসিউস তো দেশে ফিরলেন। তারপর তিনি আবারও অভিযানে বেরিয়েছিলেন। তিনি থেসপ্রোটিয়া নামে এক দ্বীপে পৌঁছান। সেখানে তিনি ক্যালিসাইড নামের এক রমণীকে বিয়ে করেন এবং তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। রাজা সেই দ্বীপে একাধিক যুদ্ধ করেন। রানীর মৃত্যুর পর রাজা ছেলেকে সেই রাজ্যের রাজা করে আবার নিজ দেশে ফিরে আসেন।

শিল্পীর চোখে হোমারের ওডিসির একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
শিল্পীর চোখে হোমারের ওডিসির একটি দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

হোমারের ওডিসিতে আমরা ডাইনি সার্সিকে দেখেছি। রাজার সঙ্গে এই ডাইনির সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, তাদের একটি পুত্র সন্তানও হয়। টেলেগনি কাব্যের মূল ট্র্যাজেডি শুরু হয় সার্সি ও সেই পুত্র–টেলেগোনাসকে কেন্দ্র করে। টেলেগোনাস বড় হয়ে তার বাবাকে খুঁজতে বের হয়। তার মা সার্সি তাকে দেবতা হেফেস্টাসের তৈরি একটি বিশেষ বর্শা দেয়, যার মাথায় যুক্ত ছিল একটি বিষাক্ত স্টিংরে মাছের হুল।

টেলেগোনাসের জাহাজ এসে ভেড়ে ওডিসিউসের রাজ্য ইথাকার উপকূলে। ক্ষুধার্ত টেলেগোনাস ও তার সঙ্গীরা ইথাকার রাজ্যের গবাদি পশু চুরি করতে শুরু করে। এই চুরি ঠেকাতে রাজা ওডিসিউস নিজেই চোরদের সর্দার টেলেগোনাসের মুখোমুখি হয়। কেউ কাউকে চেনে না, তার ওপর ছিল অন্ধকার। শুরু হয় লড়াই। টেলেগোনাসের বিষাক্ত বর্শার আঘাতে ওডিসিউসে মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার ঠিক আগমুহূর্তে রাজা জানতে পারেন, হত্যাকারী এই তরুণ তারই সন্তান। এই টেলেগোনাসের নাম থেকেই কাব্যের নাম হয় ‘টেলেগনি’।

তারপর? ওডিসিউসের মৃত্যুর পর তার মরদেহ নিয়ে টেলেগোনাস, ওডিসিউসের স্ত্রী পেনেলোপি ও তার বড় ছেলে টেলেমেকাস ডাইনি সার্সির দ্বীপে যায়। সার্সি জীবিত সবাইকে অমরত্ব দান করে। শেষে টেলেগোনাস বিয়ে করে তার সৎমা পেনেলোপিকে আর ওডিসিউসের বড় ছেলে টেলেমেকাস বিয়ে করে ডাইনি সার্সিকে!

তখনও, এখনও, অনেকে ওডিসির মূল কাহিনির সঙ্গে এই কাহিনিকে মেলাতে পারেন না। অনেকে ‘দ্য টেলেগনি’কে একটি ‘ফ্যান ফিকশন’ হিসেবে দেখেন। স্টার ওয়ার্স, ডিসি বা মার্ভেল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যেমন মূল স্রষ্টার চলে যাওয়ার পরও বছরের পর বছর নতুন গল্প তৈরি হতে থাকে, টেলেগনিও ছিল অনেকটা সেরকম।

গল্প বলছি; কিন্তু বলা হলো না–কীভাবে টেলেগনির গল্পটি জানা গেল। কারণ আমরাই তো বললাম, পাণ্ডুলিপিটির মাত্র দুটি লাইন টিকে আছে। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে প্রোক্লাস নামে একজন বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত ও ব্যাকরণবিদ ‘দ্য টেলেগনি’ মহাকাব্যের মূল কপিটি পড়েছিলেন। তখনও পুরো পাণ্ডুলিপি টিকে ছিল। তিনি টেলেগনিসহ সেসময়ের গ্রিক পৌরাণিক মহাকাব্যগুলোর মূল কাহিনির একটি বিশদ গদ্য-সারসংক্ষেপ লিখে রেখেছিলেন। তার লেখা সেই বইটির নাম ‘ক্রিস্টোম্যাথি’।

তথ্যসূত্র: জাস্ট ওয়াচ, ব্রিটানিকা, মেন্টাল ফ্লস, দ্য আল্টিমেট এনসাইক্লোপিডিয়া অব মিথলোজি (আর্থার কটেরেল এন্ড র‍্যাচেল স্টর্ম)

বিষয়: সিনেমামহাকাব্যরাজাকবিক্রিস্টোফার নোলান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।

  • ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ক্রিকেটীয় পরিভাষায় ‘ব্রেইন ফেড’ খুবই পরিচিত একটি শব্দ। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে যারা সম্যক পরিচিত, তাদের কাছে ২০১৯ বিশ্বকাপে মুশফিকুর রহিমের সেই রানআউট মিস ছিল তেমনই এক ঘটনা।