Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ইউরোপীয় নেতাদের নতুন ফাঁদে পড়তে যাচ্ছেন জেলেনস্কি?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১: ০০
ইউরোপীয় নেতাদের নতুন ফাঁদে পড়তে যাচ্ছেন জেলেনস্কি?

ইউক্রেন যুদ্ধের মোড় কি এবার অর্থনীতির টেবিলে ঘুরতে যাচ্ছে? ওয়াশিংটনের সহায়তা কমে আসা এবং রণক্ষেত্রে রাশিয়ার অগ্রগতির মুখে এক অভাবনীয় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউক্রেনকে রক্ষা করতে রাশিয়ারই গচ্ছিত কয়েক শ বিলিয়ন ইউরো জব্দ করে তা ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ব্রাসেলস।

Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ইউক্রেনের আগামী দুই বছরের খরচ মেটাতে প্রয়োজন প্রায় ১৩৫ বিলিয়ন ইউরো, যা বর্তমান বিনিময় মূল্য অনুযায়ী ১৫৮ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারের সমান। এই বিশাল অর্থের জোগান দিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন হাত বাড়িয়েছে রাশিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের ২১০ বিলিয়ন ইউরো সমমূল্যের সম্পদের দিকে, যা বর্তমানে ইউরোপের বিভিন্ন ব্যাংকে ‘ফ্রিজ’ হয়ে আছে।

এ ব্যাপারে সেন্টার ফর ইউরোপিয়ান পলিসি এনালাইসিসের (সিইপিএ) সিনিয়র ফেলো আলেকজান্ডার কোলিয়ান্দ্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘রাশিয়ার এই ‘ফ্রিজ করা বা আটকে রাখা সম্পদগুলো মূলত দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ। যদিও কিছু ব্যক্তিগত বা কোম্পানির সম্পদও এর মধ্যে আছে। তবে আমরা এখানে মূলত রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ নিয়ে কথা বলছি। এগুলো হলো রাশিয়ার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং তাদের ‘ন্যাশনাল ওয়েলবিয়িং ফান্ড’, যেখানে ক্রেমলিন তেল থেকে আসা অতিরিক্ত টাকা জমিয়ে রাখত।’’

ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য বাইডেন দায়ী: হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রীvictor orban

এই সম্পদের সিংহভাগ (প্রায় ১৮৫ বিলিয়ন ইউরো) জমা আছে বেলজিয়ামের সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি ইউরোক্লিয়ারে। কিন্তু সমস্যা একটাই, এই অর্থ সরাসরি বাজেয়াপ্ত করা আন্তর্জাতিক আইনে বেশ জটিল। তাই ইইউ সাজিয়েছে এক নতুন পরিকল্পনা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পরিকল্পনাটি হলো ‘ক্ষতিপূরণ ঋণ’। ইইউ এই জব্দ করা সম্পদের বিপরীতে বড় অঙ্কের টাকা ধার করবে এবং তা ইউক্রেনকে দেবে। মজার ব্যাপার হলো, ইউক্রেন এই টাকা তখনই ফেরত দেবে, যখন রাশিয়া যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ইউক্রেনকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে। সহজ কথায়, রাশিয়ার টাকা দিয়েই ইউক্রেন তার লড়াই চালিয়ে যাবে।

আলেকজান্ডার কোলিয়ান্দ্র বলছেন, ‘‘আমেরিকা বর্তমানে ইউক্রেনকে আগের মতো অর্থ সাহায্য দিচ্ছে না। এখন এই বিল মেটানোর পুরো দায়িত্ব ইউরোপের কাঁধে। ইউরোপীয় গ্যারান্টি বা অর্থ ছাড়া ইউক্রেন আর্থিকভাবে টিকে থাকতে পারবে না। কারণ, ইউরোপের নিশ্চয়তা ছাড়া আইএমএফ ইউক্রেনকে ঋণ দেবে না। বর্তমানে ইউক্রেনের বাজেটে বিশাল ঘাটতি রয়েছে এবং এর মধ্যে সেনাবাহিনীর খরচ তো আছেই।’’

অবাধ্যকে বাধ্য করতে চীনের কী কৌশল?china

তবে এই পথ সহজ নয়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন একে ‘চুরি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এমনকি হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান এই পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, এটি এমন একটি যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করবে, যা জেতা অসম্ভব।

এতে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেলজিয়াম। তারা ভয় পাচ্ছে, রাশিয়ার এই টাকা ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে আইনি লড়াইয়ে তাদের ওপর দায় চাপতে পারে। এমনকি রাশিয়া প্রতিশোধ হিসেবে সাইবার হামলা বা ড্রোন হামলার হুমকি দিচ্ছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

গাজায় ইসরায়েলি হামলার ভয়াবহতা, এক পরিবারের ৩০ সদস্যের মরদেহ উদ্ধারgaja

অধিকাংশ রুশ সম্পদ বেলজিয়ামে জমা থাকায় তারা কিছুটা চিন্তিত। বেলজিয়াম চায় এই দায়ভার অন্য ইউরোপীয় দেশগুলোসহ যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জাপান ভাগ করে নিক। কারণ, ভবিষ্যতে যদি রাশিয়া কখনো এই টাকা ফেরত চায়, বেলজিয়াম একা সেই পরিস্থিতির বা আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে চায় না।

যদি এই সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়, তবে ইউরোপকে তার নিজের বাজেট থেকে ধার করতে হবে। যা ইতোমধ্যে ঋণে জর্জরিত ইউরোপীয় অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলবে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠেয় বৈঠকে নির্ধারিত হবে ইউরোপের এই ‘জুয়া’ সফল হবে কি না। একদিকে ইউক্রেনের অস্তিত্ব রক্ষা, অন্যদিকে রাশিয়ার সম্ভাব্য পাল্টা আঘাত–ইউরোপ এখন এক কঠিন সন্ধিক্ষণে।

বিষয়: রাশিয়াইউরোপবিশ্বযুদ্ধইউক্রেনইউরোপীয় ইউনিয়নরাজনীতিভ্লাদিমির পুতিনইউক্রেন যুদ্ধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।