Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

হরমুজের চাপে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ২৫
হরমুজের চাপে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজ। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি কেন্দ্রিক সংঘাত সমাধানের আশা দিনে দিনে ক্ষীণ হয়ে আসছে। এ কারণে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইরান ও ওমান সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার কাছাকাছি রয়েছে, যা হরমুজ দিয়ে তেল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল পুনরায় শুরু করতে সহায়তা করতে পারে। কিন্তু জাহাজগুলোকে বিনা বাধায় চলাচলের অনুমতি দেওয়ার আগে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এক দীর্ঘ দাবিনামা পেশ করেছে এবং তা পূরণও হতে হবে।

Advertisement

এই পরিস্থিতি থেকে এটি অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে তেহরান এই হরমুজ প্রণালিকে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক ও কৌশলগত দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যেতে চায়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, তেহরানের বর্তমান অর্থনৈতিক দুর্দশা এবং চরম মূল্যস্ফীতির চাপে ইরান শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করবে এবং আলোচনায় আসতে বাধ্য হবে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশ্লেষণ বলা হয়, বিশ্ব বাজারে তেলের মূল্যের অস্থিরতার কারণে ব্রেন্ট ক্রুড-এর দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৮৪ ডলারে পৌঁছেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগের পরিস্থিতির তুলনায় বর্তমানে ব্রেন্ট ক্রুডের বাজারমূল্য প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেল প্রতি প্রায় ৭৯ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

যে ৬ শর্তে হরমুজ খুলবে ইরানstrait of hormuz

বিনিয়োগকারী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা মূলত ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই অত্যন্ত সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ধারাবাহিক বাধা বা অচলাবস্থার দিকে গভীর নজর রাখছেন। কারণ স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বা ২০ শতাংশই এই একটি মাত্র পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এর সাথে সাথে বাজারের সংশ্লিষ্ট অংশীরা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি মিলিশিয়াদের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের প্রচেষ্টাও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। উল্লেখ্য, সৌদি আরব হরমুজ প্রণালির বিকল্প রুট হিসেবে এই বাব আল-মান্দেব প্রণালিটি ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

মেরিটাইম তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কপলার-এর তথ্যের ভিত্তিতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছেন যে, সপ্তাহান্তে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অত্যন্ত সীমিত বা সামান্য সংখ্যক জাহাজ অতিক্রম করেছে, যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের স্বাভাবিক গতির তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য।

হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স
হরমুজ প্রণালি। ছবি: রয়টার্স

কপলারের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে মাত্র এক ডজনের মতো জাহাজ এই প্রণালিটি দিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করছে। অথচ যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই নির্দিষ্ট পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৩০টি বাণিজ্যিক জাহাজ সানন্দে চলাচল করত। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক নৌ-পরিবহনব্যবস্থা কতটা মারাত্মকভাবে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

হরমুজ নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে: ইরানIran-and-Oman

নিউইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদনটিতে হরমুজ প্রণালির উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক শেয়ারবাজারগুলোর ওপর সৃষ্ট প্রভাবও বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার শেয়ার বেচাকেনা পুনরায় শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে ‘এস অ্যান্ড পি ৫০০’ ফিউচার সূচকে তেমন বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। যদিও শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারের এই মূল বেঞ্চমার্ক সূচকটি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে বন্ধ হয়েছিল। ইউরোপীয় শেয়ারবাজারের দিকে তাকালে দেখা যায়, অঞ্চলের বৃহত্তম কোম্পানিগুলোকে নজরদারি করা ব্রড ইনডেক্স ‘স্টোক্স ৬০০’ বড় কোনো পরিবর্তন ছাড়াই প্রায় এক জায়গায় স্থির ছিল। তবে এশিয়ার শেয়ারবাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে; এশিয়ার বিভিন্ন দেশ প্রচুর পরিমাণে অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করা সত্ত্বেও সেখানকার প্রধান প্রধান শেয়ারবাজারগুলো ছিল মূলত ঊর্ধ্বমুখী। উদাহরণস্বরূপ, জাপানের প্রধান সূচক ‘নিক্কেই ২২৫’ প্রায় ২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং একই সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার ‘কসপি’ এবং হংকংয়ের ‘হাং সেং’ সূচক উভয়ই প্রায় ১ শতাংশের মতো বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এই জ্বালানি সংকটের প্রতিক্রিয়া কেমন পড়ছে, তা ফুটিয়ে তুলতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ খুচরা পেট্রোল ও ডিজেলের বাজার দর বিশ্লেষণ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস। ‘এএএ’ মোটর ক্লাবের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার পাম্পে খুচরা জ্বালানি তেলের (গ্যাসোলিন) দাম সামান্য কমে জাতীয় গড় দর প্রতি গ্যালনে প্রায় ৪.০১ ডলারে নেমে এসেছে। যদিও গত সপ্তাহের তুলনায় পেট্রোলের দাম প্রতি গ্যালনে প্রায় ১০ সেন্টের মতো কমেছে। তবে হিসাব করে দেখা গেছে যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের সময়ের তুলনায় মার্কিন চালকদের এখনও গড়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ বেশি দামে পাম্প থেকে তেল কিনতে হচ্ছে। প্রতিবেদনে পাঠকদের বিষয়টি অনুধাবনের সুবিধার জন্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে খুচরা গ্যাসোলিনের দাম কখনোই আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠা-নামার সাথে একদম হুবহু বা একই গতিতে পরিবর্তন হয় না; অপরিশোধিত তেলের বাজারে দর বাড়া বা কমার প্রভাব সাধারণত খুচরা পাম্পের দামের ওপর পড়তে কয়েক দিন লাগে।

হরমুজ প্রণালি নিয়ে সমঝোতার আশায় কমেছে তেলের দামiran oill

একইভাবে মার্কিন অভ্যন্তরীণ পরিবহন খাতের প্রধান চালিকাশক্তি ডিজেলের দামেও সামান্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার ডিজেলের গড় জাতীয় দর কিছুটা কমে প্রতি গ্যালনে ৫.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে পেট্রলের মতোই খুচরা ডিজেলের বাজার যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের মূল্যের চেয়ে এখনো অত্যন্ত চড়া অবস্থায় রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের চেয়ে বর্তমান ডিজেলের দাম ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বেশি রয়েছে। টাইমসের প্রতিবেদনে স্পষ্ট যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অচলাবস্থা কেবল একটি আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলে বিশ্বের সার্বিক শেয়ারবাজার, সামুদ্রিক বাণিজ্য রুট এবং এমনকি সাধারণ মানুষের দৈনিক জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর অত্যন্ত ক্ষতিকর অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করে চলেছে।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রডোনাল্ড ট্রাম্পতেলবাহী জাহাজইরানহরমুজ প্রণালি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।