
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী ছয়টি জাহাজকে যেতে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান।

ওনিক্স ক্যাপিটাল গ্রুপের সিইও গ্রেগ নিউম্যান সতর্ক করে বলেছেন, তেলের এই সংকট কেবল শুরু, সামনে দাম ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করতে ইরান বর্তমানে পাকিস্তান ও মালয়েশিয়ার মতো বন্ধুপ্রতিম দেশের জাহাজগুলোকে প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিচ্ছে।

ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস-এর তথ্য অনুসারে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা এবং তেহরানের পাল্টা হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালী এবং ওমান উপসাগরের আশেপাশে জাহাজে অন্তত ১৩টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি হামলা আজই সংঘটিত হয়েছে।

সরকার বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কাছে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরে ইতোমধ্যে একটি তেলবাহী জাহাজ থেকে তেল খালাস চলছে। ৯ মার্চ আসছে আরও দুটি জাহাজ। এমন পরিস্থিতিতে তেল নিয়ে নীতিনির্ধারকদের উদ্যোগ ও বাজার পরিস্থিতি আলোচনা করা হয়েছে এই আলোচনায়।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উত্তাপ এবার সরাসরি এসে লাগল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের পকেটে। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাতের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকটে উত্তাল ঢাকা। হঠাৎ করেই রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে দেখা দিয়েছে দীর্ঘ সারি।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ নজরদারি’ হিসেবে অভিহিত করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, জাহাজটি আন্তর্জাতিক আইন মেনেই শান্তিপূর্ণভাবে চলাচল করছে। মস্কো আশা করে যে, পশ্চিমা দেশগুলো সমুদ্রে অবাধ নৌ চলাচলের নীতি নিজেরাও মেনে চলবে।

ওমান উপসাগরে অবৈধ জ্বালানি বহনের অভিযোগে একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে ইরান। জাহাজটিতে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মোট ১৮ জন ক্রু সদস্য ছিলেন।