Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

মধ্যপ্রাচ্যকে পানিতে মারবে ইরান?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১৬: ০১
মধ্যপ্রাচ্যকে পানিতে মারবে ইরান?

কুয়েত অভিযোগ করেছে, ইরান আবার তাদের পানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এ ধরনের হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।

Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শুষ্ক আবহাওয়া ও কম বৃষ্টিপাতের কারণে এসব দেশে প্রাকৃতিক মিঠা পানির উৎস খুবই সীমিত। তাই ভূগর্ভস্থ পানির পাশাপাশি সমুদ্রের লবণাক্ত পানি পরিশোধন করে পানযোগ্য করার ওপরই তাদের অনেকটা নির্ভর করতে হয়।

গালফ রিসার্চ সেন্টারের ২০২০ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের মোট প্রধান পানির উৎসের প্রায় ৯০ শতাংশই আসে ভূগর্ভস্থ পানি ও লবণমুক্ত করা সমুদ্রের পানি থেকে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির মান ও পরিমাণ কমে যাওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উপসাগরীয় দেশগুলো সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করার কারখানার (ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট) ওপর আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান বলছে, ইরানের হামলার কারণে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং ওমানের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর এসব পানি অবকাঠামোগুলো ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংসের হুমকি কেন দিচ্ছে ইরানusa-israel attack on iran

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কুয়েত পর্যন্ত উপসাগরের উপকূলে ৪০০টির বেশি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট রয়েছে। এগুলো বিশ্বের সবচেয়ে পানিসংকটপূর্ণ এই অঞ্চলটির কোটি মানুষের পানির চাহিদা পূরণ করে।

২০২৩ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) ছয়টি দেশ বিশ্বের মোট লবণমুক্ত পানি উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৬০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। আর বিশ্বে উৎপাদিত মোট লবণমুক্ত পানির প্রায় ৪০ শতাংশ এসব দেশেই উৎপাদিত হয়।

সৌদি আরবের ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট। ফাইল ছবি: রয়টার্স
সৌদি আরবের ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট। ফাইল ছবি: রয়টার্স

দেশভেদে পানির জন্য ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরশীলতার হারও অনেক বেশি। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪২ শতাংশ, কুয়েতে ৯০ শতাংশ, ওমানে ৮৬ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৭০ শতাংশ পানি আসে এসব প্ল্যান্ট থেকে। বিশ্বের মধ্যে সৌদি আরবই সবচেয়ে বেশি লবণমুক্ত পানি উৎপাদন করে।

ইরানও উপসাগরীয় উপকূলের কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন এলাকায় ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট ব্যবহার করে। তবে দেশটিতে অনেক নদী ও বাঁধ থাকায় কুয়েত, সৌদি আরব বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টের ওপর ইরানের নির্ভরতা তুলনামূলকভাবে কম।

গত মার্চে ইরানের একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্টে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে বাহরাইন, কুয়েতের প্ল্যান্টে হামলা করে ইরান।

বাহরাইন-কুয়েতে ৮৫ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলাiran-war

দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্ল্যান্টগুলো অকেজো করে দিলে বেসামরিক জনগণের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়বে এবং সরাসরি জনগণের ওপর হামলা না করেও একটি দেশে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টির এটি একটি কার্যকর উপায়। এছাড়া এটি শিল্পকারখানার জন্যও বিধ্বংসী হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাসসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি শিল্পগুলো পানি শোধনাগারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

অধিকাংশ উপসাগরীয় দেশের কাছে মাত্র এক সপ্তাহের মতো পানি মজুত থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি কোনো একটি প্ল্যান্টে আঘাত হানা হয় এবং উৎপাদন ক্ষমতা নষ্ট হয়, তবে এর প্রভাব হবে দ্রুত ও তীব্র। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে বড় বড় শহরগুলোতে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ঠান্ডা রাখার জন্য এই শোধিত পানির প্রয়োজন হয়, তাই পানি বন্ধ হলে বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হবে। এটি স্বাস্থ্যসেবা ও হাসপাতাল পরিচালনাকে বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং পানি সংকট চলাকালীন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিতে বাধ্য করবে।

বিষয়: সংঘাতসৌদি আরবকুয়েতহামলাইরানমধ্যপ্রাচ্যযুক্তরাষ্ট্রআরব আমিরাতপানি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।