Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

প্রথম সিনেমাতেই জাতীয় পুরস্কার, ডুবে মরলেন গ্রহণের আগেই

১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ভারত সরকার ঘোষণা করে সিনেমাটি সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা চিত্রগ্রহণ বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছে।

সুদীপ্ত সালাম

সুদীপ্ত সালাম

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ২১: ০৩
প্রথম সিনেমাতেই জাতীয় পুরস্কার, ডুবে মরলেন গ্রহণের আগেই

জীবনে মাত্র একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা তৈরি করেছিলেন তিনি, যা এখনো বলিউডের অন্যতম ‘ক্লাসিক’ হিসেবে বিবেচিত। ১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ২১তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে ছবিটিকে সেরা হিন্দি সিনেমা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পর মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

Advertisement

বলছি পরিচালক অবতার কৃষ্ণ কৌলের কথা। মণি কৌল ও মৃণাল সেনের সমসাময়িক হলেও তার নাম সিনেমাপ্রেমীদের অনেকেই শোনেনি। ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির নাম ‘টুয়েন্টি সেভেন ডাউন’। এটি তৈরি করা হয়েছিল হিন্দি কথাসাহিত্যিক রমেশ বকশির ‘আঠারহ সূরজ কে পৌধে’ উপন্যাস অবলম্বনে। সিনেমাটি পরিচালনা ছাড়াও চিত্রনাট্য ও প্রযোজনা তিনিই করেছিলেন।

কেন্দ্রীয় চরিত্র সঞ্জয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এম কে রাইনা। আরো আছেন রাখি ও ওম শিবপুরি। সঞ্জয় চরিত্রের অন্তর্জগৎ ও বহির্জগতের যাত্রাই এই সিনেমার মূল বিষয়। সে একজন ট্রেন কন্ডাক্টর। তার আত্ম-অন্বেষণমূলক জীবনকাহিনিই সিনেমার কাহিনি। সিনেমার একটা বড় অংশ মুম্বাই-বারাণসী রুটের ট্রেনে শুট করা।

ট্রেন এখানে একটি প্রতীক। সঞ্জয়ের জীবনের প্রতীক। সঞ্জয় তার প্রাক্তন প্রেমিকা শালিনীকে বলছে, “তুমি তো জানো শালিনী, আমি যা হতে চেয়েছিলাম, তা হতে পারিনি। আমি একটি লম্বা চলার পথ চেয়েছিলাম। কিন্তু পেলাম রেললাইন। এই রেললাইনের গন্তব্য আগে থেকেই নির্ধারিত, লাইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমি এখন ক্লান্ত।” সে আরো ভাবে, “যখনই আমার মধ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়, যখনই আমার কাছে প্রশ্নের জবাব থাকে না, তখন মনে হয়, চলন্ত ট্রেনই আমার ভরসা। জানি না কেন মনে হয়, এই বেগবান যাত্রাই সঠিক, বাকি সব মিথ্যা। আজব এক চক্র। শুধুই ছুটে চলা।” সিনেমাটি ট্রেন দিয়ে শুরু, ট্রেনেই শেষ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পিতার কঠোর শাসনের মধ্যে বড় হয় শিল্পমনা সঞ্জয়। পিতার ইচ্ছে অনুযায়ী, নিজের সব স্বপ্ন জলাঞ্জলি দিয়ে রেলওয়ের চাকরিতে ঢুকতে হয় তাকে। ফলে তার অনুশোচনার শেষ থাকে না। ইতালির নিওরিয়ালিজম থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে পঞ্চাশের দশকে ভারতে যে প্যারালাল বা নিউ ইন্ডিয়ান সিনেমা আন্দোলন শুরু হয়েছিল। সেই আন্দোলনকে আরো এগিয়ে নিয়ে যায় অবতার কৃষ্ণ কৌলের এই ‘টুয়েন্টি সেভেন ডাউন’।

প্রথম ছবিতেই আলোচনার ঝড় তোলেন তিনি। চলচ্চিত্র সমালোচকরা ভীষণ প্রশংসা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় ছবিটি লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবে ইকিউমেনিক্যাল পুরস্কার এবং মানহাইম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ডুলকাট পুরস্কার অর্জন করে।

১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ভারত সরকার ঘোষণা করে সিনেমাটি সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা চিত্রগ্রহণ বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছে। তার কয়েক ঘণ্টা পরই মুম্বাইয়ের বালকেশ্বর এলাকায় একটি মেয়েকে পানিতে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজে ডুবে মারা যান।

অবতার কৃষ্ণ কৌলের জন্ম ১৯৩৯ সালে, জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে। শুরুতে অবতার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করতেন। পরে তাকে পাঠানো হয় নিউইয়র্কে ভারতীয় দূতাবাসে। ১৯৬০ সালে সেই চাকরি ছেড়ে তিনি সিনেমা তৈরি শিখতে ভর্তি হন নিউইয়র্কের ইনস্টিটিউট অব ফিল্ম টেকনিকস-এ। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি টেক্সি চালাতেন। ১৯৭০ সালে তিনি বিখ্যাত পরিচালক জেমস আইভরির ‘বম্বে টকি’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৪ বছর প্রবাস-জীবন শেষে তিনি ভারতে ফিরে মাত্র ২ লাখ টাকায় নির্মাণ করেছিলেন তার প্রথম এবং শেষ সিনেমাটি।

তথ্যসূত্র:

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, ২০ জুলাই ২০২৫

দ্য হিন্দু, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫

আনন্দবাজার ডটকম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিষয়: সিনেমাচলচ্চিত্র নির্মাতাবলিউডসিনেমা রিভিউভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।