পপকালচারে সাইকো গভীর ও ব্যাপক প্রভাব ফেলে এবং অস্থির ষাটের দশকে এক সুস্পষ্ট সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের সূচনা করে। ইতালির জালো ধারা (সহিংসতা ও ইরোটিক ঘরানা) এবং আমেরিকার স্ল্যাশার ঘরানার ছবিগুলোর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে হিচককের সাইকো।

‘রাশোমন ইফেক্ট’ কি জানেন তো? একটি মাত্র ঘটনাকে একাধিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা। একটি ঘটনা যখন ঘটে তখন একেকজন একেকভাবে তা দেখে এবং বর্ণনা করে। একজনের বয়ান আরেকজনের বয়ানের একেবারে বিপরীত ও সাংঘর্ষিকও হতে পারে, এই অবস্থাকেই দর্শন ও মনোবিজ্ঞানে ‘রাশোমন ইফেক্ট’ বলে।

আশাহত হয়ে নিজের ফ্ল্যাট বিক্রি করে সিনেমা বানানোর সিদ্ধান্ত নেন লেখক। শেষমেশ ফ্ল্যাট বিক্রি করেছিলেন কিনা, তা জানা যায়নি। কিন্তু শ্যুটিং শুরু হলো। শ্যুটিং শুরুর পরপরই জানা গেল, আগুনের পরশমণি সরকারের ২৫ লাখ টাকার অনুদান পেয়েছে! শেষে তা দিয়ে সিনেমাটি শেষ করেন হুমায়ূন আহমেদ।

‘হ্যারি পটার’ ও ‘গেম অব থ্রোনস’ থেকে শুরু করে স্ট্রিমিং পরিষেবা এইচবিও ম্যাক্স– কী নেই এই ওয়ার্নার ব্রসে। এই কারণেই এই চুক্তি মার্কিন চলচ্চিত্র ও মিডিয়া শিল্পকে আমূল বদলে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।