
‘ধুরন্ধর’ কি প্রোপাগান্ডার একটি উত্তম উদাহরণ নয়? এটিও যদি প্রোপাগান্ডা না হয়, তাহলে প্রোপাগান্ডা আসলে কী বস্তু? আর এসব প্রোপাগান্ডা কি বিজেপি ও মোদি সরকার ছাড়া আর কারও পক্ষে যায়?

বাংলাদেশের নাটক এখন কি সত্যিই খারাপ হচ্ছে? হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে কেন কাজ করা হলো না নাদের চৌধুরীর? সমাজ ও রাষ্ট্র কি ইচ্ছা করেই দুস্থ শিল্পী তৈরি করে? বিটিভির নাটকের কথা এখনো কেন মানুষ বলে? বাংলাদেশের সিনেমা কেন এগোচ্ছে না? আসলেই কি তামিল সিনেমা থেকে কপি–পেস্ট করে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে?

তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সোনা ফলেছে। বাংলা সিনেমায় তো তাক লাগানো অভিনয় করেছেনই, বলিউডেও ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। চাইলে শুধু অভিনয় করেই সুখে-শান্তিতে জীবনটা পার করে দিতে পারতেন উৎপল দত্ত।

একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস-এর ‘অস্কার’ নামটি কোথা থেকে এল? কবে, কোথায় ও কীভাবে শুরু হয়েছিল এই মহা-অনুষ্ঠান? ১৯২৯ সালে কী কী ঘটেছিল পুরস্কারের প্রথম আসরে? অস্কার বিজয়ীরা পুরুষের অবয়বে গড়া সাড়ে ১৩ ইঞ্চি লম্বা ট্রফিটি ছাড়া আর কিছু কি পান? কোনো টাকাকড়ি?

ধর্মেন্দ্রকে দর্শক ভালোবাসত কারণ তিনি সেই যুগের ভারতীয় যুবকের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। সৎ, পরিশ্রমী, পরিবারের জন্য সর্বস্ব বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নিজের মর্যাদা নিয়ে আপসহীন। এই ইমেজ ভারতীয় সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়।

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মারা গিয়েছেন। আজ সোমবার ৮৯ বছর বয়সে মারা যান বলিউডের ‘হি-ম্যান’ খ্যাত এই অভিনেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অভিনেতা ধর্মেন্দ্র এর মেয়ে এশা দেওল ইনস্টাগ্রামে বলেন, “গণমাধ্যমে ভুল খবর ছড়ানো হচ্ছে। আমার বাবা ঠিক আছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি, পরিবারকে একটু গোপনীয়তা বজায় রাখতে দিন। বাবার দ্রুত আরোগ্যের জন্য যারা প্রার্থনা করছেন, সবাইকে ধন্যবাদ।”