Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

যে মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলছে ইউরোপ

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৫: ১৩
যে মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলছে ইউরোপ
ইউরোপজুড়ে সূর্যগ্রহণ উপভোগের প্রস্তুতি চলছে। ছবি: রয়টার্স

এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে ইউরোপ। ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। কিন্তু ইউরোপের কিছু অঞ্চলে এমন গ্রহণ হচ্ছে এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর।

Advertisement

আজ ১২ আগস্ট দেখা যাবে ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। চাঁদের ছায়ায় সূর্য ঢেকে গিয়ে ইউরোপের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে কিছুক্ষণের জন্য নেমে আসবে রাতের অন্ধকার। ২০২৪ সালের এপ্রিলের পর এটিই পৃথিবীর প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসে একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ওপর পড়ে এবং সূর্য সাময়িকভাবে ঢেকে যায়। এই প্রাকৃতিক ঘটনাকেই সূর্যগ্রহণ বলা হয়।

পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ তখনই হয়, যখন চাঁদ সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে ফেলে। ফলে দিনের বেলাই কিছু সময়ের জন্য অন্ধকার নেমে আসে।

প্রতি বছর পৃথিবীতে দুই থেকে পাঁচটি আংশিক বা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা গেলেও পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলকভাবে বেশ বিরল এবং শতাব্দীতে গড়ে ৬৬ বার বা দেড় বছরে একবার ঘটে থাকে।

এবার স্পেনের আইবেরীয় উপদ্বীপে এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর এমন সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। চাঁদ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করায় একে সাধারণ সময়ের চেয়ে বড় দেখাবে, আর গ্রহণের স্থায়িত্বও হবে বেশি। বোনাস হিসেবে একই রাতে উপভোগ করা যাবে পারসেইড উল্কাপাতের চোখধাঁধানো দৃশ্য।

আর্কটিক মহাসাগর থেকে শুরু হয়ে পূর্ব গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, পর্তুগাল এবং স্পেনের ওপর দিয়ে বিস্তৃত হবে এই পূর্ণগ্রাসের পথ। স্পেনের লিওন, ভ্যালেন্সিয়া ও পালমাসহ প্রধান শহরগুলোতে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩২ মিনিটে এটি চরম রূপ নেবে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে মধ্যরাতের এই বিরল দৃশ্য সরাসরি দেখা যাবে না। অবশ্য ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা তাদের ইউটিউব চ্যানেলে এটি বিনামূল্যে সরাসরি সম্প্রচার করবে।

তবে এই মহাজাগতিক মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে আমাদের সমাজে নানা কুসংস্কারও প্রচলিত রয়েছে। অনেকে মনে করেন গ্রহণের সময় খাবার গ্রহণ, রান্না করা কিংবা ভ্রমণ করা অমঙ্গলজনক। কেউ কেউ ভাবেন এতে অতিরিক্ত ক্ষতিকর রশ্মি নির্গত হয়, যা থেকে বাঁচতে গ্রহণ শেষে গোসল করা জরুরি। সূর্যগ্রহণ নিয়ে কুসংস্কার শুধু আমাদের দেশে নয়, ইউরোপেও আছে। যেমন, এ সময় খাবার খোলা রাখলে খাবারে বিষক্রিয়া হয়, মদ নষ্ট বা টক হয়ে যায়। গর্ভবতী নারী নিয়ে আমাদের উপমহাদেশ ও ইউরোপের কুসংস্কার প্রায় কাছাকাছি ধরনের। আর তা হলো গ্রহণের আলো গর্ভবতী নারীর ওপর পড়লে সন্তান বিকলাঙ্গ বা অন্ধ হয়ে জন্ম নিতে পারে।

তবে বিজ্ঞানীরা স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করেছেন, এসব ধারণার বিন্দুমাত্র বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সূর্যগ্রহণকালে আলাদা কোনো ক্ষতিকর রশ্মি নির্গত হয় না।

তবে একমাত্র যে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি, তা হলো চোখের সুরক্ষা। নাসা খালি চোখে সূর্যগ্রহণ দেখতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। মূল বিষয় হলো, সাধারণ দিনে সূর্যের তীব্রতার কারণে আমরা খালি চোখে তাকাই না। কিন্তু গ্রহণের সময় প্রখরতা কম থাকায় মানুষ খালি চোখে দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকে, যা চোখের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। তাই নিরাপদ চশমা ব্যবহার করে এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা উচিত। অনেকে সাধারণ সানগ্লাস বা এক্স-রে দিয়ে সূর্যগ্রহণ দেখার চেষ্টা করে। এটি একদম করা যাবে না। এর বদলে টেলিস্কোপ, বাইনোকুলার, ক্যামেরা লেন্সের সামনে সার্টিফায়েড সান ফিল্টার দিয়ে সূর্যগ্রহণ নিরাপদে উপভোগ করা যায়।

সবচেয়ে ভালো হয় আইএসও সার্টিফায়েড বিশেষ একলিপ্স গ্লাস ব্যবহার করা। তাই নিরাপদে সূর্যগ্রহণ উপভোগের জন্য স্পেন সরকার ২ মিলিয়ন একলিপ্স গ্লাস বিতরণ করেছে।

বিষয়: সূর্যগ্রহণমহাকাশইউরোপচাঁদস্পেননাসাকুসংস্কার
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।