Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

নতুন মস্তিষ্ককোষ বাঁচাতে টেস্টোস্টেরনের ভূমিকা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২১: ০৫
নতুন মস্তিষ্ককোষ বাঁচাতে টেস্টোস্টেরনের ভূমিকা
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

মস্তিষ্কে নতুন স্নায়ুকোষ তৈরি হওয়া এবং সেগুলোকে টিকিয়ে রাখার প্রক্রিয়া স্মৃতিশক্তি, শেখার ক্ষমতা ও চিন্তার নমনীয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত। বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান করছেন, প্রাপ্তবয়স্ক মস্তিষ্কে নতুন স্নায়ুকোষের বিকাশে কোন কোন হরমোন ভূমিকা রাখে। পুরুষদের প্রধান যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন নিয়ে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এই অনুসন্ধানে নতুন তথ্য যোগ করেছে। গবেষণাটি বলছে, টেস্টোস্টেরন নতুন মস্তিষ্ককোষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বাড়াতে পারে। তবে এই উপকার পেতে শুধু হরমোনটির উপস্থিতি নয়, কত দিন ধরে এবং কোষের বিকাশের কোন পর্যায়ে এটি কাজ করছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement

মেডিক্যাল এক্সপ্রেসে সঞ্জুক্তা মণ্ডলের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরুষ ইঁদুরের ওপর পরিচালিত এই গবেষণায় টানা ৩০ দিন টেস্টোস্টেরন প্রয়োগ করলে মস্তিষ্কের হিপোক্যাম্পাসের ডেন্টেট গাইরাস নামের অংশে নতুন স্নায়ুকোষের টিকে থাকার হার বেড়েছে। হিপোক্যাম্পাস স্মৃতি ও শেখার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। তবে গবেষণার মূল বিষয় ছিল, নতুন কোষের বেঁচে থাকার জন্য টেস্টোস্টেরন কত দিন প্রয়োজন এবং কোষের বিকাশের কোন পর্যায়ে হরমোনটি সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

গবেষকেরা পরীক্ষার ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে এমন একটি বিষয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইঁদুরগুলোর অণ্ডকোষ অপসারণ করেন, যাতে শরীরে টেস্টোস্টেরনের প্রধান প্রাকৃতিক উৎসটি বাদ পড়ে। অস্ত্রোপচারের ১১ দিন পর প্রতিটি ইঁদুরকে ব্রোমোডিঅক্সিউরিডিন নামের একটি রাসায়নিক উপাদান দেওয়া হয়। এটি বিভাজিত হতে থাকা নতুন কোষে প্রবেশ করে এবং সেগুলোকে শনাক্ত করতে সাহায্য করে। এরপর ইঁদুরগুলোকে বিভিন্ন দলে ভাগ করে প্রতিদিন টেস্টোস্টেরন অথবা নিয়ন্ত্রণ হিসেবে তিলের তেল দেওয়া হয়। এক দল ৩০ দিন ধরে, আর অন্য দুই দল প্রথম ১৫ দিন কিংবা শেষ ১৫ দিন হরমোনটি পায়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, টানা ৩০ দিন টেস্টোস্টেরন পাওয়া ইঁদুরের ডেন্টেট গাইরাসে শনাক্তযোগ্য নতুন কোষের সংখ্যা বেড়েছে। তবে মাত্র ১৫ দিনের চিকিৎসা পুরো অঞ্চলজুড়ে কোষের বেঁচে থাকার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। আরও নির্দিষ্টভাবে দেখা যায়, পরীক্ষার ১৬ থেকে ৩০তম দিনে টেস্টোস্টেরন প্রয়োগ করলে হিপোক্যাম্পাসের পেছনের অংশ বা ডরসাল ডেন্টেট গাইরাসে নতুন কোষের টিকে থাকার সংখ্যা বেড়েছে। এই পর্যায়ে হরমোন প্রয়োগের ফল টানা ৩০ দিনের প্রয়োগের মতোই কার্যকর ছিল। বিপরীতে, প্রথম ১৫ দিনে টেস্টোস্টেরন প্রয়োগের ক্ষেত্রে শেষ পর্যায়ে কোষের টিকে থাকার উল্লেখযোগ্য সুবিধা পাওয়া যায়নি।

ঘুম ও বিষণ্নতা জড়িয়ে আছে আষ্টেপৃষ্ঠে night sleep

এখানে গবেষণাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, টেস্টোস্টেরন নতুন কোষ তৈরির প্রাথমিক প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার পরিবর্তে সেগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। ব্রোমোডিঅক্সিউরিডিন দিয়ে চিহ্নিত কোষের প্রায় ৮৫ শতাংশ শেষ পর্যন্ত স্নায়ুকোষে পরিণত হয়েছিল। টেস্টোস্টেরন এই অনুপাত পরিবর্তন করেনি। অর্থাৎ, হরমোনটি কোষগুলোকে অন্য কোনো ধরনের কোষে পরিণত করার বদলে তাদের টিকে থাকার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে—এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

তবে এই প্রভাব মস্তিষ্কের সব অঞ্চলে সমান ছিল না। টেস্টোস্টেরনের উল্লেখযোগ্য প্রভাব পাওয়া গেছে হিপোক্যাম্পাসের ডরসাল অংশে; ডেন্টেট গাইরাসের সামনের অংশে তেমন প্রভাব দেখা যায়নি। মস্তিষ্কের এই সামনের অংশটি মানসিক চাপ ও উদ্বেগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। ফলে ফলাফলটি ইঙ্গিত দেয়, হরমোনটির প্রভাব নির্দিষ্ট মস্তিষ্কাঞ্চল এবং কোষের বিকাশের পর্যায়ের ওপর নির্ভর করতে পারে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে পুরুষদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কমতে পারে। মেডিক্যাল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হ্রাস স্মৃতিশক্তির অবনতি ও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে আগের গবেষণাগুলোতে দেখা গেছে। তবে এই সম্পর্কের অর্থ এই নয় যে টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়াই সরাসরি স্মৃতিশক্তি হ্রাস বা ডিমেনশিয়ার কারণ। নতুন গবেষণাটিও মানুষের মধ্যে এমন কোনো কারণগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেনি।

গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যতে আলঝেইমারসহ স্নায়ুর ক্ষয়জনিত রোগ মোকাবিলায় নতুন সম্ভাবনা অনুসন্ধানের পথ খুলে দিতে পারে। নতুন স্নায়ুকোষকে দীর্ঘ সময় বাঁচিয়ে রাখার প্রক্রিয়া বোঝা গেলে স্মৃতি ও শেখার সঙ্গে সম্পর্কিত মস্তিষ্কের কার্যক্রম সুরক্ষার নতুন উপায় খুঁজে পাওয়া সম্ভব হতে পারে। তবে বর্তমান গবেষণাটি পুরুষ ইঁদুরের ওপর পরিচালিত হয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে একই ফল পাওয়া যাবে কি না, তা এখনো অজানা। টেস্টোস্টেরন প্রয়োগের নিরাপত্তা, উপযুক্ত মাত্রা এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বিবেচনায় নিতে হবে।

বিষয়: ইঁদুরগবেষণামানুষবিজ্ঞানীপুরুষমানসিক স্বাস্থ্যমস্তিষ্ক
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।

  • ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ‘ব্রেইন ফেড’ শটে মুশফিকের জায়গা আরও পোক্ত করলেন হৃদয়?

    ক্রিকেটীয় পরিভাষায় ‘ব্রেইন ফেড’ খুবই পরিচিত একটি শব্দ। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে যারা সম্যক পরিচিত, তাদের কাছে ২০১৯ বিশ্বকাপে মুশফিকুর রহিমের সেই রানআউট মিস ছিল তেমনই এক ঘটনা।