Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

ইউরোফাইটার টাইফুন কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, কতটা শক্তিশালী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১: ১৫
ইউরোফাইটার টাইফুন কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, কতটা শক্তিশালী

ইতালি থেকে অত্যাধুনিক ইউরোফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে ইতালির প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান লিওনার্দো এসপিএর সঙ্গে একটি আগ্রহপত্র সই করেছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।

Advertisement

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, টাইফুন সংগ্রহের এই উদ্যোগ বিমান বাহিনীর সম্মুখ সারির সক্ষমতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মাল্টি–রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট হিসেবে এই যুদ্ধবিমান যুক্ত হলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা আরও শক্তিশালী হবে।

ইউরোফাইটারের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সুইং-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট-অর্থাৎ একই সময়ে আকাশ ও স্থলভাগ উভয় ক্ষেত্রেই আঘাত হানার সক্ষমতা আছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান ও কাতারের বিমান বাহিনীর হাতে রয়েছে টাইফুন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ইউরোপের চার দেশ-যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি ও স্পেনের যৌথ কনসোর্টিয়াম এ যুদ্ধবিমান তৈরি করে। প্রকল্পটির পেছনে আছে এয়ারবাস, বিএই সিস্টেমস ও লিওনার্দোর মতো শীর্ষ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ইউরোফাইটার টাইফুনের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এটি একটি টুইন-ইঞ্জিন, ক্যানার্ড-ডেল্টা উইং মাল্টিরোল ফাইটার। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান একে সম্পূর্ণ সুইং-রোল কমব্যাট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও লিওনার্দো এসপিএ ইতালির মধ্যে এলওআই স্বাক্ষরিত। ছবি: আইএসপিআর
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও লিওনার্দো এসপিএ ইতালির মধ্যে এলওআই স্বাক্ষরিত। ছবি: আইএসপিআর

শত্রু বিমানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টাইফুনের গতি, সেন্সর, ডগফাইটিং ক্ষমতা এবং উন্নত মিসাইল ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

গাইডেড বোমা, প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল এবং রিয়েল-টাইম ব্যাটেলফিল্ড ডেটা সাপোর্ট এসবের সমন্বয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতেও এটি অত্যন্ত কার্যকর।

কেবল আক্রমণ নয়-গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক চিত্র তৈরি করতেও টাইফুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

যুদ্ধবিমানটির বাইরের আবরণের মাত্র ১৫ শতাংশ ধাতব, ফলে রাডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনা কম। একই সঙ্গে এটি সাবসনিক গতিতে অত্যন্ত চটপটে, আর সুপারসনিক গতিতে আক্রমণাত্মক।

কম্পোজিট উপকরণ ব্যবহারের ফলে এয়ারফ্রেম ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হালকা, যা রেঞ্জ, পারফরম্যান্স ও স্টেলথ সুবিধা বাড়ায়।

এতে রয়েছে উচ্চমানের ইজে২০০ ইঞ্জিন-যা নির্ভরযোগ্যতা ও টেকসই পারফরম্যান্সের জন্য স্বীকৃত।

যুদ্ধবিমানটি পাঁচ হাজার থেকে সাড়ে সাত হাজার লিটার পর্যন্ত পর্যন্ত জ্বালানি বহন করতে পারে।

এই যুদ্ধবিমান নিকট দূরত্ব থেকে লং রেঞ্জ-সব ধরনের এয়ার-টু-এয়ার এবং এয়ার-টু-সারফেস অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।

যুদ্ধবিমানের পাইলটের জন্য রয়েছে অ্যান্টি–জি ট্রাউজার, প্রেশারড গার্মেন্ট, লিকুইড কুলিং সিস্টেম, এমনকি নিউক্লিয়ার ও কেমিক্যাল সুরক্ষাও।

টাইফুন মূলত চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান হলেও ধারাবাহিক আধুনিকায়নের কারণে একে অনেক বিশেষজ্ঞ ৪.৫ প্রজন্ম বা ‘উন্নত চতুর্থ প্রজন্ম’ বলে থাকেন।

অত্যাধুনিক ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশeurofighter typhoon

এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী যুদ্ধবিমানগুলো হলো ফ্রান্সের দাসো রাফাল, সুইডেনের সাব গ্রিপেন ই/এফ, যুক্তরাষ্ট্রের এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট ও এফ-১৬ ব্লক ৭০/৭২।

চলতি বছর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে ২০টি টাইফুন কিনতে চুক্তি করেছে তুরস্ক, যার মূল্য প্রায় ৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন পাউন্ড।

টাইফুন শুধু দ্রুততম নয়, এটি একইসঙ্গে আক্রমণ, নজরদারি, প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ-সব ক্ষেত্রেই শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম। বাংলাদেশ যদি এই যুদ্ধবিমান বহরে যুক্ত করতে পারে, তাহলে আঞ্চলিক আকাশ প্রতিরক্ষায় সম্পূর্ণ নতুন বাস্তবতা তৈরি হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোফাইটার টাইফুন যেকোনো আধুনিক বিমান বাহিনীর জন্য একটি শক্তিশালী ও সময়োপযোগী ফাইটার জেট। যদি বাংলাদেশ এটি বহরে যুক্ত করতে পারে, তাহলে এটি হবে আকাশ প্রতিরক্ষায় বাংলাদেশেরসক্ষমতা ও নিরাপত্তার এক নতুন অধ্যায়।

বিষয়: যুদ্ধবিমানসৌদি আরববাংলাদেশঅস্ট্রেলিয়াবিমান বাহিনীজার্মানি
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

    ঢাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের তিন দিন পরও মৃত্যুরহস্যের কূলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। এর মধ্যে তাহসিফের বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্য নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। পিবিআইকে দেওয়া তথ্যে দীপ জানিয়েছেন, টঙ্গীর মাজার বস্তিতে তাদের কয়েক

  • সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    সাকিব-তামিমরা নেই, তবুও কেন স্পিন উইকেটে আস্থা বাংলাদেশের?

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে মিরপুরের উইকেট বরাবরই এক ধাঁধাঁর বিষয়। বিশেষ করে স্পিন নির্ভর কন্ডিশনে প্রতিপক্ষকে ফাঁদে ফেলার কৌশল হিসেবে ধীরগতির ও অতিরিক্ত টার্নিং উইকেট ব্যবহারের প্রবণতা প্রায় এক যুগ ধরে চলে আসছে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে সেই কৌশলই বাংলাদেশের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়ি

  • মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানব মস্তিষ্ক বিকাশের এক জটিল রহস্যের দরজা খুলেছে

    মানবমস্তিষ্কের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বিপুলসংখ্যক জিনগত ত্রুটিযুক্ত স্নায়ুকোষ বা নিউরন অপসারিত হয়। জন্মের সময়ের কাছাকাছি এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক যেন নিজের কোষগুলোর গুণগত মান যাচাই করে অপ্রয়োজনীয় বা ত্রুটিপূর্ণ কোষ সরিয়ে দেয়। নেচার সাময়িকীতে গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত একটি গবেষণায় মানুষের

  • মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    মঙ্গলের ৪১০ কোটি বছরের পুরনো উল্কাপিণ্ডে প্রাচীন জলময় পরিবেশের সন্ধান

    টেঘাজা ০০১-এর আবিষ্কার মঙ্গল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে—গ্রহটি সব সময় বর্তমানের মতো শীতল ও শুষ্ক ছিল না। তার জন্মলগ্নে সেখানে পানি, আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ এবং তুলনামূলক ঘন বায়ুমণ্ডলসহ ভিন্ন এক পরিবেশ থাকতে পারে।