Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ থাকবে চরম তাপমাত্রায়, বাংলাদেশের ক্ষতি কতটা?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ৪৯
২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ থাকবে চরম তাপমাত্রায়, বাংলাদেশের ক্ষতি কতটা?

প্রাক শিল্পযুগের তুলনায় বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়, তাহলে আগামী ২৫ বছরের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেক মানুষ চরম তাপমাত্রার মধ্যে বসবাস করবে বলে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে করা এক নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে। আর তাপমাত্রার এই বৃদ্ধির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশেরও নাম।

Advertisement

গতকাল সোমবার গবেষণাটি নেচার সাসটেইনেবিলিটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এই গবেষণা পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। গবেষণার শিরোনাম হলো, ‘Global gridded dataset of heating and cooling degree days under climate change scenarios’।

গবেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, প্যারিস চুক্তিতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা এক দশমিক ৫ ডিগ্রির মধ্যে সীমিত রাখার কথা বলা হলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ২০১০ সালে বিশ্বের ২৩ শতাংশ মানুষ চরম তাপের মধ্যে বসবাস করলেও আগামী কয়েক দশকে বেড়ে ৪১ শতাংশে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের করা এই গবেষণার ফলাফল বিশ্বের জন্য চরম উদ্বেগজনক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, নাইজেরিয়া, দক্ষিণ সুদান, লাওস এবং ব্রাজিলে বিপজ্জনক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি হবে বলে গবেষণায় পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনের জনগণ।

গবেষণা বলছে, শীতপ্রধান দেশগুলোতেও উষ্ণতার স্থায়িত্ব তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি বাড়বে, কিছু ক্ষেত্রে দ্বিগুণেরও বেশি।

এতে আরও বলা হয়েছে, ২০০৬ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে প্রাক-শিল্পযুগের তুলনায় গড় তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছিল। এই তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে অস্ট্রিয়া ও কানাডায় উষ্ণদিন হবে দ্বিগুণ।

এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডে ১৫০ শতাংশ, নরওয়েতে ২০০ শতাংশ এবং আয়ারল্যান্ডে ২৩০ শতাংশ পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। এসব দেশের অবকাঠামো মূলত ঠান্ডা আবহাওয়ার উপযোগী হওয়ায়, তাপমাত্রার মাঝারি বৃদ্ধিও তুলনামূলকভাবে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধির পথে বাধা তাপপ্রবাহheatwave 1

অক্সফোর্ডের ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং গবেষণার প্রধান লেখক ড. জেসুস লিজানা বলেন, “শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ও উষ্ণায়নের চাহিদায় বেশিরভাগ পরিবর্তন এক দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমায় পৌঁছানোর আগেই ঘটে যাবে। তাই দ্রুত অভিযোজনমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই অনেক বাড়িতে এয়ার কন্ডিশনার বসানোর প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে তাপমাত্রা এরপরও বাড়তেই থাকবে।”

ড. জেসুসের পরামর্শ, ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-জিরো কার্বন নির্গমন অর্জন করতে হলে ভবন খাতকে ডিকার্বনাইজ করার পাশাপাশি আরও কার্যকর ও সহনশীল অভিযোজন কৌশল গড়ে তুলতে হবে।

অক্সফোর্ড মার্টিন ফিউচার অব কুলিং প্রোগ্রামের প্রধান ও স্মিথ স্কুল অব এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড দ্য এনভায়রনমেন্টের সহযোগী অধ্যাপক ড. রাধিকা খোসলা বলেন, “আমাদের এই গবেষণাকে সতর্কবার্তা হিসেবে নেওয়া উচিত। বৈশ্বিক তাপমাত্রা এক দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমা অতিক্রম করলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অভিবাসনসহ সব ক্ষেত্রেই নজিরবিহীন প্রভাব পড়বে।”

তার পরামর্শ, টেকসই নেট-জিরো উন্নয়নই একমাত্র পথ, যা ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার এই প্রবণতা থামাতে পারে। রাজনীতিবিদদের দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, চরম তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার জন্য জ্বালানির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং এর সঙ্গে বাড়বে সংশ্লিষ্ট নির্গমনও। বিপরীতে, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের মতো দেশে হিটারের চাহিদা কমে যাবে।

এদিকে, বিশ্ব যখন অপরিবর্তনীয় জলবায়ু ক্ষতি, সংঘাত ও বাস্তুচ্যুতির জটিল বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে, তখন জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশে কোনো দূরবর্তী ধারণা নয়, বরং প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা। ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, বন্যা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং নদী ভাঙনে লাখো মানুষ স্থানচ্যুত হচ্ছে। কৃষি, স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে। উপকূল থেকে হাওর সব জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। এই সংকটকে আরও প্রকট হয়ে উঠছে নতুন এই গবেষণার ফলাফলে।

বিষয়: বাংলাদেশজলবায়ু পরিবর্তনতাপমাত্রাজলবায়ুগবেষণাঅক্সফোর্ড
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ