Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

‘হতাশ’ সেনাদের নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ছে সেই মার্কিন রণতরি, কারণ কী

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৯
‘হতাশ’ সেনাদের নিয়ে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ছে সেই মার্কিন রণতরি, কারণ কী
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ২৬৬ দিন মোতায়েন থাকার পর দেশে ফিরতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ২০০ দিন তারা যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান করেছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হাং কাও।

Advertisement

দীর্ঘ সময় ধরে রণতরীটি মোতায়েন থাকায় নাবিকদের মধ্যে মনোবল কমে যাওয়া ও মানসিক স্বাস্থ্যের উদ্বেগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব প্রতিবেদন নিয়ে কংগ্রেসের সদস্য এবং জাহাজে কর্মরত নাবিকদের পরিবারের সদস্যরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক গালফ নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

কাও বলেন, পরিকল্পিত রোটেশনের অংশ হিসেবে আব্রাহাম লিংকন শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে ফিরবে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাহাজের নাবিকদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা সবসময় অগ্রাধিকার পেয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

কাও বলেন, “মিশনের প্রয়োজনেই লিংকনের মোতায়েনের সময় বাড়ানো হয়েছিল। মোতায়েনের সময়টা কঠিন। আর যুদ্ধ পরিচালনা করলে সেটি আরও কঠিন হয়ে যায়।”

দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েন নিয়ে উদ্বেগ

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের সময় আমেরিকান অভিযানকে সমর্থন করতে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানোর পর আব্রাহাম লিংকন ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে মোতায়েন রয়েছে। যুদ্ধটি এখন ষষ্ঠ মাসে পড়েছে।

২০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে রণতরীটি কোনো বন্দরে নোঙর করেনি।

কাও বলেন, ‘‘জাহাজের নাবিকদের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এর মধ্যে তাজা খাবারের সরবরাহ না থাকায় খাবারের তালিকায় পরিবর্তন এবং উচ্চ মাত্রার সামরিক হুমকির সময় পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলার ওপর বিধিনিষেধও ছিল।’’

তিনি জানান, মোতায়েনের সময় অল্পসংখ্যক নাবিক মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যার চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ সময় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।

কাও বলেন, “অপারেশনাল হুমকি যখন অত্যন্ত বেশি ছিল, তখন বাড়িতে ফোন করার সুযোগ সীমিত করা হয়েছিল।”

ট্রাম্পের বিমান বদল: ইরানের হুমকি, নাকি ইসরায়েলের বিভ্রান্তিকর তথ্য?trump new

সিএনএন আরও জানিয়েছে, গত মাসে একজন নাবিক রণতরী থেকে পানিতে পড়ে যান। তবে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসা মূল্যায়ন করা হয়। ওই ঘটনার বিস্তারিত অর্থাৎ নাবিকটি পরে আবার দায়িত্বে ফিরেছিলেন কি না অথবা তাকে অন্যত্র চিকিৎসার জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

হাজার হাজার সামরিক অভিযান

আব্রাহাম লিংকন গত নভেম্বর মাসে সান দিয়েগোর নিজস্ব ঘাঁটি থেকে যাত্রা শুরু করে। পরে এটিকে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানো হয়।

কাও বলেন, মোতায়েনের সময় রণতরীটি ১০ হাজারেরও বেশি বিমান অভিযান পরিচালনা করেছে এবং ১৫ লাখ পাউন্ড (প্রায় ৬৮০ টন) অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিক্ষেপ করেছে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরীগুলোর মধ্যে এই জাহাজের ক্রু ধরে রাখার হার অন্যতম সর্বোচ্চ।

কাও বলেন, “এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমাদের তরুণ নারী-পুরুষদের তাদের সক্ষমতার চরম সীমায় ঠেলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কখনো ভেঙে পড়েনি।”

তিনি স্বীকার করেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ মোতায়েনের ফলে অনিশ্চয়তা ও স্বাভাবিক জীবনে ব্যাঘাত তৈরি হয়। তাই সামরিক নেতৃত্বকে অভিযান পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সেনাসদস্যদের কল্যাণের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে।

কাও নাবিক ও মেরিনদের ‘ভুক্তভোগী’ হিসেবে বর্ণনা করার বিষয়টিও প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ এই মোতায়েনের পুরো সময় তারা এবং তাদের পরিবার দৃঢ়তা ও সাহসের পরিচয় দিয়েছে।

কাও বলেন, “তাদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাই সবসময় প্রথম অগ্রাধিকার।”

তিনি আরও জানান, দেশে ফেরার পর আব্রাহাম লিংকনের ক্রুদের জন্য “বীরোচিত সংবর্ধনা” আয়োজন করা উচিত।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রমধ্যপ্রাচ্যযুদ্ধজাহাজযুদ্ধবিমানঅভিযাননাবিকবিমাননৌবাহিনীসিএনএনইরান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ