Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

কোকাকোলাকে টেক্কা দিতে তাদের পথেই হাঁটছে পেপসি

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ২১: ৩২
কোকাকোলাকে টেক্কা দিতে তাদের পথেই হাঁটছে পেপসি

ব্যবসায়িক জগতে কোকাকোলা ও পেপসির মতো এত তীব্র এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতা খুব কমই দেখা যায়। এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এই দুই পক্ষ কোমল পানীয়র বাজারে আধিপত্য বিস্তারের জন্য লড়ে যাচ্ছে। আর এই লড়াইয়ে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে রসাত্মক বিজ্ঞাপন, সাহসী প্রচারণামূলক স্টান্ট এবং তাদের চিরাচরিত কোলার নতুন, মাঝেমধ্যে বিপর্যয়কর সংস্করণ।

Advertisement

সময়ের সাথে সাথে অবশ্য কোম্পানি দুটি ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। রিসার্চ ফার্ম বেভারেজ ডাইজেস্ট-এর তথ্যমতে, আমেরিকান সফট ড্রিংক মার্কেটের ১৭ শতাংশ কোকাকোলার বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দখলে, যেখানে পেপসির দখলে মাত্র ১১ শতাংশ। কিন্তু পেপসি এখন তাদের আয়ের অর্ধেকেরও বেশি পায় প্যাকেটজাত খাবার থেকে, যার মধ্যে লে’স ও কোয়েকার ওটসের মতো ব্র্যান্ডগুলো অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া কোকাকোলা প্রায় এক দশক আগে তাদের আমেরিকান বোতলজাতকরণ কার্যক্রম বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির হাতে ফিরিয়ে দিলেও, পেপসি তাদের নিজ দেশে পানীয় উৎপাদন প্রক্রিয়া নিজেদের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছে।

স্যামসাং কি আগের সেই রমরমা ব্যবসায় ফিরতে পারবে?samsung

তবে শিগগিরই এই সব কিছু বদলে যেতে পারে–এমনটাই জানা গেছে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদন থেকে। পেপসি এখন ব্যবসায়িক পরিস্থিতি পরিবর্তনের এমন এক প্রচেষ্টা শুরু করেছে, যা অনেকাংশেই তাদের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বীর আদলে নিজেদের গড়ে তোলার ওপর নির্ভর করছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

গত কয়েক বছর কোকাকোলার জন্য বেশ চাঙা কাটলেও পেপসির অবস্থা তুলনামূলক ম্লান। ২০২৩ সালের শুরু থেকে কোকাকোলার বাজারমূল্য ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে পেপসির মূল্য কমেছে ১৫ শতাংশ। পেপসির এই সংকটের আংশিক কারণ হলো, করোনাভাইরাস অতিমারি-পরবর্তী মুদ্রাস্ফীতির সময় তাদের খাবার ও পানীয়ের দাম অত্যধিক বাড়ানো, যা তাদের প্রতিযোগীদের তুলনায়ও বেশি ছিল। এই কৌশলটি সম্প্রতি হিতে বিপরীত হয়েছে। কারণ খরচ নিয়ে সচেতন ক্রেতারা এখন নতুন ব্র্যান্ড বা খুচরা বিক্রেতাদের নিজস্ব কম দামি পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন।

দ্য ইকোনমিস্ট বলছে, ভোক্তাদের ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যসচেতনতাও পেপসিকে বেশ ভোগাচ্ছে। অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়ে অস্বস্তি যেমন স্ন্যাকস ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, তেমনি ওজন কমানোর ওষুধের জনপ্রিয়তাও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কনসালটেন্সি ফার্ম ‘অ্যালিক্স পার্টনার্স’-এর মতে, আমেরিকায় যারা এই ওষুধগুলো নিচ্ছেন, তারা কোমল পানীয় কেনা প্রায় ৭ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছেন। বিষয়টি পেপসিকে কোকাকোলার তুলনায় অসুবিধাজনক অবস্থানে ফেলে দিয়েছে; কারণ চিনিমুক্ত কোলার বাজারে কোকাকোলা অনেক এগিয়ে। বর্তমানে মার্কিনিরা ডায়েট পেপসির তুলনায় প্রায় ২.৫ গুণ বেশি ডায়েট কোক পান করেন। এ ছাড়া প্রোটিন শেকের বাজারেও কোকাকোলা অনেক আগে থেকেই নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।

চিনিমুক্ত কোলার বাজারে পেপসির চেয়ে কোকাকোলা অনেক এগিয়ে। ছবি: রয়টার্স
চিনিমুক্ত কোলার বাজারে পেপসির চেয়ে কোকাকোলা অনেক এগিয়ে। ছবি: রয়টার্স

গত সেপ্টেম্বরে পেপসি বড় ধরনের একটি ধাক্কা খায় ‘এলিয়ট ম্যানেজমেন্ট’-এর পক্ষ থেকে। এই সক্রিয় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক ৪ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার কিনে পেপসিকে একটি চিঠি দেয়। চিঠিতে তারা অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি পেপসিকে খরচ কমানো, পণ্যের তালিকা সংক্ষিপ্ত করা, তাদের মূল সোডা ব্র্যান্ডগুলোর বিপণনে মনোযোগ দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের বোতলজাতকরণ কার্যক্রম আউটসোর্স বা বাইরের প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানায়।

যদিও পেপসি তাদের পরিচালনা পর্ষদে এই হেজ ফান্ডের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার চেষ্টা প্রতিহত করেছে, তবে এলিয়টকে শান্ত করতে তারা বিভিন্ন পদক্ষেপে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পণ্যের দাম কমানো, তাদের স্ন্যাকস ব্র্যান্ডগুলোর এক-পঞ্চমাংশ ছাঁটাই করা এবং কিছু কারখানা বন্ধ করে দেওয়া। এ ছাড়া কোয়েকার ওটসের মতো আশানুরূপ পারফরম্যান্স না করা ব্র্যান্ডগুলোকেও শিগগিরই বিক্রি করে দেওয়া হতে পারে। আর বোতলজাতকরণ ব্যবসা আলাদা করার বিষয়ে কোম্পানিটি এখনও খুব একটা আগ্রহী না হলেও, আমেরিকার কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এটি করার কথা বিবেচনা করছে।

কৌশলের এই পরিবর্তনের সুফল পাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলো ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। গত ১৬ এপ্রিল পেপসি জানিয়েছে যে, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে তাদের পরিচালন মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ২৮ এপ্রিল কোকাকোলার ঘোষিত ১৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম কোমল পানীয় বিক্রেতা হিসেবে পেপসির জায়গা ‘ডক্টর পেপার’ দখল করে নিতে পারে-এমন আশঙ্কাও এখন কমে এসেছে। গত বছরের মে মাসে ২ বিলিয়ন ডলারে ‘পপি’ নামক একটি জনপ্রিয় প্রিবায়োটিক সোডা ব্র্যান্ড অধিগ্রহণ করাটাও তাদের পানীয় বিক্রির বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। কোমল পানীয় জগতের এই দুই দানবের লড়াই যে এখনো শেষ হওয়ার নয়, তা বলাই বাহুল্য।

বিষয়: ব্যবসাবিশ্লেষণস্বাস্থ্যঝুঁকিস্বাস্থ্যদ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনব্যালান্স ডায়েটকোকাকোলা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ২

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৩

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৪

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

  • ৫

    চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরছেন, এক মাসের ঘাটতি মিটবে কীভাবে?

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ