Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর বিয়ে নিয়ে শঙ্কায় ভারতীয়রা!

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৫, ১৯: ৪৯
ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পর বিয়ে নিয়ে শঙ্কায় ভারতীয়রা!

ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের বাসিন্দা সিধি শর্মা। স্বপ্ন দেখতেন আমেরিকায় উচ্চ-পদস্থ চাকরি করেন এমন কোনো ভারতীয় নাগরিককে বিয়ে করে সেখানেই থেকে যাবেন। তবে মেডিকেল ছাত্রী সিধি শর্মার সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে । কারণ, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতি।

Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে সিধি বলেন, আমি বিয়ের পর আমেরিকায় থাকার স্বপ্ন দেখতাম। ট্রাম্প আমার জন্য সেই দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন।

ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতি বিশেষ করে এইচ-১বি ভিসা নিয়ে জটিলতা বাড়ার পর ভারতীয়দের মধ্যে আমেরিকায় যাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভারতীয়দের শঙ্কা, এই কড়াকড়ির ফলে ভারতীয় আমেরিকান পরিবারগুলো ভারতে থাকা কারও সঙ্গে তাদের সন্তানদের বিয়ে দিতে দ্বিধা করছে। সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী যেকোনো সময় চাকরি বা অভিবাসন স্ট্যাটাস হারাতে পারেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ম্যাট্রিমনিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান 'ভাওস ফর ইটারনিটি'-এর প্রতিষ্ঠাতা অনুরাধা গুপ্তা রয়টার্সকে বলেন, অভিবাসন নীতিগুলো হয়তো ওয়াশিংটন থেকে লেখা হয় কিন্তু এর প্রভাব দেখা যায় ভারতীয় পরিবারগুলোর রাতের খাবারের টেবিলে। ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত ভারতের সামাজিক কাঠামোয় ঢুকে বিয়ের মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকেও প্রভাবিত করছে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, এইচ-১বি ভিসার আবেদন যারা করবেন, তাদের ১ লাখ মার্কিন ডলার ফি দিতে হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নির্বাহী আদেশে বলা হয়, যারা প্রথমবারের মতো এইচ-১বি ভিসার জন্য আবেদন করবেন এবং বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে আছেন, তাদের জন্য এককালীন ১ লাখ ডলার ফি দিতে হবে।

এক দশক আগেও ভারতের মধ্যবিত্ত ও উচ্চ-মধ্যবিত্ত সমাজে একজন আমেরিকান গ্রিন কার্ডধারী পাত্র বা পাত্রীর মূল্য ছিল আকাশছোঁয়া। আমেরিকার জীবন মানে ছিল আর্থিক নিরাপত্তা, উন্নত জীবনযাত্রা এবং ভারতে সামাজিক মর্যাদা। এসব ব্যাপার বিবাহযোগ্য পাত্র-পাত্রীর জীবনসঙ্গী খোঁজার ক্ষেত্রে একটি প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হত।

নতুন নীতির ফলে উচ্চ ফি এবং ভিসা অনুমোদনের অনিশ্চয়তা এখন প্রবাস জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। পাত্র-পাত্রী এবং তাদের অভিভাবকরা দেখছেন, যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার চেয়ে ভারতের ভেতরে অথবা পশ্চিমা অন্য কোন স্থিতিশীল দেশে মনোযোগ দেওয়া ভালো।

প্রতিবেদনটিতে বিবাহ বিষয়ক ওয়েবসাইট এবং ঘটকদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এখন অনেক পরিবারই স্পষ্টভাবে এমন পাত্র বা পাত্রী খুঁজছে যারা হয় ভারতেই ভালো বেতনের চাকরিতে আছেন অথবা অন্য কোনো দেশে চাকরিতে আছেন।

ট্রাম্পের কড়াকড়ি নীতিকে ভারত সরকার মানবিক বিপর্যয় বলে অভিহিত করেছে। তারা আমেরিকান কর্তৃপক্ষকে এটি পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জানিয়েছে।

বিষয়: অভিবাসন প্রত্যাশীআমেরিকাপ্রবাসীডোনাল্ড ট্রাম্পঅভিবাসনঅভিবাসীভারতীয়যুক্তরাষ্ট্রভিসা নীতিভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ