Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ
ইকোনমিস্টের নিবন্ধ

বাংলাদেশের বিপ্লব ফলপ্রসূ হবে?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৪৩
বাংলাদেশের বিপ্লব ফলপ্রসূ হবে?

২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস। তখন তিনি জাতিকে নতুন করে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ছাত্রনেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগের পতনের পর ক্ষুদ্রঋণের পথিকৃৎ ইউনূসের ক্ষমতায় আসার সুযোগ তৈরি হয়।

Advertisement

শেখ হাসিনা ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে ক্রমশ আরও স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিলেন। দুর্বল করে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, আর শেষ করছিলেন দেশের রিজার্ভ। তার পতনে বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক মহলে গণতন্ত্রের বিজয় উদযাপিত হয়। সবাই আশা করেছিল, শেখ হাসিনার পতন দেশকে নতুন পথে নিয়ে যাবে।

ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে পতন হয় শেখ হাসিনার। ফাইল ছবি
ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনে পতন হয় শেখ হাসিনার। ফাইল ছবি

কিন্তু সেই নতুন ভোর শিগগিরই অনিশ্চয়তার কুয়াশায় ঢাকা পড়তে থাকে। ২০২৫ সালের বড় অংশজুড়েই বাংলাদেশ রাজনৈতিক অস্থিরতায় আটকে ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার গণতান্ত্রিক সংস্কারের ঘোষণা দিলেও তার বাস্তবায়ন ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও বড় উদ্বেগ হলো প্রতিশোধমূলক রাজনীতির আরেকটি চক্রে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি। সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক মহল আওয়ামী লীগের শাসনামলে হওয়া নির্যাতনের বিচার চাইছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী সমর্থকদের প্রতি অন্যায় আচরণ করছে; অনেককে বিনা বিচারে আটক রাখা হচ্ছে। নিরাপত্তার অজুহাতে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনৈতিক ইতিহাসকেই যেন স্মরণ করিয়ে দেয়।

তবে আশার কথা, ২০২৬ সালের শুরুতেই বাংলাদেশে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটাই হবে দেশের জনগণের এক বড় বিজয়। ২০২৪ সালে দেশটিতে হওয়া সবশেষ সংসদ নির্বাচন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের চোখে ছিল ব্যাপকভাবে অনিয়মপূর্ণ। যেখানে কার্যত বিরোধীরা ছিল না, আর ভোটার উপস্থিতি ছিল মাত্র ৪০ শতাংশ।

বাংলাদেশের মানুষ আশা করছে, এবারের ভোট দেশে স্থিতিশীলতার নতুন অধ্যায় শুরু করবে। তবে শঙ্কাও আছে, নতুন সরকার পুরনো সমস্যা সামনে আনতে পারে। জরিপে এগিয়ে থাকা বিএনপি দুর্নীতির অভিযোগে বিতর্কিত। একই সঙ্গে বিতর্ক রয়েছে জামায়াতে ইসলামীকে নিয়েও। তাদের বিরুদ্ধে অতীতে চরমপন্থীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হন মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি
শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হন মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি

ক্ষমতায় যেই আসুক, তাদের সামনে থাকবে বিশাল অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। একসময় দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত তৈরি পোশাক শিল্প এখন আমেরিকার শুল্ক বাড়ানোর কারণে ধাক্কা খাচ্ছে। বেকারত্ব বেড়েই চলেছে, বিশেষত তরুণদের মধ্যে।

পররাষ্ট্রনীতিতেও কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়েছে বাংলাদেশের সামনে। ইউনূসের সময়ে বাংলাদেশ চীনের দিকে ঝুঁকেছে। দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য, অবকাঠামো ও প্রতিরক্ষায় একের পর এক চুক্তি হয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়েছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র ভারত। পাশাপাশি মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিয়ে চলমান মানবিক সংকটও নতুন নেতৃত্বকে দ্রুত সমাধান করতে হবে। আমেরিকার সহায়তা কমে আসায় এই ভার সামলানো আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের স্বপ্নময় যাত্রা মাত্র চার বছরেই সামরিক অভ্যুত্থানের কারণে থমকে যায়। আজকের বাংলাদেশি জনগণ আশায় বুক বাঁধছে জাতির এই দ্বিতীয় জাগরণ আগেরবারের মতো দ্রুত নিভে যাবে না, বরং টেকসই ভবিষ্যতের পথে পথ দেখাবে।

**দ্য ইকোনমিস্টের এশিয়া করেসপন্ডেন্ট ও নিউজ এডিটর বিষ্ণু পদ্মনাভের লেখা ইংরেজি থেকে অনুবাদ করে প্রকাশিত**

বিষয়: বাংলাদেশমুক্তিযুদ্ধআওয়ামী লীগঅন্তর্বর্তীকালীন সরকারঅন্তর্বর্তী সরকারঅভ্যুত্থান
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ