Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

উচ্চশিক্ষায় কেন এশিয়ার দিকে ঝুঁকছে শিক্ষার্থীরা

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০২৫, ২০: ৫৩
উচ্চশিক্ষায় কেন এশিয়ার দিকে ঝুঁকছে শিক্ষার্থীরা

বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীরা সাধারণত চোখ রাখে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন ও কানাডার মতো পশ্চিমা দেশগুলোর দিকে। এই "বিগ ফোর" দেশগুলো মেধাবী তরুণ-তরুণীদের শুধু আকর্ষণই করত না, বরং প্রচুর অর্থও উপার্জন করত। তবে সেই চিত্র বদলাতে শুরু করেছে।

Advertisement

ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকনোমিস্টের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পূর্ব এশিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নতুন গন্তব্য হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার বিষয়টি। বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে বড় দেশগুলো এড়িয়ে চলার প্রবণতা বেড়েছে। ২০২০ সালে যা ছিল প্রায় ৪০%, সেটি এখন কমে ৩৫%–এ দাঁড়িয়েছে। উচ্চশিক্ষা প্রত্যাশী এশীয় শিক্ষার্থীরা এখন ঘরের কাছের গন্তব্যগুলোতেই বেশি আগ্রহী হচ্ছে।

পশ্চিমা দেশগুলো বিশেষ করে আমেরিকাতে ভিসা ও অভিবাসন আইনে এখন অনেক বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এতে করে শিক্ষার্থীরা পশ্চিমা দেশ এড়িয়ে অন্য গন্তব্য খোঁজার চেষ্টা করছে। ইকনোমিস্টের প্রতিবেদনে একজন শিক্ষার্থী ইয়াং–এর কথা বলা হয়। তিনি ২০২২ সালে করনেল ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক পাশ করেন। পিএইচডি’র জন্য আমেরিকাকে এড়িয়ে সিঙ্গাপুরকে বেছে নেন তিনি। তার মতে, সিঙ্গাপুরে তাকে "নিয়মিত কাগজপত্র নিয়ে চিন্তা করতে হয় না" এবং তিনি চীনের হুবেইতে থাকা পরিবারেরও কাছাকাছি থাকতে পারছেন।

অন্যদিকে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সাইমন মার্গিনসন বলেন, পূর্ব এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গত কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে ক্রমাগত উপরে উঠছে। ফলে এখানকার ডিগ্রিগুলোর মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় এশিয়ার অনেক দেশে পড়াশোনার খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একজন শিক্ষা পরামর্শক এ বিষয়ে ইকনোমিস্ট’কে বলেন, একসময় তার কাছে কেবল 'বিগ ফোর' ঘরানার দেশ নিয়েই জিজ্ঞাসা আসত, কিন্তু এখন তিনি জাপান, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়া নিয়ে বেশি প্রশ্ন পাচ্ছেন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় অনেক এশীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপলব্ধি করেছেন যে, বাড়ির কাছাকাছি থাকাটা বেশি ভালো। অভিভাবকেরা পশ্চিমা দেশগুলোকে অনিরাপদ ও অপ্রত্যাশিত বলেও মনে করছেন। ব্রিটিশ কাউন্সিলের দেওয়া তথ্য অনুসারে, ২০১৬ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পূর্ব এশিয়ার জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোতে এশীয় শিক্ষার্থীদের পরিমাণ প্রায় ৪০% বৃদ্ধি পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের এই আগ্রহকে এশিয়ার দেশগুলো একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে। জন্মহার কমে যাওয়ায় অনেক দেশে, যেমন: জাপানে শ্রম ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। হিতোৎসুবাশি ইউনিভার্সিটির হিরোশি ওটা বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এই শ্রম ঘাটতি মেটাতে সাহায্য করতে পারে।

এদিকে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান ২০২৩ সালে বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণের জন্য নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। জাপান ২০২৩ সালে তার আগের বছরের তুলনায় ৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে দেশটি এই সংখ্যা ৪ লাখে নিয়ে যেতে চায়। এই দেশগুলো এখন আরও বেশি ইংরেজি ভাষার কোর্স চালু করছে।

অবশ্য চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে ভাষা একটি বড় বাধা। বিশেষ করে যারা পড়াশোনার পর স্থানীয় চাকরি পেতে চায়। জাপানে অভিবাসন নিয়ে জনমনে উদ্বেগও বাড়ছে, যেমন চীনা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে কট্টর-ডানপন্থী দল সানসেইতো আপত্তি প্রকাশ করেছে।

বর্তমানে চীনা শিক্ষার্থীরাই এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদেশী হিসেবে পড়ছে। অন্যদিকে, ক্যুয়াককোয়ারেলি সাইমন্ডস নামে একটি গবেষণা সংস্থার অনুমান, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা বর্তমানের ৭০ লাখ থেকে বেড়ে ২০৩০ সালের মধ্যে ৮৫ লাখে পৌঁছাতে পারে।

সব মিলিয়ে বোঝাই যাচ্ছে যে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ধীরে হলেও পশ্চিম থেকে সরে এসে পূর্বমুখী হচ্ছে। এশিয়ায় উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের ভিড় বাড়ছে। সেটি পশ্চিমা দেশগুলোকে আদৌ পেছনে ফেলতে পারবে কিনা, তা অবশ্য সময়ই বলে দেবে।

বিষয়: বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষার্থীএশিয়াআমেরিকাজাপানবিশ্লেষণকোভিড–১৯শিক্ষা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ