Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ
এপির প্রতিবেদন

ইউক্রেন যুদ্ধে ‘পণ্য’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিক!

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩: ০৭
ইউক্রেন যুদ্ধে ‘পণ্য’ হিসেবে বিক্রি হচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিক!

লক্ষ্মীপুর জেলার মাকসুদুর রহমানকে মানব পাচারকারীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রাশিয়ার একটি সামরিক ক্যাম্পে ‘পরিচ্ছন্নতাকর্মী’ হিসেবে কাজ দেওয়ার। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে তিনি নিজেকে আবিষ্কার করেন ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের জীবন-মরণ সন্ধিক্ষণে, একেবারে সম্মুখসারিতে। মাকসুদুরের মতো এমন অনেক বাংলাদেশির ভাগ্য এখন অনিশ্চিত।

Advertisement

বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক তথ্য।

এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি শ্রমিকদের বেসামরিক কাজের ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাশিয়ায় নেওয়া হলেও সেখানে তাদের জোরপূর্বক যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। মাকসুদুর রহমানসহ রাশিয়া থেকে পালিয়ে আসা তিনজনের সাথে কথা বলেছে এপি।

মাকসুদুর রহমান জানান, মস্কোতে পৌঁছানোর পর রুশ ভাষায় লেখা কিছু কাগজে তাদের স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। পরে তারা জানতে পারেন, সেগুলো ছিল মূলত সামরিক চুক্তিনামা। এরপর তাদের ড্রোন চালানো, ভারী অস্ত্র ব্যবহার এবং আহতদের সরিয়ে নেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
কীসে আটকে ইউক্রেন-রাশিয়ার শান্তিচুক্তি?russia-ukraine war

মাকসুদ প্রতিবাদ জানালে এক রুশ কমান্ডার অনুবাদ অ্যাপের মাধ্যমে তাকে সরাসরি বলেন, “তোমার এজেন্ট তোমাকে এখানে পাঠিয়েছে। আমরা তোমাকে কিনে নিয়েছি।”

ফিরে আসা ব্যক্তিরা জানান, তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিপজ্জনক সম্মুখসারিতে পাঠানো হতো। রুশ সেনারা পেছনে থাকলেও বাংলাদেশিদের সামনে রাখা হতো রসদ বহন, বাঙ্কার খনন এবং মৃতদেহ সংগ্রহের জন্য।

মাকসুদ স্মৃতিচারণ করে বলেন, মাথার ওপর ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দ আর ড্রোনের হামলার মধ্যেই তাদের কাজ করতে হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে ১০ বছরের জেল, খাবার বন্ধ এবং শারীরিক নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হতো। প্রায় সাত মাস এমন নরকবাসের পর মাকসুদ আহত অবস্থায় পালিয়ে দেশে ফিরতে সক্ষম হন।

প্রতারণার শিকার আরেকজন হলেন মোহন মিয়াজি। তিনি রাশিয়ায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। তীব্র ঠান্ডায় অসুস্থ হয়ে অনলাইনে নতুন কাজ খুঁজতে গিয়ে তিনি রুশ বাহিনীর এক নিয়োগকারীর খপ্পরে পড়েন। তাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে তার দক্ষতার কারণে তাকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দূরে ইলেকট্রনিক বা ড্রোন ইউনিটে কাজ দেওয়া হবে। কিন্তু ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে ইউক্রেনের অধিকৃত শহর আভদিভকায় নিয়ে গিয়ে সরাসরি ব্যাটালিয়নে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। আদেশ অমান্য করলে তাকে বেজমেন্টে আটকে রেখে নির্যাতন করা হতো।

রাশিয়ার ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র কতটা ভয়ঙ্কর?oreshnik 1

তদন্তকারী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এপি-কে জানিয়েছেন, এই যুদ্ধে প্রায় ৪০ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়ে থাকতে পারেন। যদিও কতজন বাংলাদেশি এভাবে প্রতারিত হয়েছেন তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই, তবে ফিরে আসা ব্যক্তিরা জানিয়েছেন তারা সেখানে শত শত বাংলাদেশিকে রুশ বাহিনীর সাথে কাজ করতে দেখেছেন।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের তথ্যমতে, এটি একটি সুসংগঠিত মানবপাচার চক্রের কাজ। তদন্তে দেখা গেছে, বাংলাদেশি মধ্যস্বত্বভোগী এবং রুশ কানেকশন থাকা একটি নেটওয়ার্ক এই জালিয়াতির সাথে জড়িত। ‘এসপি গ্লোবাল’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনেককে পাঠানো হলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।

নিখোঁজ আজগর হোসেনের স্ত্রী সালমা আক্তার জানান, তার স্বামী দালালের খরচ মেটাতে জমিও বিক্রি করেছিলেন। শেষ অডিও বার্তায় আজগর বলেছিলেন, “আমার জন্য দোয়া করো।” আজগরসহ আরও অনেকের পরিবার এখন ঢাকায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং স্বজনদের ফিরে পাওয়ার দাবিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।

এই ভয়াবহ অভিযোগের বিষয়ে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এপি-র কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়: রাশিয়াবাংলাদেশপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ইউক্রেনযুদ্ধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ