Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

ইরান থেকে রেহাই পেতে চীন যাচ্ছেন ট্রাম্প?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১১: ১৭
ইরান থেকে রেহাই পেতে চীন যাচ্ছেন ট্রাম্প?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ১৪-১৫ মে চীন সফর করবেন। এ সফরে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও করবেন। এটি তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম চীন সফর এবং প্রায় নয় বছরের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম বেইজিং সফর।

Advertisement

তবে এই সফরের মধ্যে অন্যতম আলোচনার বিষয়টি হলো ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, ট্রাম্প ইরান সংকট থেকে কূটনৈতিক রেহাই পেতে চীনের দ্বারস্থ হচ্ছেন।

ফেব্রুয়ারি শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরানের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হয়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট, তেলের দামের উল্লম্ফন এবং মার্কিন অস্ত্র মজুত হ্রাস ট্রাম্প প্রশাসনকে বড় চাপে ফেলেছে। ট্রাম্প সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবকে লাইফ সাপোর্টে এ থাকা বলে বর্ণনা করেছেন এবং ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবকে অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এমন জটিল পরিস্থিতিতে চীন সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের কারণে সফর একবার পিছিয়েও গিয়েছিল।

যুদ্ধ থামাতে গিয়ে পাকিস্তান কি পরিস্থিতি জটিল করে তুলছে?Pakistan Prime Minister

চীন ইরানের সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা। যুদ্ধের মধ্যেও বেইজিং ইরানি তেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার সরাসরি লঙ্ঘন। ট্রাম্প প্রশাসন চীনের ওপর চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে হরমুজ খুলে দিতে এবং যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে সাহায্য চাইছে। চীন ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিজস্ব প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। চীনের চার-দফা শান্তি পরিকল্পনা ইরান সমর্থন করেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিশ্লেষকদের মতে, এই সফরে চীনকে ইরানি তেল কেনা বন্ধে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি হরমুজ পুনরায় খুলে দিতে এবং তেহরানের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে সি সিনপিংয়ের সহযোগিতা চাইবেন ট্রাম্প।

এছাড়া বাণিজ্য, প্রযুক্তি (বিশেষ করে এআই চিপ), তাইওয়ান, বিরল খনিজ নিয়েও আলোচনা হবে। ট্রাম্পের সঙ্গে বড় ব্যবসায়ীদের (যেমন ইলন মাস্ক, টিম কুক প্রমুখ) প্রতিনিধিদল যাবে, যা বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা বাড়াবে।

তবে পরিস্থিতি ট্রাম্পের জন্য সহজ নয়। ইরান যুদ্ধ তার হাতকে দুর্বল করেছে। চীন এখন আরও শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং বাণিজ্যিক ছাড়, তাইওয়ান ইস্যুতে ছাড় বা প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ শিথিল করার দাবি তুলতে পারে। অনেক বিশ্লেষক বলছেন, অসমাপ্ত ইরান যুদ্ধ সি চিনপিংকে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। চীন নিজস্ব স্বার্থ যেমন: সস্তায় তেল, মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্যের মতো বিষয়গুলো সহজে ছাড়বে না।

ট্রাম্প-সি সম্পর্ক ব্যক্তিগতভাবে তুলনামূলকভাবে ভালো। ২০১৭ সালের পর এটি ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর। উভয় পক্ষই এ সফরকে প্রতীকী গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছে। তবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক চাপ এ সফরকে ২০১৭ সালের চেয়ে অনেক বেশি জটিল করে তুলেছে।

তাইওয়ান নিয়ে কেন এখনই যুদ্ধ চায় না চীন?China-taiwan

যদি চীন ইরানের ওপর কিছুটা প্রভাব খাটিয়ে হরমুজ খুলে দিতে সাহায্য করে এবং বাণিজ্যিক চুক্তি হয়, তাহলে ট্রাম্প দেশে বিজয়ী হিসেবে ফিরতে পারবেন। এটি তার জনপ্রিয়তা বাড়াতে সাহায্য করবে, বিশেষ করে উচ্চ জ্বালানি মূল্যের কারণে অসন্তুষ্ট জনগণের মধ্যে।

চীন যদি ইরানকে সমর্থন অব্যাহত রাখে বা শুধুমাত্র সীমিত ছাড় দেয়, তাহলে ট্রাম্পের অবস্থান আরও দুর্বল হবে। তাইওয়ান, এআই প্রযুক্তি ও বাণিজ্য যুদ্ধের মতো ইস্যুতে চীন শক্ত অবস্থান নিতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করছে, যা উভয় দেশের জন্যই চ্যালেঞ্জ।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ এ সফরের কেন্দ্রবিন্দু তা অস্বীকার করার উপায় নেই । ট্রাম্প শুধু বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নয়, একটি জটিল যুদ্ধ থেকে কূটনৈতিক বেরোনোর পথ খুঁজতে চীন যাচ্ছেন। এ বৈঠকের ফলাফল শুধু যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্য নির্ধারণ করতে পারে।

সূত্র: এপি, ব্লুমবার্গ, সিএনএন, রয়টার্স, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য হিল

বিষয়: আমেরিকাইরানডোনাল্ড ট্রাম্পযুদ্ধচীন
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ