Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

পশ্চিমবঙ্গকে কোন পথে নিয়ে যেতে চান শুভেন্দু?

সাইরুল ইসলাম

সাইরুল ইসলাম

প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ০৮: ৩৭
পশ্চিমবঙ্গকে কোন পথে নিয়ে যেতে চান শুভেন্দু?

দীর্ঘ ৩৪ বছর ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) বা সিপিআই (এম)-এর নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট ছিল ক্ষমতায়। সেই মসনদ ভেঙে তাতে জেঁকে বসেছিলেন একসময় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের সেই ঢিবি এবার ভেঙে দিল বিজেপি। আর চেয়ারে বসানো হলো তার দলেরই সাবেক এক নেতাকে, শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এসেই ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ শুরু করে দিয়েছেন।

Advertisement

বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত থাকায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একটা বাড়তি আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশিদের মধ্যে। বিশেষ করে সেখানকার রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকে সীমান্তের এপারের বাসিন্দাদের। এবার বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সেই আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। আর শপথ নিয়েই বাংলাদেশ সীমান্ত সম্পর্কে কঠোর বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। এমনকি তার দলের নেতারা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গকে তারা বাংলাদেশের মতো হতে দেবেন না।

বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রী ও তার দল আসলে কী চাইছেন?

শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম সপ্তাহের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি মূলত শাসন ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে ফেলতে চাইছেন। এ ছাড়া কেন্দ্রে বিজেপির নীতি ও হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের একাত্মতা তৈরি করতে চাইছেন তিনি। এর অংশ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই শুভেন্দু অধিকারী বুঝিয়েছেন, আগের সরকারের ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের তিনি রেয়াত করবেন না। কলকাতার ভেতরে তিলজলার বেআইনি কারখানায় আগুন লাগার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বুলডোজার দিয়ে সেটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তারই নির্দেশে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি, বাংলাদেশ কি বিপদে?bjp d

আলোচিত আর জি কর কাণ্ডে গাফিলতির অভিযোগে কলকাতার সাবেক পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলসহ ৩ আইপিএস অফিসারকে বরখাস্ত করেছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। এসব কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে প্রশাসনিক স্তরে একটি কড়া বার্তা দিয়ে রাখলেন শুভেন্দু।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস টুডে বলছে, শুভেন্দু সরকার রাজ্যে বিএনএস এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আদমশুমারি সংক্রান্ত নির্দেশিকা অবিলম্বে কার্যকর করেছে, যা আগের সরকার আটকে রেখেছিল।

শুভেন্দু সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত, ৪৫ দিনের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা। এছাড়া, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

shuvendu adhikari$
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: ফেসবুক

বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ রাহুল সিনহা ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, “বাংলার মানুষ মূলত তৃণমূলের দুর্নীতি, সন্ত্রাস এবং বাংলাকে ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ’ বানানোর অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। শুভেন্দু বাবুর সরকার প্রথমে দুর্নীতি উপড়ে ফেলবে। কারণ দুর্নীতি দূর হলেই উন্নয়ন আসবে। আগের সরকার বিনীত গোয়েলদের মতো দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করত, কিন্তু এই সরকার অ্যাকশন নিচ্ছে।”

বিজেপির মতে, শুভেন্দু বাংলাকে একটি সুরক্ষিত, তোষণমুক্ত এবং কেন্দ্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা প্রগতিশীল রাজ্য হিসেবে গড়ে তুলছেন। নির্বাচনের আগেও এই বার্তাই দিয়েছিল দলটি। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কার্যক্রমের সঙ্গে কেন্দ্রের একটা যোগসূত্র না থাকলে জনগণ বঞ্চিত হওয়ার বার্তাও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

মমতার সরকার যেসব কেন্দ্রীয় প্রকল্প (যেমন–আয়ুষ্মান ভারত, পিএম কিষাণ বিমা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও) রাজ্যে কার্যকর করেনি, শুভেন্দু তা অবিলম্বে চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি, যুবকদের ক্ষোভ প্রশমনে সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৫ বছর বাড়িয়েছেন। সরকারি খালি পদে দ্রুত নিয়োগের ঘোষণাও এসেছে।

উসকানিমূলক বক্তব্য না দিতে শুভেন্দু সরকারের প্রতি আহ্বান ফখরুলেরMirza Fakhrul 2

২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার মামলাগুলো পুনরায় শুরুর নির্দেশ এবং ১৬ মে থেকে রাজ্যজুড়ে বেআইনি অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারে বড়সড় অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো তৃণমূলের রাজনৈতিক ভিত্তিকে আইনিভাবে দুর্বল করা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যেখানে সেখানে পশু জবাই নিষিদ্ধ করা, ‘ফিট টু স্লটার’ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক এবং ধর্মীয় স্থানে লাউডস্পিকারের আওয়াজ নিয়ন্ত্রণ বা রাস্তা আটকে ধর্মীয় আচার বন্ধের নির্দেশ এসেছে সরকারের পক্ষ থেকে। এই বার্তা উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের ‘শাসন মডেল’-এর ছোঁয়া বহন করে। তবে এমন এক সময় এই ঘোষণা দিল শুভেন্দু সরকার, যখন কোরবানি ঈদ সামনে। তবে এতে মুসলমানদের কোনো সমস্যা হবে না বলে দাবি করেছেন দলটির একাধিক নেতা। পশু জবাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। সেখানেই কোরবানি দেওয়া যাবে।

শুভেন্দুর এই পথ চলা কতটা গণতান্ত্রিক আর কতটা রাজনৈতিক–তা নিয়ে রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তীব্র মতভেদ রয়েছে।

পরাজয়ের পর তৃণমূল প্রধান মমতা নিজেই কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছেন ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় তাদের কর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ নিয়ে। দলটির এক শীর্ষ নেতা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, “প্রথম সাতদিনেই আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে, বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। শুভেন্দুর এই তৎপরতা আসলে সহিংসতা ঢাকার চেষ্টা। তবে মমতা একজন লড়াকু নেত্রী, আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াব।”

প্রথম বৈঠকেই বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া দেওয়ার ঘোষণা শুভেন্দুরshuvendu adhikari$

দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছেন বলে তৃণমূলের অভিযোগ। তাদের দাবি, মনোজ আগরওয়ালকে মুখ্যসচিব বা সুব্রত গুপ্তকে উপদেষ্টা করে আমলাতন্ত্রে একটা ঝামেলা তৈরি করা হচ্ছে।

সিপিআই (এম)–এর রাজ্য সম্পাদক মুহম্মদ সেলিম শুভেন্দুর এই প্রথম সপ্তাহের তৎপরতাকে ‘গুড কপ-ব্যাড কপ’ খেলার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তার মতে, “আর জি কর কাণ্ডে আইপিএসদের সাসপেন্ড করা ভালো পদক্ষেপ। কিন্তু সিবিআই মূল ষড়যন্ত্র কেন উদঘাটন করতে পারল না? আর তিলজলায় বুলডোজার দিয়ে ভবন ভাঙা তো পেশী শক্তির রাজনীতি। ভবন ভাঙলেন, কিন্তু যে শ্রমিকরা মারা গেলেন বা কাজ হারালেন, তাদের ক্ষতিপূরণের কী হবে? বেআইনি ভবনের জন্য কলকাতা পৌরসভাও দায়ী, সেটার বিচার কই?”

ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী তিলজলার বুলডোজার অ্যাকশনের তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, “এটি সুশাসনের কোনো উদাহরণ হতে পারে না। বাড়ির মালিকদের তাদের নথিপত্র দেখানোর বা নিজেদের পক্ষ সমর্থনের সময় দেওয়া উচিত ছিল। এই ধরনের একতরফা সিদ্ধান্তের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।”

প্রাথমিক কার্যক্রম দেখে এই ধারণা করা ভুল হবে না, শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গকে অত্যন্ত আগ্রাসী, কেন্দ্রীয় নীতি-অনুগামী এবং কড়া আইন-শৃঙ্খলার পথে নিয়ে যেতে চাইছেন।

তার সমর্থকেরা এটিকে বাংলার ‘পরিবর্তন ২.০’ হিসেবে দেখলেও বিরোধীদের চোখে এটি বুলডোজার নীতি ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখানোর এক চরমপন্থী রূপ। শুভেন্দুর এই আগ্রাসী মনোভাব দীর্ঘমেয়াদে বাংলার রাজনীতি ও অর্থনীতিকে কতটা স্থিতিশীল করতে পারবে–তা সময়ই বলবে।

বিষয়: তৃণমূল কংগ্রেসবিজেপিভারতপশ্চিমবঙ্গ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ