Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত শাসকদের সঙ্গে কেন আবার যোগাযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪: ২৯
মিয়ানমারের সেনা-সমর্থিত শাসকদের সঙ্গে কেন আবার যোগাযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মিয়ানমারের শান রাজ্যের ৭৯তম জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন অনুষ্ঠান। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকারের সঙ্গে গত সপ্তাহে টোকিওতে বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা এ তথ্য জানিয়েছেন। এক মাসের মধ্যে এটি দুই দেশের দ্বিতীয় বৈঠক। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটির জেনারেলদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিল ওয়াশিংটন। এখন তাদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

Advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের একজন ব্যবসায়ীর মুক্তি নিশ্চিত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত প্রতারণাকেন্দ্রগুলো বন্ধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে এসব বৈঠক মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনিজের মজুতসহ আরও বিস্তৃত বিষয়ে আলোচনার পথ খুলে দিতে পারে বলে এর আগে জানিয়েছিল রয়টার্স।

গত সপ্তাহের বৈঠকে ঠিক কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বৈঠক সম্পর্কে জানেন, এমন তিন ব্যক্তি রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন আমেরিকান কর্মকর্তাও রয়েছেন। বৈঠকটির সংবেদনশীলতার কারণে তারা কেউই নাম প্রকাশ করতে চাননি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

একজন সূত্র জানান, টোকিওর বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল ভ্যান্স নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজনেরও বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। মিয়ানমারের পক্ষে কারা প্রতিনিধিত্ব করেছেন, তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভ্যান্সের প্রতিনিধিদলে থাকার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। তবে দপ্তরটি জানায়, মিয়ানমারবিষয়ক আমেরিকন নীতিনির্ধারণে ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন ব্যুরো মুখ্য ভূমিকা পালন করছে না।

দপ্তরের একজন মুখপাত্র বলেন, পররাষ্ট্র দপ্তরের পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয়বিষয়ক ব্যুরো মিয়ানমার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ‘প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের’ দায়িত্ব পালন করছে। অন্যদিকে, ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক ব্যুরো ‘নীতিনির্ধারকদের তথ্য সরবরাহ করে, তবে নীতিনির্ধারণে নেতৃত্ব দেয় না’।

ওই মুখপাত্র বলেন, “সংবেদনশীল বলে দাবি করা আলোচনার বিষয়বস্তু ও পরিধি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র মন্তব্য করে না।” তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো “আমেরিকার জনগণের জন্য বাস্তব সুফল অর্জন করা—বিশেষ করে আন্তদেশীয় অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের জন্য”।

মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকারের একজন মুখপাত্র মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি।

বৈঠক আয়োজনের ক্ষেত্রে জাপানের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ই-মেইলে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানায়, তারা উভয় পক্ষের সঙ্গে “প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ বজায় রেখেছে”। তবে নির্দিষ্ট কূটনৈতিক যোগাযোগ নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত মাসে নেপিডোতে ভ্যান্স ও মিয়ানমারের অভ্যুত্থানের নেতা থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইংয়ের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই আলোচনার বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা আগে রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, বৈঠকটি আরও বিস্তৃত আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। এর অল্প সময়ের মধ্যেই টোকিওতে আবার আলোচনায় বসা থেকে বোঝা যায়, দুই পক্ষই সংলাপ অব্যাহত রাখতে আগ্রহী।

সূত্রগুলো জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতারণাকেন্দ্রগুলো বন্ধে মিয়ানমারের সহযোগিতা পাওয়া। এসব কেন্দ্র থেকে প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে প্রতারণাসহ নানা ধরনের জালিয়াতি চালানো হয়। এর ফলে আমেরিকান নাগরিকেরা কয়েক শ কোটি ডলার হারিয়েছেন।

গবেষকদের ভাষ্য, এসব প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের অনেক কেন্দ্র সেনাবাহিনী-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত। এসব কর্মকাণ্ড থেকে পাওয়া অর্থের একটি অংশ সামরিক বাহিনীর কাছেও যায়। ফলে প্রতারণা দমনে মিয়ানমারের নেতারা কতটা আন্তরিক, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। মিয়ানমারের সামরিক-সমর্থিত সরকার অবশ্য বলেছে, প্রতারণাকেন্দ্র বন্ধে তারা বহুজাতিক উদ্যোগে অংশ নিচ্ছে।

মিয়ানমারের অভ্যুত্থানের নেতা থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইং। ছবি: রয়টার্স
মিয়ানমারের অভ্যুত্থানের নেতা থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়া মিন অং হ্লাইং। ছবি: রয়টার্স

মিয়ানমারে থাকা বিপুল পরিমাণ ভারী বিরল মৃত্তিকা খনিজের নাগাল পাওয়ার বিষয়েও আমেরিকান কর্মকর্তারা আলোচনা করেছেন। বৈদ্যুতিক গাড়ি থেকে শুরু করে বায়ুকল পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে এসব খনিজ ব্যবহৃত হয়।

তবে আমেরিকান কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন, এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের বাধা রয়েছে। এসব খনিজের মজুতের বড় অংশই এমন এলাকায় অবস্থিত, যা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণে। অন্যদিকে, মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা খনিজের প্রধান ক্রেতা চীনও এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা মেনে নিতে আপত্তি জানাতে পারে।

গত সপ্তাহে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত দেশটির এক ব্যবসায়ীর মেয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, দেশটির বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, “এই দৃষ্টিভঙ্গিতে মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধে জড়িত সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি, দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের মৌলিক স্বার্থ এগিয়ে নিতে অতীতে যেসব হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলোর পরিধি নতুন করে পর্যালোচনার অঙ্গীকার করা হয়েছে।”

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিন অং হ্লাইং এখনো যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে তার ভূমিকা এবং পরবর্তী গণ-অভ্যুত্থান দমনের পাশাপাশি ২০১৬-২০১৭ সালে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও বিতাড়নের ঘটনায় তার ভূমিকার জন্যও তিনি নিষেধাজ্ঞার মুখে রয়েছেন। ওই ঘটনাকে ওয়াশিংটন গণহত্যা হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে ব্যাপক গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে বিমান হামলায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান লোয়ি ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক পরিচালক হান্টার মার্সটন বলেন, জাপানে সাম্প্রতিক এসব যোগাযোগ থেকে বোঝা যায়, ট্রাম্প প্রশাসন মিয়ানমারকে ‘সম্পূর্ণ লেনদেনভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিতে’ দেখছে।

মার্সটন বলেন, “মিয়ানমারের হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও বিরল মৃত্তিকা খনিজকেই সম্ভবত দেশটির মধ্যে ওয়াশিংটনের আগ্রহের প্রধান কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল ভ্যান্স। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল ভ্যান্স। ছবি: রয়টার্স

জাপানের ভূমিকা স্পষ্ট নয়

জুনে জাপানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আগের বৈঠকগুলোসহ যুক্তরাষ্ট্র ও মিয়ানমারের আলোচনায় আয়োজক হিসেবে ভূমিকা পালন করা ছাড়া টোকিওর আর কোনো স্বার্থ রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরায় সক্রিয় করার দিকে জাপানও এগোচ্ছে—এমন কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে মিয়ানমারে নিযুক্ত জাপানের ভারপ্রাপ্ত দূত দেশটির সামরিক-সমর্থিত সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এটি ছিল তাদের মধ্যে প্রথম জানা প্রকাশ্য যোগাযোগ। জাপান অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ানমারের বর্তমান প্রশাসনকে স্বীকৃতি দেয়নি।

এর আগে সেপ্টেম্বরে জাপানের ক্ষমতাসীন দলের আইনপ্রণেতা হিরোমিচি ওয়াতানাবে নেপিডো সফর করেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বলেছিলেন, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা পুনরায় চালু করা এবং মিয়ানমারে উন্নয়ন সহায়তা ফিরিয়ে আনার পরিবেশ তৈরি করাই তার সফরের উদ্দেশ্য।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটির ভারপ্রাপ্ত দূত বৈঠকে জাপানি নাগরিকদের সুরক্ষা এবং জাপানি কোম্পানিগুলোকে সহায়তার মতো বিষয় উত্থাপন করেন। অন্যদিকে, ওয়াতানাবের সফর ছিল একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হিসেবে তার ব্যক্তিগত উদ্যোগ। জাপান সরকার জানায়, এ সফর কোনোভাবেই সরকারের অবস্থান আগাম নির্ধারণ করে না।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের আগে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনার পরিদর্শন করছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। ৮ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের আগে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে গার্ড অব অনার পরিদর্শন করছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং। ৮ অক্টোবর ২০২৬। ছবি: রয়টার্স

ওয়াতানাবে রয়টার্সকে বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উপযোগী পরিবেশ তৈরিই ছিল তার সফরের উদ্দেশ্য। তবে তিনি স্বীকার করেন, এ পথে এখনো বাধা রয়েছে।

২০২১ সালে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছিল জাপান। তবে জান্তা নেতাদের ও সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য পশ্চিমা সরকারের সঙ্গে যোগ দেয়নি টোকিও।

এশিয়ার অন্যতম শেষ অনাবিষ্কৃত সম্ভাবনাময় বাজারে চীনের প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে জাপান একসময় মিয়ানমারের বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অন্যতম ছিল। ২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর সৃষ্ট অস্থিরতা সত্ত্বেও বহু জাপানি কোম্পানি দেশটিতে কার্যক্রম চালিয়ে গেছে, যেখানে পশ্চিমা অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে।

জাপানের বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা জেট্রোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মিয়ানমারে প্রায় ৩০০টি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০২০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪০০টিরও বেশি।

বিষয়: যুক্তরাষ্ট্রপ্রতারণামিয়ানমারযোগাযোগবিরলজাপানসামরিক বাহিনীখনিঅনলাইন প্রতারণা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ