Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

মুসলিম ভোটে বিভক্তি মমতার হারের বড় কারণ?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ১১: ০০
মুসলিম ভোটে বিভক্তি মমতার হারের বড় কারণ?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির অন্যতম বড় কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে মুসলমান ভোট বিভক্ত হয়ে পড়া। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা একচ্ছত্রভাবেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পেছনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনেও মুসলমানদের তৃণমূলের ভোটব্যাংক মনে করা হলেও সেখানে বড় ধরনের বিভক্তি দেখা দিয়েছে। অর্থাৎ, মুসলমানরা এককভাবে তৃণমূলকে ভোট দেননি। বিজেপির বিরাট কৌশলগত সাফল্য ছিল তৃণমূলের মুসলিম ভোট ব্যাংককে বিভক্ত করে ফেলা।

Advertisement

ভারতের অন্যতম শীর্ষ সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুও একই কথা বলছে। তাদের প্রতিবেদনের ভাষ্য, মুসলিম ভোটে বিভক্তি ২০২৬–এর বিধানসভা নির্বাচনে সরাসরি বিজেপির অনুকূলে গেছে।

বাংলাদেশের কাছের মালদহ জেলায় মোট ভোটারের ৫০ শতাংশ মুসলমান। সেখানকার ১২টি বিধানসভা আসনের ৬টিতেই বড় ব্যবধানে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা। প্রায় একই চিত্র মালদহের পাশের জেলা মুর্শিদাবাদেও। সেখানে ৭০ শতাংশ মুসলিম ভোট। মুর্শিদাবাদের ২২টি বিধানসভা আসনের ৮টিতে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা।

পশ্চিমবঙ্গ: বিজেপির জয় যে ইঙ্গিত দিচ্ছেbjp d

পশ্চিমবঙ্গে ৩৪ বছর বামফ্রন্ট শাসন চালিয়েছিল। তখন বলা হতো মুসলিম ভোট ব্যাংকই ছিল সিপিএমের নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টের শক্তি। ২০১১ সালে মমতা বন্দোপাধ্যায় তিন দশকেরও বেশি সময়ের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসেন। তখন দেখা গিয়েছিল মুসলিমরা বামফ্রন্টের বদলে বেছে নিয়েছিলেন মমতার তৃণমূলকে। একই প্রবণতা ছিল ২০১৬ ও ২০২১–এর বিধানসভা নির্বাচনেও। ২০২৬–এ এসে সেই ভোট ব্যাংকে বিচ্যুতি বা বিভক্তিই মমতার পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

বিভক্ত মুসলিম ভোট যে বিজেপি পেয়েছে, এটা অবশ্য বলা যাচ্ছে না। এবারের নির্বাচনে নওশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ তৃণমূলের ভোট কাটার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই আইএসএফ এবার বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট বেধে নির্বাচন করেছে। এবারের নির্বাচনে বামফ্রন্ট–আইএসএফ জোট আসন পেয়েছে ২টি। এ ছাড়াও মালদহের তৃণমূলের সাবেক বিধায়ক হুমায়ূন কবীর দল থেকে পদত্যাগ করে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি নামে একটি দল গড়ে ১৪৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধে। এই জোটও দুটি আসন পেয়েঠছে এবারের নির্বাচনে। আইএসএফ ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টি নির্বাচনে ৪.৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এই পরিসংখ্যানেই মুসলিম ভোট বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি অনেকটাই পরিষ্কার। অল্প ব্যবধানে তৃণমূল যেসব আসনে হেরেছে, সেসব আসনে এই নওশাদ সিদ্দিকি আর হুমায়ূন কবীরের দলের ভোট বড় ফ্যাক্টর হয়ে দেখা দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর নামে ভোটার তালিকা সংস্কারের কাজ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই এসআইআর নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ছিল তৃণমূল শিবিরে। তৃণমূলের ভোট নষ্ট করার জন্যই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই এসআইআরে ৯১ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। এদের অধিকাংশই ছিলেন মুসলিম। তৃণমূল এ ব্যাপারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেও মুসলিমদের অভিযোগ ছিল। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে কাঙ্খিত উন্নয়ন না হওয়া নিয়েও ক্ষোভ ছিল। সে কারণে মুসলিমরা বিকল্প হিসেবে আইএসএফ ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টিকে ভোট দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

রাজ্যজুড়ে হিন্দু ভোটারদের মেরুকরণ বিজেপি-কে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছিল, বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুসলিম ভোটের এই বহুমুখী বিভাজনই তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় নিশ্চিত করল।

বিষয়: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়বিধানসভা নির্বাচনমুসলিমরাজনীতিভারত
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ