Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ
বিবিসির বিশ্লেষণ

ইরানে যুদ্ধ শেষ নাকি দীর্ঘায়িত করতে চান ট্রাম্প?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২৬, ১৩: ৫৩
ইরানে যুদ্ধ শেষ নাকি দীর্ঘায়িত করতে চান ট্রাম্প?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসসরায়েলের যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরুর তিন সপ্তাহ পেরিয়েছে। চলমান সংঘাতের পরিণতি এখনো এক অনিশ্চয়তার মুখে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশ্যে যেসব মন্তব্য করেছেন, বাস্তব পরিস্থিতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার উল্টো।

Advertisement

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অনেকবারই ট্রাম্পকে বলতে শোনা গেছে, যুদ্ধ ‘প্রায় সম্পূর্ণ’, অথচ একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে মার্কিন স্থল ও নৌসেনা মোতায়ন করা হচ্ছে। আবার যুদ্ধ ‘শেষের দিকে’ বললেও ইরানে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়াকে ট্রাম্প ‘সহজ সামরিক পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে এই নৌপথ বর্তমানে ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তেহরানের অনুমোদন ছাড়া কোনো জাহাজ এই রুট ব্যবহার করতে পারছে না।

ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী ‘ধ্বংস হয়ে গেছে’, কিন্তু বাস্তবে দেশটির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এমনকি হামলার পাল্লা বাড়িয়ে চার হাজার কিলোমিটার দূরে ভারত মহাসাগরের দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এদিকে, গতকাল শনিবার নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন ট্রাম্প।

পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘ঠিক এ মুহূর্ত থেকে’ পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো প্রকার ‘হুমকি ছাড়াই’ ইরানকে এই জলপথ পুরোপুরি খুলে দিতে হবে। না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Harmuz
হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ রুট। ছবি: রয়টার্স

অথচ এর একদিন আগেই ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক লক্ষ্যগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। যেখানে তিনি বলেছিলেন, ইরানে তারা ‘লক্ষ্য অর্জনের প্রায় কাছাকাছি’ পৌঁছে গেছে।

ওই তালিকায় ইরানের সামরিক শক্তি, প্রতিরক্ষা অবকাঠামো ও পারমাণবিক কর্মসূচিকে দুর্বল বা ধ্বংস করা এবং অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার মতো লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে হরমুজ প্রণালী সুরক্ষার বিষয়টি এই লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল না।

ট্রাম্পের মতে, এই দায়িত্ব মূলত অন্যান্য দেশের। বিশেষ করে, যারা উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলের ওপর বেশি নির্ভরশীল। তিনি প্রায়ই বলে থাকেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন জ্বালানিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরশীল নয়। যদিও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের বাস্তবতায় দামের ওঠানামা সরাসরি মার্কিন অভ্যন্তরীণ বাজারেও প্রভাব ফেলে।

ট্রাম্পের ওই ট্রুথ সোশাল পোস্টে ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কোনো আহ্বানও ছিল না। যুদ্ধের শুরুর দিকে যে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ বা নতুন নেতৃত্ব অনুমোদনের কথা তিনি বলেছিলেন, তার উল্লেখও এখন আর নেই।

বিবিসি বলছে, ট্রাম্পের সর্বশেষ লক্ষ্য নির্ধারণে এমন ইঙ্গিত মিলছে যে, ইরানের বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী নেতৃত্ব ক্ষমতায় থেকেই যেতে পারে, তেলের রপ্তানি অব্যাহত থাকতে পারে এবং হরমুজ প্রণালীর ওপর তাদের কিছু নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতিতেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক অভিযান শেষ করতে পারে। যদি এই ফলাফল গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে বিকল্প পথ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন হওয়া মার্কিন স্থলবাহিনীর ভূমিকা সামনে আসতে পারে।

এক সপ্তাহেরও বেশি আগে মার্কিন গণমাধ্যম জানায়, প্রায় আড়াই হাজার সেনাসদস্য, জাহাজ ও বিমানসহ একটি মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট জাপান থেকে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে, যা শিগগিরই পৌঁছাবে। একই আকারের আরেকটি মেরিন বাহিনী ক্যালিফোর্নিয়া থেকেও রওনা দিয়েছে, যেটির এপ্রিলের মাঝামাঝি পৌঁছানোর কথা।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র খারগ দ্বীপ দখলের পরিকল্পনা করতে পারে। ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনাল অবস্থিত এই ছোট দ্বীপটি নিয়ন্ত্রণে নিলে দেশটির তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব হতে পারে, ফলে আয়ের বড় উৎস হারিয়ে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে বাধ্য করা যেতে পারে।

গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানে স্থলবাহিনী পাঠাচ্ছেন না, আবার এও বলেন “পাঠালে অবশ্যই আপনাকে বলতাম না।” এতে তার অবস্থান আরও অস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এই সম্ভাবনার প্রেক্ষিতে শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সতর্ক করে জানায়, খারগ দ্বীপে কোনো হামলা হলে তারা লোহিত সাগরে অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেবে।

ইরানের এই সতর্কতা ইঙ্গিত দেয়, যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত আরও বাড়ালে মার্কিন বাহিনী সরাসরি পাল্টা হামলার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

চলমান সামরিক অভিযানের জন্য ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসের কাছে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার জরুরি তহবিল চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে। এর মানে হলো যুদ্ধ শেষের পথে নয় বরং দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল সংঘাতের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কংগ্রেসে এমনকি ট্রাম্পের রিপাবলিকান মিত্রদের মধ্যেও এই প্রস্তাবে সতর্ক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

টেক্সাসের রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান চিপ রায় বিবিসিকে বলেন, “এখানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের কথা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি সামরিক কার্যক্রমের কথা হচ্ছে। কীভাবে এর অর্থ জোগাড় করা হবে এবং প্রকৃত লক্ষ্য কী-এ নিয়ে আরও ব্যাখ্যা দরকার।”

যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে এই ‘ধোঁয়াশা’ শুধু সামরিক পরিকল্পনাকেই নয়, রাজনীতিক ও সাধারণ মানুষের ধারণাকেও প্রভাবিত করে। সব মিলিয়ে ইরান যুদ্ধ এখন এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে। তবে এখান থেকে এটি কোন দিকে যাবে, তা এখনো অনিশ্চিত।

বিষয়: ইরানইরান-ইসরায়েল সংঘাতডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্রযুদ্ধইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ