Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
০১ নভেম্বর, ২০২৬
০১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ
সিএনএনের প্রতিবেদন

পুরো ১৪ দফা, আমেরিকার কোন কোন প্রস্তাবে রাজি হলো ইরান

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ২১: ৫০
পুরো ১৪ দফা, আমেরিকার কোন কোন প্রস্তাবে রাজি হলো ইরান

দীর্ঘদিনের চরম প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সমঝোতা হতে যাচ্ছে আগামী শুক্রবার। তবে সেই সমঝোতা নিয়ে ধোঁয়াশা এখনো কাটেনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এই সমঝোতা চুক্তির একটি খসড়া পেয়েছে। সেই খসড়া অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা, ইরানের জন্য কিছু অর্থনৈতিক সুবিধা এবং তেহরানের পক্ষ থেকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকারের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। রয়েছে মোট ১৪ দফা।

Advertisement

১৪ দফার এই সমঝোতা স্মারকটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে এটি সিএনএন একজন মার্কিন কর্মকর্তার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে। চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন কূটনীতিক এবং আলোচনা সম্পর্কে অবগত আরও দুটি কূটনৈতিক সূত্র সিএনএনকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চুক্তির ভাষা নিয়ে আমেরিকা ও ইরান–উভয় পক্ষেই চরম গোপনীয়তা রয়েছে। এ কারণে সুইজারল্যান্ডে আগামী শুক্রবার যে চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে, তার সাথে এই খসড়ার হুবহু মিল থাকবে কি না–তা এখনো নিশ্চিত নয়। কারিগরি বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্তের অপেক্ষায়। ফলে শব্দবিন্যাসে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

হোয়াইট হাউজের একজন মুখপাত্র অবশ্য দাবি করেছেন–চুক্তির খসড়াটি প্রকৃত সমঝোতা স্মারকের প্রতিফলন নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

খসড়া চুক্তি অনুযায়ী, আমেরিকা ইরানকে অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রির অনুমতি দেবে। এ ছাড়া পরবর্তী আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচি-সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারলে ইরান ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি উন্নয়ন তহবিল ব্যবহারের সুযোগ পেতে পারে। তবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ কী হবে–সে বিষয়ে এই নথিতে নির্দিষ্ট কোনো উল্লেখ নেই।

১০০ দিনের যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞার পরও যেভাবে এখনো টিকে ইরানIran-Flag

মার্কিন ওই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, খসড়াটি সেই চুক্তিকে নির্দেশ করে, যা গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ ‘ডিজিটালি’ স্বাক্ষর করেছেন।

অবশ্য সিএনএনের সাথে আলাপকালে মার্কিন কর্মকর্তারা এই সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। একে তারা একটি ‘রাজনৈতিক নথি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তাদের দাবি, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্দার আড়ালের মূল প্রতিশ্রুতিগুলোকে এই চুক্তি পুরোপুরি প্রতিফলিত করে না।

খসড়াটির ব্যাপারে হোয়াইট হাউজের মন্তব্য চাওয়া হলে তারা কোনো সাড়া দেয়নি। অন্যদিকে, ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’ এই ফাঁস হওয়া খসড়াটিকে ত্রুটিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে। এর আগে ব্লুমবার্গও এই খসড়ার একটি সংস্করণ প্রকাশ করেছিল।

এই সমঝোতা স্মারকটি শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা

১. ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র (চলতি যুদ্ধে তাদের মিত্রসহ) এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সাথে সাথেই লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে এবং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘোষণা করছে। তারা অঙ্গীকার করছে, এখন থেকে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো বৈরী পদক্ষেপ নেবে না। বলপ্রয়োগ বা বলপ্রয়োগের হুমকি থেকে বিরত থাকবে। চূড়ান্ত চুক্তিতে এই ধারা এবং বাকি ধারাগুলোর কার্যকারিতা বহাল থাকবে।

iran-army
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

২. ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার অঙ্গীকার করছে।

৩. ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র আগামী সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে (যা পারস্পরিক সম্মতিতে বাড়ানো যেতে পারে) আলোচনা শেষ করে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর অঙ্গীকার করছে।

৪. এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সাথে সাথেই যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ তুলে নেবে। ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বন্ধ করবে। সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে নৌ-চলাচল যুদ্ধের পূর্ববর্তী স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। ইরানের ক্ষেত্রে জাহাজের যাতায়াত হবে যুদ্ধপূর্ববর্তী পরিমাণের আনুপাতিক। এ ছাড়া চূড়ান্ত চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আশপাশের এলাকা থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করার অঙ্গীকার করছে।

৫. সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান পারস্য উপসাগর থেকে ওমান সাগর এবং ওমান সাগর থেকে পারস্য উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধপূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেবে। এক্ষেত্রে কারিগরি বাধা দূর করা এবং ইরানের পক্ষ থেকে মাইন নিষ্ক্রিয় করার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।

৬. যুক্তরাষ্ট্র তার আঞ্চলিক অংশীদারদের সাথে মিলে ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উভয় পক্ষের সম্মত একটি ব্যাপক পরিকল্পনা তৈরি করার অঙ্গীকার করছে, যেখানে অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন নিশ্চিত করা হবে। চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের রূপরেখা তৈরি করা হবে।

৭. চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। এর মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরস-এর প্রস্তাব এবং যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের প্রাথমিক ও দ্বিতীয় পর্যায়ের একতরফা নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৮. ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান পুনর্ব্যক্ত করছে, তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একমত হয়েছে যে, সমৃদ্ধকরণ করা উপাদানের ভবিষ্যৎ এবং ইরানের পারমাণবিক চাহিদাসহ পারস্পরিকভাবে সম্মত অন্যান্য পারমাণবিক বিষয়ের সমাধান চূড়ান্ত চুক্তিতে যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। চূড়ান্ত চুক্তিতে এই ধারার বিধান নিশ্চিত করা হবে।

৯. চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান পরিস্থিতি বজায় রাখতে সম্মত হয়েছে। ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা ধরে রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না। যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করবে না।

১০. যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গীকার করছে, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর থেকে নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার হওয়ার আগ পর্যন্ত মার্কিন ‘ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট’ ইরানের অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য ও এর উপজাত রপ্তানির জন্য এবং ব্যাংকিং, বীমা ও পরিবহনসহ এর সাথে জড়িত সমস্ত পরিষেবার জন্য প্রয়োজনীয় ছাড় জারি করবে।

১১. চূড়ান্ত চুক্তির দিকে আলোচনার অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সমস্ত অবরুদ্ধ থাকা তহবিল ও সম্পদ মুক্ত এবং ব্যবহারের উপযোগী করার অঙ্গীকার করছে। এই তহবিলগুলো মূল অ্যাকাউন্টে থাকুক বা স্থানান্তরিত হোক না কেন, সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইরান (ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক) কর্তৃক নির্ধারিত যেকোনো চূড়ান্ত সুবিধাভোগীর পেমেন্টের জন্য ব্যবহার করা যাবে। এই ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সব অনুমতি ও লাইসেন্স ইস্যু করার অঙ্গীকার করছে।

১২. চূড়ান্ত চুক্তির সফল বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতি বজায় রাখার বিষয়টি তদারকির জন্য একটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া গঠন করতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।

১৩. এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর এবং ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর ধারার বাস্তবায়ন শুরুর নিশ্চয়তা প্রাপ্তি এবং এই পদক্ষেপগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় থাকার সাপেক্ষে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কেবল বাকি ধারাগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু করবে।

১৪. চূড়ান্ত চুক্তিটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদিত হতে হবে।

বিষয়: পারমাণবিক শক্তিআমেরিকাইরানজাতিসংঘইরান-ইসরায়েল সংঘাতডোনাল্ড ট্রাম্পযুক্তরাষ্ট্র
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    তাহসিফ ও দীপকে ‘ধাওয়া’ দিয়েছিল কারা?

  • ২

    সাংবাদিক নিধি রাজদানের সঙ্গে বিয়ে সারলেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর

  • ৩

    মিরপুরে ৩ মেট্রোস্টেশন বন্ধ, পুলিশের গাড়িতে আগুন

  • ৪

    ‘মাদরাসার সভাপতি-সেক্রেটারিও জানে না সেখানে কী পড়ানো হয়’

  • ৫

    ‘শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে কোনো সরকারই দায়িত্ব পালন করেনি’

সম্পর্কিত
  • ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরান যুদ্ধ: বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছে উপসাগরীয় দেশগুলো

    ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য এক কঠিন বাস্তবতা তৈরি করেছে। সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, কূটনৈতিক তৎপরতা কিংবা হরমুজ প্রণালির বিকল্প জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা—কোনো উদ্যোগই এখন পর্যন্ত তাদের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি

  • এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    এইচএসসির ফলাফলে বিপর্যয়, দায় কি শুধু শিক্ষার্থীর, নাকি রাষ্ট্রেরও?

    গত ২২ বছরের মধ্যে চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের জন্য প্রচলিত মূল্যায়ন ব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভাবকে দায়ী করছেন শিক্ষাবিদরা। তারা বলছেন, শিক্ষাদানের দুর্বলতার পাশাপাশি উত্তরপত্র মূল্যায়নের প্রথাগত পদ্ধতিও এই ফলাফলের জন্য দায়ী।

  • রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পশ্চিম ইউরোপ

    পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলো দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফ্রান্স, স্পেন ও পর্তুগালের মতো দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, তরুণ প্রজন্মের অসন্তোষ, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আস্থাহীনতা ইউরোপের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ

  • ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ইরান ও ইউক্রেন: যুদ্ধই গিলে খাবে ট্রাম্পকে!

    ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের জন্য শুধু কংগ্রেসের আসনসংখ্যা নির্ধারণের লড়াই নয়; এটি তার পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন জনগণের মূল্যায়নেরও পরীক্ষা। ইউক্রেনের প্রতি অবস্থান পরিবর্তন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপ এবং শুল্কনীতির কারণে সৃষ্ট অসন্তোষ রিপাবলিকান ভোটব্যাংকেও প্রভ